[justify]বয়সের দোষ থাকে নাকি! শৈশবে ক্ষতি নেই, কৈশোরে যতি নেই, যৌবনে জানা হয় ফাঁকি --- তারপর গৎবাঁধা, সাধ করে গলা সাধা, রাত জাগে ভোর হয় --- আমাদের টুকিটাকি যাপিত জীবন...

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন ও রবীন্দ্রনাথ—৬
স্মৃতি খুব ফাউল একটা পাবলিক, ছয়-সাত বছর আগের সহপাঠীকে ভুলিয়ে দিতে পারলেও নানা আজব জিনিস সে মনে রেখে দেয় যুগের পর যুগ। ছোট বেলার প্রায় সব কিছু ইতিমধ্যে ভুলে গেলেও বিশেষ কিছু জিনিস একেবারে আজীবনের জন্য মস্তিষ্কে পোঁতা হয়ে গেছে। লিটল জুয়েলস স্কুলে যখন নার্সারিতে পড়ি তখনকার এক স্মৃতি এখনও পুরো স্পষ্ট। অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিমের প্রথম বউ তখন বেঁচে নেই। তার দুটো মেয়ে আমাদের স্কুলে পড়তো। শহীদুজ্জামান সেলিম তখনও বিখ্যাত। সেই সময় আমি তাকে একবার দেখেছিলাম। দেখেছিলাম, সেলিম তার দুটো মেয়েকে দুই কোলে উঠিয়ে আমার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। শহীদ জিয়ার মতো এই স্মৃতির যেমন কোনোদিন মৃত্যু হবেনা, তেমনি বোধহয় মৃত্যু হবেনা 'বিদেশ' শব্দ সম্পর্কিত ছোটবেলার স্মৃতিরও। এখনও বিদেশ শব্দটা শুনলে আমার মাথায় যে জিনিসটা চাড়া দিয়ে ওঠে সেটা বোধহয় ক্লাস টু তে যখন পড়ি তখনকার। চাচা অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন। আমি খুব করে কান্নাকাটি করছি যেনো উনি আমাকে স্যুটকেসে ভরে উনার সাথে নিয়ে যান।
চুমু - ২
---------------------
কসমেটিক্স প্লাবনে হারিয়ে গেছে লাবন্য
আমাদের চেনা প্রিয় অবসরের দিনে
জাকিয়ে বসেছে শীত; যেন দুর্দান্ত ঘুমোনোর দুপুরে
দরজায় কড়া নাড়ে অনাকাঙ্খিত অতিথি!
মাংসের উপমা নিয়ে মেধার মাঝে
ঢুকে গেলে জোড়া পাপ
গভীর স্থলনে আমার খুব ক্লান্ত লাগে।
স্তব্ধতার ঋজু গাছে থোকা থোকা
অবিশ্বাস; আলিঙ্গনের কেন্দ্র বরাবর দূরত্বের
মর্মভেদী জ্যা,
এমন হয়না। সহজে হয়না। এমনভাবে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া কথা শোনা হয়নি বহুকাল...
প্রথম সূচনা হয়েছিল ‘পথের পাঁচালি’ দিয়ে তারপর সেই পথে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলো ‘গৃহদাহ’, এরপর ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ এবং শেষটা ছিল ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’... এরপর বহুদিন। বহু সময় গড়িয়ে গেছে কিন্তু সেই স্পর্শের বিহ্বলতা, হৃদয়ের পোড়াস্থানে আন্দোলন উঠেনি বহুদিন।
[justify]আমিনুল ভাই তখন আটত্রিশ বছরের যুবক। কিন্তু দেখলে মনে হয় কমপক্ষে পঞ্চাশ তার বয়েস। লম্বা পানজাবী, মাথায় টুপি, তার সাথে মিল রেখে গালে পাতলা দাড়ি। তাবলিগের চিল্লা দিয়ে বেড়ায়। উত্তরের কোন এক জেলা থেকে লম্বা তাবলিগী সফর দিয়ে সে আমাদের বাড়িতে এলো। তখন দুপুর, মার্চ মাসের হালকা গরমের দুপুর। তার গাল ভেঙ্গে বেশ ঢুকে গেছে। চোখের নিচে কালি। ঝোলার মতো ব্যাগটা কোন মতে দরজার কাছে রেখেই সে সটান
[justify]
সারাদিন প্রচন্ড গরম। একেবারে বাজে রকমের ভ্যাপসা গরম। একটা গাছের পাতাও নড়ে না এরকম সময়ে। প্রচন্ড গরমের বিরুদ্ধে গাছপালাও মনে হয় অহিংস আন্দোলনের উদ্দেশ্যে একেবারে মৌনতা পালন করে। অবশ্য এই দু'হাজার বারো সালে ঢাকা শহরে গাছ আছেই বা কোথায়। এই জায়গাটায় অবশ্য এখনও গাছাপালা আছে বেশ কিছু। ঢাকা শহরের প্রচণ্ড ব্যাস্ততার মধ্যেও এই জায়গাটা একটু অন্যরকম, বিশেষ করে ছুটির দিনে। ইন্দিরা রোড। রাস্তার একপাশে খামারবাড়ি, আরেকপাশে তেজগাঁও কলেজ। ছুটির দিনে কলেজ বন্ধ থাকলে রাস্তাটা বেশ লাগে। যদিও একটু ভেতরে ঢুকলেই চাপা গলি আর ভাঙ্গা রাস্তায় জমে থাকা কাঁদাজলের জঞ্জাল, হার্ডওয়ারের দোকান। তারপরেও এই রাস্তাটা সবকিছু থেকে একটু আলাদা।
ভূমিকা: দুবাই ভ্রমণের ছবি নিয়ে এটা দ্বিতীয় লেখা, ছবি বিষয়ক পোস্ট হিসেবে চার নম্বর। দুবাই ভ্রমণের প্রথম ছবি নিয়ে যে পোস্ট দিলাম কয়েকদিন আগে, সেখানে কোন এক অজানা কারণে ৫ টা ছবি ছাড়া কিছুই দেখা গেলনা। যদিও দেয়ার আগে অনেক অনেক বার চেক করে দেখেছিলাম। অচল হবার কারণে পরে পোস্টটা এডিটও করতে পারলাম না। কোনদিন অচলত্ব কাটলে ঠিক করব পোস্ট টা। আগের লেখাগুলোর লিংক:
কমিক বানাবার ইচ্ছা অনেক দিন থেকেই। সেই ইচ্ছা থেকেই ছোট্ট একটা কাহিনী নিয়ে এক্সপেরিমেন্টালি বানানো কমিক ছায়া। একদম প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ তাই ভুল ত্রুটি থাকবেই। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবার অনুরোধ রইল।

কিচিন্ঘা একটি উদ্ভট শব্দ যার উত্পত্তিস্থল আমার মাথায়। যা হোক , ওই টা ব্যাপার না। মূল ব্যাপার হল , ক্যারিক্যাচার এর প্রতি আগ্রহ । একটা সিরিজ শুরু করব ভাবসিলাম - "তোমাদের মত আরো চাই " শিরোনামে, কয়েকটা করার পর ঠেকে গেছি, সময় আর বুদ্ধির অভাবে। সময়টা কিছু দেওয়া গেলেও, বুদ্ধি পাচ্ছি না। আমার উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশ এর যারা লিভিং লিজেন্ড বা জীবন্ত কিংবদন্তি তাদের ক্যারিকেচার