এক দেশে এক দুরন্ত-ধুরন্ধর সেনাপতি ছিলেন।
সেই সেনাপতি সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একদিন হঠাৎ রাজা হয়ে গেলেন।
রাজা হওয়ার পর সে স্বৈরাচারী শাসন শুরু করলেন।
সেই রাজা আবার খুব রমণীমোহন পুরুষ ছিলেন।
তার পৌরুষ-শৌর্য-বীর্য নিয়ে লোকমুখে অনেক মুখরোচক কাহিনী প্রচলিত ছিলো।
কথিত আছে তার পৌরুষের প্রভাবে ও ক্ষমতায় পুরুষ বাঁদরও সন্তান গর্ভধারণ করতে পারতো।
বিয়ের ঝোঁকে ছুটছে লোকে
মোটা এবং পাতলাতে
চুনোপুঁটি রাঘব বোয়াল
এবং রুইয়ে কাতলাতে।
কিছুদিন আগে একটি নতুন ফিচার পরীক্ষার সময় ভুল বশতঃ বেশ কয়েকজন সচলের কাছে ইমেইল বার্তা পৌছায় এই বলে যে, দু সপ্তাহের মধ্যে সচলায়তনে লগ ইন না করলে তাদের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রীয় হয়ে যাবে। লক্ষ্যণীয় যে, অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রীয়করণ মানে অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে যাওয়া নয়। যদিও এক বছর লগইন না করলে বার্তাটি পাঠাবার কথা, একটি বাগের কারনে, এক মাস লগইন না করলেই বার্তাটি পাঠানো হয়।
১
বরবাদটা এখনও ঘুমায়নি তাহলে। কালকে আটটায় ক্লাস সেদিকে হুঁশ আছে? বলতে বলতে মাহিন বালিশের পাশে রাখা ল্যাপটপের স্ক্রিনের উপর ঝুঁকে পড়ে। ফেসবুকে সে তখনও অনলাইন, লগ আউট করা হয়নি। প্রোফাইল অন রেখেই ঘুমিয়ে পড়েছিলো। হাসানের সঙ্গে ঘন্টা দেড়েক আগেই কথা হচ্ছিলো নেটে, বিছানায় শুয়ে শুয়ে। পরে ঘুম চলে আসায় আস্তে করে গান ছেড়ে দিয়ে হাসানকে “যাইগা দোস্ত্” বলে ঘুমিয়ে পড়ে।
আমাদের একখন্ড উপকূলীয় বনভূমির দাম কত? প্রশ্নটা সিরিয়াসলিই করছি, একটু ভেবে দেখুন।
সেই সাথে চলুন দুটো কেস্ স্টাডি দেখি।
সম্প্রতি বাংলাদেশে বিপিএল টি-টুয়েনটি নামে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হয়ে গেল।
বিগত ০৯-০২-২০১২ ইংরেজী তারিখে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশে বিপিএল টি-টুয়েনটি নামে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হয়ে গেল।
সকাল ছয়টা চল্লিশ মিনিট
সকাল কয়টায় রওনা দিলে মিরপুর থেকে বসুন্ধরা বারিধারায় আটটার আগে পৌঁছানো যাবে তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হয়ে গেছে গত ক’বছরে। বছর দুয়েক আগেও সাতটা বিশে বাসা থেকে বের হয়ে আটটার আগে পৌঁছানো যেতো, এখন সেদিন আর নাই। যাওয়ার পথকে ক্যান্টনমেন্ট-বনানী-গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট-শেওড়া-নদ্দা, ভাষানটেক-জিয়াকলোনী-এয়ারপোর্ট এরকম অনেকগুলো পারমুটেশন কম্বিনেশন করে নানান পথে গিয়ে দেখেছি ভীড় বেড়ে গেছে অনেক। গত ছ’মাস সকাল ছ’টা পঞ্চাশে রওনা দিলেও আটটায় পৌঁছানো যেতো, এখন তাও যাচ্ছে না। অগত্যা ছ’টা চল্লিশে বাসা থেকে বেরুলাম আজ।
এই ব্লগেতে লেখতে গিয়ে
আমি আর ছড়া কাটব না,
কারণ বিপদ রয়েছে যেখানে
সেই পথে আর হাঁটব না।
নিরাপদ বেডরুমের দাবিতে
ব্যানার ফেস্টুন আর ঘাঁটব না।
ব্যঙ্গচিত্র আঁকতে গিয়ে
পেন্সিল আর ছাঁটব না।
নিরাপত্তার দুশ্চিন্তায়
চায়ের কাপ আর চাটব না।
'স্বাভাবিকভাবে মরতে চাই'
এ পোস্টার আর সাঁটব না।
এই ব্লগেতে লেখতে গিয়ে
আমি আর ছড়া কাটব না।
শুধুই দেব খবরটুকু
নেইকো কোন ভয়,
সবাই এখন খুব নিরাপদ
হাবিবুরের কথা নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের। সেই যে, যাকে উলঙ্গ করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জোয়ানরা উষ্ণ চায়ে সুড়ুৎ সুড়ুৎ চুমুক দিতে দিতে পিটিয়ে ছিলো একটা পশুর মতোন। সেই হাবিবুর, যার সাথে 'ম্যানেজ'-এ বনিবনা না হওয়ায় যার জননাঙ্গে পেট্রোল ঢেলে দিয়েছিলো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী'র জোয়ানেরা। সেই হাবিবুরের কথাই জিজ্ঞেস করছি। আমি জানি আপনারা জানেন এই হাবিবুরের কথা।