[justify] মঙ্গলবার টিফিন বিরতির পর বাংলা ক্লাস। আমি ক্লাস পালালাম।
নদী খনন বা ড্রেজিং হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে প্রবাহের কারনে নদীর তলদেশে যে পলি জমা হয় তার অপসারন।বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্হান আর নদী অববাহিকার বৈশিষ্ট্যগত কারনে নদী খনন একটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ বিষয়।সেই সাথে নদী খননের সাথে অর্থনৈতিক বিষয়টিও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এই ধারাবাহিকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নদী খননের প্রয়োজনীয়তা, কয়েকটি চলমান নদী খনন প্রকল্প নিয়ে পর্যালোচনা এবং সেই সাথে
[justify]আগের পর্বঃ প্রথম পর্ব । দ্বিতীয় পর্ব । তৃতীয় পর্ব
'নারিকেল ভোজনে অহিত যদি হয়, তন্ডুলেতে উপশম জানিবে নিশ্চয়||
আম্রফলে দুগ্ধে ঘৃতে জামীরের রস| কদলীর ফলে ঘৃত পাচক সরস||'
"কাঁঠালে কদলী ফল, কদলীতে ঘৃত| ঘৃতপাকে জম্বুরস জীর্ণমতে ধৃত||
জামরস বিগুণে লবণ প্রতিফল| বিঘ্নকর লবণে তন্ডুলধৌত জল||"
আমি শায়লা। শায়লা শারমিন। বাবামায়ের একমাত্র মেয়ে। ছাত্রী ভালোই ছিলাম। কোনো টিউটর তখনো প্রয়োজন পড়েনি। টুকটাক প্রবলেম হলে মা কিংবা বাবা দেখিয়ে দিতেন। ক্লাস এইটে যখন পড়ি, একটা অংক দেখাতে নিয়ে গেলাম বাবার কাছে। অংক বোঝাতে গিয়ে বাবা আমার বুক স্পর্শ করেন। ভয়ে, আতংকে আর লজ্জায় যতোটা না কিশোরী শরীর কেঁপে উঠেছিলো, তারচেয়ে অনেক বেশি কেঁপে উঠেছিলো তার মন। শামুকের মতো গুটিয়ে গিয়েছিলাম নিজের ভেতর
(১)
আজ ফাগুনের ফুলগুলি সব ইচ্ছে করে মনের ভুলে,
পথ হারিয়ে যাক জড়িয়ে তোমার দীঘল কুন্তলে।
মন পবনের ভেলায় ভাসুক রোদ্দুরের ওই সুরগুলি,
যাক ছুঁয়ে যাক বসন্ত রং তোমার মনের ঘুলঘুলি।
(২)
এসো সব ক্রন্দন হাহাকার
এসো সব নিসীম শূন্যতা
ধূলির গর্ভে ফুটায়েছ যে ফুল
নিয়ে যাও তার স্নিগ্ধতা।
(৩)
চিবুক ছুঁতে গিয়ে হঠাৎ ছুঁয়ে দিলাম চুল,
সেটাই ছিলো ভুল আমার সেটাই ছিলো ভুল।
সুবিধা মানুষকে সার্থপর করে। আমি সেদিক থেকে নিরাপদ। সুযোগ হয়না, সার্থপরও হতে পারি না। আছে সংসারধর্ম, দায়ীত্ব। সব কিছু ঠিক রাখতে গিয়ে অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়। পাণ্ডবদার চতুর্থ সংসোধনী প্রস্তাব তৌফিক অনুযায়ী বাস্তবায়ন শেষে পাণ্ডুলিপি শষ্যপর্বে পাঠিয়ে ছিলাম। আশা ছিল অন্ততঃ মার্চ নাগাদ বইটা শেষ হবে। নজমুল আলবাব হাঞ্জ-পোলারে বইমেলাতেই বাপ ডাকাইলেন। কী ভাবে তিনি তা সম্ভব করলেন সেটা তিনিই জানেন। অভ্রর লে
এই উপকথা আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ডের। আশ্চর্যভাবে আমাদের দেশের উপকথার সাথে কোথায় যেন মিল আছে। বাঙালী নামধাম দিয়ে গল্পটা বলতে চেষ্টা করলাম। আজকে দ্বিতীয়ার্ধ।আগের অংশ এখানে
২। তারপরে দিন যায় দিনের নিয়মে। রাখাল আর মেঘবতীর জীবন চলে আগের মতনই। এখন ইঁদুর আর কাঠঠোকরা তাদের কাছেই থাকে, ব্যর্থমনোরথ গুপ্তচরেরা বিদায় নিয়েছে।
অনেকেই প্রশ্ন করেন- দেশকে এত ভালবাস, দেশের ভাষা নিয়ে কাজ করতে চাও, তাহলে বিদেশ এলে কেন?