Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

প্রৌঢ় (৩০ বছর বা তদুর্দ্ধ)

স্বপ্নীল রাত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৭/২০১১ - ১২:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ এই রাতে তমসা ছেঁয়েছে চারিদিকে। যেন আঁধারে গ্রাস করেছে ধরণী।তথাপি বিশাল আকাশের বুকে আধ-খানি চাঁদ ম্রিয়মান অস্তিত্ত্বে বিরাজমান।যেন কোন সম্ভবনার জানান দেয় সে।

সব চলে গিয়েছে ঘুমের দেশে।ঘুমপরীরা তাদের নিয়ে যায় স্বপ্নের দেশে।হাজারো স্বপ্নের সমারোহ।লাল নীল স্বপ্নেরা ভীড় করে তাতে।


ভেকেশনে সুইজারল্যান্ড [পর্ব দুই]

মাহমুদ.জেনেভা এর ছবি
লিখেছেন মাহমুদ.জেনেভা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৭/০৭/২০১১ - ১২:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জেনেভা নিয়ে প্রথম পর্বটা [এখানে]
গত পর্বে আপনাদের সেলেভ মাউন্টেনে নিয়ে যাব বলেছিলাম প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি আপনাদের ইউথ হস্টেলে অনেকদিন ফ্রোজেন করে রাখার জন্য, আসলে কিছুই করার ছিলনা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাডার বসানোর কাজে পাহাড়ে উঠা নামা করতে গিয়ে ছোট বেলার তৈলাক্ত বাঁশে উঠা নামা করা বান্দরটার মত অবস্থা হয়ে গিয়ে ছিল, দেঁতো হাসি


গান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৭/২০১১ - ৮:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অমিতাভ দেব চৌধুরী

অনেকখানি সুদূর যখন একটুখানি নিকটের কাছে এসে বসে থাকে
তখনই,গানের জন্ম হয় ৷

তোমার মনে হবে,যেন ইরান থেকে আফগান সীমানা পেরিয়ে
অসংখ্য কাটাকুটির বলিরেখা- ছাওয়া বৃদ্ধ কাঁটাতার সাঁতরে
ওই গান,পাক-প্রহরীর ঘুমচোখ এড়িয়ে
দাঁড়িয়ে পড়েছে তোমার এই
শ্যামল নদীতীরের পারে মাঝির লোমহর্ষে ।

অনেকখানি গান যখন একটুখানি পাথরের কাছে এসে বসে থাকে
তখনই,ঝর্নার জন্ম হয় ।


নিজস্বতার বিলাস!!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৭/০৬/২০১১ - ২:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্তদ্ধ নিঝুম কোন একখানে সরব মানুষেরা ছিলো,
ছিলাম এই আমি।
জীবনের কোন কথা হয়নি,
এলোমেলো কথাগুলো পায়নি প্রান।
চোখে নেমে আসছে অলসতা, পৃথিবী বড় উদাস তখন।
সে দুপুরে মনে হয়েছিলো -
পৃথিবীতে নির্জন পরিসর কোথাও নেই;
নির্জনতা বাস করে মানুষের ভেতর।
সেই নির্জনতায় কোলাহল নেই, আলোড়ন আছে,
কৃত্রিমতা নেই, স্বাভাবিকতা আছে।
একাকী সেই নির্জনখানে যেক্ষণে আসবো আমি
সেক্ষণেই শুধুমাত্র আমি আমার,


একটি আত্মপ্রকাশের গল্প

তানিম এহসান এর ছবি
লিখেছেন তানিম এহসান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ৭:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভেজা রোদ্দুরে হাটতে হাটতে আর যাই হোক ক্লান্তি আসেনা। ২১ শে জুন, ২০১১ সাল, আজ কির্তনখোলা নদীর ধারে লাইনটা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। আমার এটা সবসময় হয়, কোন লাইন কিংবা গান মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে।

“শব্দেরা কোথা হতে এসে হাত পা চেপে ধরে
আর আমার শুধু উত্তুরে হাওয়ার টানে
দিনমান বয়ে চলা
গ্রাসাচ্ছনে আরো জোটে সুপ্রাচীন চাঁদ, জল, আর খেরো খাতা।।”


ধোঁয়া

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: সোম, ১৩/০৬/২০১১ - ৩:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাতে ঘুমোবার আগে একবার ঘরের বাইরে যেতে হয়। ধূমপান প্রাণঘাতী জেনেও শ্বেত ফিল্টারের একটা তামাক শলাকা দুই ঠোঁটে চেপে রেখে একটা দিয়াশলাই কাঠির মাথা দিয়ে তার ঘরের পার্শ্বদেয়ালে আঘাত করতে হয়। সেই ছোট্ট বিষ্ফোরণের শিখা থেকেই বিশুষ্ক তামাক শলাকা যোগাড় করে নেয় প্রয়োজনীয় আগুন।


কোথায় যাচ্ছেন ভেকেশনে ? চলেন যাই সুইজারল্যান্ড

মাহমুদ.জেনেভা এর ছবি
লিখেছেন মাহমুদ.জেনেভা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ১০:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোথায় যাচ্ছ ভেকেশনে? মে মাস শুরু হতেই এই প্রশ্ন প্রতিদিন আমার কলিগদের মুখে মুখে থাকে। আমাদের দেশের দুর্নীতিবাজদের যেমন প্রতি বছর ওমরাহ্ হজ্জ্বে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ, সুইসদের কাছে ভেকেশনে যাওয়াটা অনেকটাই সেরকম। চলুন এই সামারে আপনাদের সুইজারল্যান্ড নিয়ে যাই, আজকের গন্তব্য জেনেভা,প্রথমে একটা ভিডিও দেখতে পারেন জেনেভা শহরের


গান ও গল্প- অল অ্যালং দ্য ওয়াচটাওয়ার

ওডিন এর ছবি
লিখেছেন ওডিন (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০৬/২০১১ - ২:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গানটা প্রথম শুনি তিরানব্বই এর গ্রীষ্মে। ছায়াচ্ছন্ন, পুরোনো একটা মফস্বল শহরের মায়াবী এক দুপুরে। স্কুল গরমের ছুটি। (হ্যাঁ, সেইসময়কার স্কুলগুলোতে গরমের ছুটি বলে একটা ব্যপার ছিলো।) আমি সকাল থেকেই ঘাঁটি গেড়েছি এক বন্ধুর বাসায়। ওদের বাসা শহরের একেবারে মধ্যিখানে হলেও বাসার সামনে একটা আর পেছনে দুইটা পুকুর ছিলো। আর পেছনে প্রায় অন্ধকার জঙ্গলের মতো একটা বাগান। তাই পুরো সকাল আর দুপুরবেলা কেটেছে ওদের বাগান


বৃদ্ধির হার!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ৩১/০৫/২০১১ - ১০:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৃদ্ধির হার!
স্কুলে পাটিগণিতের সুদ কষার অংকের প্রথম পাঠই ছিল সুদের হার বা বৃদ্ধির হার। যদি বলা হতো সুদের হার ২ শতাংশ বা বৃদ্ধির হার ২; তবে লিখতে হতো ১০০ টাকায় ১ বছরে সুদ ২ টাকা বাড়ে। বা এক বছরে ১০০ টাকা বেড়ে দাড়ায় ১০২ টাকায়।