স্বপ্নে এক মুক্তিযোদ্ধার সাথে বর্তমানের এক তরুণের দেখা। প্রথমজনই কথা শুরু করলেন।
-রাজাকার কারা?
-একাত্তরে যারা রাজাকার দলের সদস্য ছিল তারা।
-রাজাকাররা কি ঘৃণ্য?
অনেক, অনেক ছোটবেলার কথা । ১৯৯৪ সাল । তখন আমি বগুড়া জিলা স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র । বাসা ছিল কানছগাড়ী নামের একটা জায়গায় । ঠিক দুষ্টের শিরোমণি লঙ্কার রাজা না হলেও একেবারে কম ছিলাম না । আশেপাশের বেশ কয়েক বাসার সমবয়সী পিচ্চিদের নিয়ে মোটামুটি একটা বড় গ্রুপ ছিল যাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এলাকার বড় মানুষদের ভাল লাগার কোন কারন ছিল না ।
যে শিউলিফুলগুলোকে হয়তো আর কোনোদিন দেখা হবে না, তাদের স্মৃতির মাঠ থেকে খুঁজে খুঁজে শিশিরে ধুয়ে সাজিয়ে রাখি। আকাশে বাতাসে শরতের ছোঁয়া, রোদ্দুরে যাদু, এর ভিতরে কান পাতি, অনেক দূরের আমার শৈশবের প্রান্ত থেকে ভেসে আসে ঢাকের শব্দ, ডিং ডিডিং ডিডিং ডং। ঢাকীরা নানা রঙের পালক আর শুভ্র কাশফুল দিয়ে সাজ পরাতো ঢাকের। এখনও হয়তো পরায়।
গত ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে রাগবি বিশ্বকাপ। মোট ২০টি দল চারটি পুলে বিভক্ত হয়ে লড়াই করছে একে অপরের সাথে। যদিও মাত্র কয়েকটা দল বাদে বাকি দলগুলো মাত্র একটা করে ম্যাচ খেলেছে, কিন্তু তাতেই উত্তেজনার পারদ উঠে পড়েছে অনেক উপরে।
[justify]
'গলায় আমার নেই যে কোন রেওয়াজ করার স্বভাব, এই অভাব আমার থাকবে চিরদিন..' ♪♫
তুমি তো এখানে স্মৃতি শুধু নও, বাস্তবে আশাতীত,
তোমার উনুনে অঙ্গার হোক এবার আমার শীত।
শেকড় যেখানে সেখানে ফিরছি নভেম্বরের রোদে,
মেটে শালিকের বেনোজলে ভেসে খেয়ালি ক্লান্ত বোধে।
উই মেক এন্ড স্পিন দ্য ড্রিমস,
এ্যান্ড, উই মুভ উইদিন দ্য স্পিনস অব আওয়ার ড্রিমস।
- গৌতম রাজধ্যক্ষ (১৯৫০-২০১১)
: পৃথিবীর সাথে আমার সম্পর্কটা অভিমানের।
: তোমার নিজের কথা বলছো?
: হ্যা। আমারই।
: আগে অন্য কারো মুখে একথা শুনেছি বোধহয়।
: শুনতে পারো। আমার অনেক কথাই আমি অন্যের কাছে প্রথম শুনেছি।
বাজার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি ঠিকই কিন্তু এ বাজারে সওদা করার কিস্যু নেই...
একখানা টেবিল ঘিরে চলছে জম্পেশ আড্ডা। উপস্থিত আছেন এজরা পাউন্ড, গ্যারট্রুড স্টেইন, হেনরি মিলার, জেমস জয়েস, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, সিনক্লেয়ার লুইস, স্কট ফিটজেরাল্ড, স্যামুয়েল বেকেট, পল ভ্যালেরি। তুমুল হৈ হট্টগোল, করতালির সমাহার। আড্ডার বিষয়বস্তু- সমকালীন সাহিত্য। নিশ্চয়ই ভাবছেন বিশ্বসাহিত্যের এই রথী-মহারথীরা একাট্টা হয়েছেন এমন কোন আড্ডায়!
ঘুঘু নেই; ঘুঘু ডাকে কবিতার নাড়িছেঁড়া নীড় কবিতায়,
কবিতা পাঠের শেষে, কয়েকটি অ-বিরল ঘুঘু খুঁজে পায়
কোন এক ডানা তার ডানাহীন, তারপর উড়ে যেতে চায়
পথহারা পথ ধরে ফেলে আসা গাবগাছ, জামের শাখায় -
তবুও ঘুঘুরা ডাকে - সকাতর অন্ধচোখ - চোখের ভাষায় -
ব্যথাহীন হৃদয়ের নীরবতা সব তার, অকাতরে হায়
বলে যায় সব ব্যথা! অথচ ঘুঘুর কথা কাব্যের খাতায়
লিখে ফেলে যদি কেউ, তবু তার সবটুকু কথা থেকে যায়!!