(গদ্য লেখার সাহস কখনো হয়নি। অনুবাদের ইচ্ছে ছিল কিন্তু বড় লেখায় হাত দিতে ভয়ও করত। অবশেষে ছোটখাটো একটা লেখা পেয়ে গেলাম, যেটা মনে হল সবার সাথে শেয়ার করা দরকার। অত্যন্ত প্রিয় লেখক পাউলো কোয়েলো এর Like the Flowing River এর The pianist in the shopping mall গল্পটা অনুবাদের দুঃসাহস দেখালাম। অভাজনের ধৃষ্টতা মার্জনীয়।)
শপিং মলের পিয়ানোবাদক
************
(মূলঃ পাউলো কোয়েলো)
একটা শপিং মলে এলোমেলো ভাবে হাঁটছি। সাথে আমার বন্ধু ...
এক দেশে এক সন্ন্যাসী ছিলেন। তিনি গেরুয়া রঙের কাপড় পরিধান করতেন না। নির্জন গাছের তলায় বসে ওম্ শান্তি ওম্ বলে ধ্যান করতেন না। যত্র-তত্র যাকে তাকে যেখানে সেখানে শাপ অথবা বর দিতেন না। সন্ন্যাসী হলেও তিনি ছিলেন পুরো মাত্রায় সংসারী। তাই জনগণ আদর করে তাঁকে সংসারে এক সন্ন্যাসী বলে ডাকতো।
তিনি নিয়মিত আসর জমাতেন - কখনো দারুণ সব ছোট গোল-গাল রুটির মতো সুস্বাদু গল্পে, কখনো কামরাঙা ছড়ায় আবা...
এক:
ছেলে: মা, অপরাধ কাকে বলে?
মা: খারাপ কিছু করা হচ্ছে অপরাধ।
ছেলে: তিন্নি গত হাফইয়ার্লি পরীক্ষায় খাবাপ করেছে। ও কি অপরাধ করেছে মা?
মা: না তা হতে যাবে কেন? ও তো কাউকে মেরে ফেলেনি!
ছেলে: ও, তাহলে র্যাব, পুলিশ আর জেলখানান জল্লাদরা অপরাধী!
মা: না, অপরাধী তারা, যারা ইচ্ছে করেই যাদের কোন দোষ নেই, তাদেরকে খুন করে বা ব্যথা দেয়।
ছেলে: তাহলে কাল শামীম খেলার সময় টেনিস বল ছুড়ে পিঠে ব্যাথা দিয়েছে...
শোমচৌ-এর অটোমান হারেমের কিচ্ছা বা তুর্কী কামসূত্র দ্বিতীয় ভাগের অংশবিশেষ থেকে এই কমিক্সের কথা মাথায় আসে। কবি ফাজিল ফাজলামি করে পার পেয়ে গেছেন, কিন্তু নারীদের দিয়ে এই আনাড়ি নাড়াচাড়া কোনো পাঠিকাকে গোঁসাঘরে না পাঠালেই ভালো।
যাক এই প্রাথমিক প্যাচালটা ম্যান্ডেটরি, নীড়পাতায় কমিক্সের টুকি মারা ঠেকাতে। পড়েন, মতামত জানান, এই সবও জানা কথা।
শোমচৌ-এর "অটোমান হারেমের কিচ্ছ...
আজ জুন ২, ২০০৯। একমাস হলো। আরো কতদিন বাকী! মনে হচ্ছে তোমাকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য হলেও চলে যাই। কিন্তু সেটা কি ঠিক হবে? হবে না। তাই অপেক্ষাই একমাত্র সম্বল।
এখানে গ্রীষ্ম আসেনা
রোদে পোড়েনা ফুল-ফল-পাখি
বৃষ্টির রিমঝিম বাজেনা;
মেকী হাসি, মেকী মন
জান্তব ক্ষুধার ভেলায়
অহরাত্রি ভাসেনা;
ছন্নছাড়া মেঘ
সবুজের ঘাঘরা পরা
কিশোরীর চঞ্চলতায় নাচেনা;
এখানে গ্রীষ্ম আসেনা।
এখানে প্রেম আসে ন...

