মাঝে মাঝে কিছু দিন আসে, যেদিন সবকিছু ভালোলাগে, এমনকি কড়া রোদে পুড়তে পুড়তে বাসে করে বইমেলা যেতেও ভালো লাগে, রোদে পড়লে মাথা ধরে, সেই মাথাব্যথাও ভালো লাগে।
আজকে এমনই একটা ভালোলাগা দিন এসে পড়লো আমার হাতে। কি করি কি করি ভাবতে ভাবতে বাসে উঠে হাজির হয়ে গেলাম বইমেলায়।
গ্রামের একটি ভোর
১.
‘’আচ্ছা, এ দেশের মানুষ ৭১ এ যুদ্ধ করেছিল কেন?’’ চিন্তাটা গত কয়েকদিন ধরে উদয় হাসানের মাথায় ক্ষণে ক্ষণে ক্ষরিত হচ্ছে!
আমি কখনও পাহাড় দেখিনি, ঝরণা দেখিনি। শিখিনি কুলকুল বয়ে যাওয়া নদীতে অবগাহন করতে। দেখিনি তালগাছে বাবুই পাখির বাসা।ইট কাঠ পাথরের এই যান্ত্রিকতায় মোড়া আমি।মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঘুম ভেঙ্গে যায়। টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালাই তখন। আমার টেবিল ল্যাম্পটা থেকে ঝি ঝি পোকার মত একটা শব্দ বের হয়।আর ফ্যানটা ঘুরতে থাকে। কটর কটর কটর ফ্যান ঘোরার শব্দ হয়।সিগারেটের সাদা ধোয়ার আড়ালে নিজেকে ঢাকার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালাই তখন। আ
এক.
তারপর জানা যায় কোন এক ভুল বুঝে চলে গেছে কেউ,
কোন এক কথা তবু থেকে গেছে বাকি; --
থেকে যায় অপসৃত ফোঁটা জল, প্রতিশ্রুত ঢেউ!
সচলায়তন আমাকে সতর্কবাণী দিয়েছে, আমার নাম কাটা যাবে। না, কোন উল্টাপাল্টা পোস্টিং এর জন্য নয়। স্রেফ দেড় মাস আমার কোন খোঁজ ছিল না এজন্য। হ্যাঁ ভাই মাত্র দেড় মাস। এই প্রথম এরকম হুমকি খাইলাম। আমি ২০০৭ সাল থেকে সচলায়তনের সাথে আছি। টুকটাক ব্লগ করি, পড়ি বেশি । ব্লগে ব্লক হই নাই আর কি... । তাইলে ব্লগিং করতেও এখন নিয়মিত উপস্থিতি বাধ্যতামুলক ?
বাংলার নবাব মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন অত্যন্ত কড়া শাসক। মৌলবাদ হল অফ ফেম এর সুপারস্টার আওরঙ্গজেবের তল্পিবাহক মুর্শিদ কুলি, যেমন গুরু তেমনই তার চেলা। মানুষ প্রজা নিপীড়ন করে তিনি প্রজা জমিদার দুটাই নিপীড়ন করতেন। তিনি ছিলেন কনভার্টেড মুসলমান, দলে দলে লোকে খৎনা করে মুসলমান হচ্ছেনা দেখে তার খালি মনে হত কেনু কেনু। ঠিক আওরঙ্গজেবের মত (অথবা জিন্নার মত, অথবা মোল্লা ওমরের মত, অথবা জামাতের মত) তার দৃঢ় সংকল্প ছিল সোনার দেশটা মুসলমান দিয়ে ভরিয়ে তোলার।
নানা ধরনের পুনর্মিত্রতার জ্ঞানচর্চা চালু হচ্ছে চারিদিকে। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানী গুণী গবেষকেরা সহজ সরল কথা না বলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধকে হালকা করানোর নানান আজগুবি তত্ত্ব তথ্য হাজির করছেন একের পর এক। তারা নির্মোহ দৃষ্টিতে দেখতে গিয়ে নৃশংসতা, ধর্ষণ, গণহত্যার পেছনের লোকজনদের দিকে জমে থাকা ঘৃণার ভার হালকা করতে চান। এই জ্ঞানী গবেষকেরা কখনো যুদ্ধাপরাধের শাস্তির পক্ষে সোচ্চার থাকেন না। যুদ্ধের দামামায় রক্তলিপ্সু হয়ে ওঠা অমানুষদের মধ্যে সামান্য মানবিক বিচ্যুতির বেশি কিছু এরা টের পান না। তারা নিজেদের মানবিকতা সরিয়ে রেখে আমাদেরকে তাদের মাপের মানবিকতার জামায় ঢোকাতে চান। আর এই গোত্রের একজন নতুন সংযোজন গবেষক ইয়াসমিন সাইকিয়া।