গ্রেট পাওয়ার সিরিজ: পর্ব-১ । পর্ব-২ । পর্ব-৩ । পর্ব-৪
*
হ্যাবসবার্গদের নিয়ে কেনেডির লেখা অধ্যায়টা বিশাল, আর এত নানা দিক থেকে আগাইছে যে কোনদিক দিয়া ধরমু আর কোনদিক দিয়া নাড়মু এখনো ঠিক বুইঝ্যা উঠবার পারলাম না। আবার পড়তেই লাইগা গেল বিশাল সময়! আরো পেইন হইল, কেনেডি মহাশয়ের ল...
অনেকদিন আগে, জগৎজোড়া জালের জগতে তখন হাঁটি হাঁটিপা পা করে চলছি আর থমকে থেমে থেমে দেখছি কি হচ্ছে সেখানে। যা দেখি অবাক লাগে। খুঁজতে খুঁজতে খুঁজে পেয়েছিলাম নিজের ভাষা, বৈশাখের দুপুরবেলা যেন মিশরে ঘুরতে ঘুরতে মরুভূমির উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মরুদ্যান দেখা। সে এক অতীব আশ্চর্য অনুভূতি।
সহস্রমাল্যের কথা : নরসুন্দর বস্ত্রবণিক পর্ব
---------------------------------------
সেইদিন সন্ধ্যায় রাজসভার সেই অশ্ববণিক যখন নগর হইতে অনতিদূরে আপন তাম্বুতলে বিশ্রাম লইতেছিল, দেখিল, দূর হইতে কে যেন এদিকেই আসিতেছে। ক্রমে সেই ব্যক্তি আরো নিকটে আসিলে সে বুঝিল, ভদ্রলোক কোন উচ্চবংশীয় ধনী হইবেন। হায়.. যদি সে বুঝিত.. এ ছিল সেই তস্কর সহস্রমাল্য!
সহস্রমাল্য অশ্ববণিকের সম্মুখে আসিয়া জিজ্...
[justify]কয়েক মাস ধরেই জগৎসংসারকে একটা খটকা নিয়ে দেখছিলাম। ক্ষণে ক্ষণেই মনে ঘাই দিয়ে উঠতো সেই সংশয়াকূল প্রশ্ন, পৃথিবীটা এমন কেনু কেনু কেনু?
একদিন বাস থেকে নেমে ট্রাম ধরতে গিয়ে সেই প্রশ্নের উত্তর মিললো। মাউয়ারষ্ট্রাসে থেকে বাঁয়ে ঘুরে কোয়নিগ্সপ্লাৎসের দিকে এগোচ্ছি, সোঁ সোঁ করে একটা ট্রাম এসে হাজির। দূর থেকে নাম্বারটা পড়ার চেষ্টা করতে গিয়েই বুঝলাম, চশমার পাওয়ার আর চোখের পাওয়ারে য...
শুভ্রমালা পরিয়ে দিতে দিতে নদীর গ্রীবায়
জল ঘেষে উড়ে গেল লম্বাসারির বকগুলো।
রোদে টলটল করছে জলের শরীর
নৌকোর মাথাটা
ভরনদীর মুখে এগোতেই
অনেক উঁচুতে উঠে
ওরা আমাদের অতিক্রম করলো।
ওদের কন্ঠে ডাক শোনা গেল জীবনের :
বাড়ি ফিরে এসো? বঙ্গোপসাগরের হাওয়ায়
অন্তত একদিন ভালোমত বেঁচে যাও।
আমরা কী জানি সুন্দর
এ ভাবে আমাদের অবজ্ঞা করবে!
না হয়- যেতাম না ওদের রাজ্যে, বসে
থাকতাম আরও এক বিপন্ন আ...