নিজের উচ্চতা মাপি! ‘গা-ঘেঁষে দাঁড়াই’ আলাপে-প্রলাপে
‘গা-ঘেঁষে’ দাঁড়াবার ঢরে বার-বার দম বন্ধ হয়ে আসে
ছায়ার আঘাতে
তোর চাপাহাসি খুললেই গালের টোল খুবই স্পর্শাচেতন হয়
আমার চোখও লুকিয়ে লুকিয়ে হাসে নিয়ম মোহের ডানায়
এসময় তোর দেহবাতাসের সুঘ্রাণ ছাড়া দাঁড়ানো কী সম্ভব?
কতটুকু দাঁড়িয়ে থাকা যায়? ফুলের মতো, ছায়ার মতো
আমি অয়ন। বাবা-মায়ের সাথে একটা ছোট্ট শহরে থাকি। একটা প্রাইমারী স্কুলে ক্লাশ ফোরে পড়ি। এবার রোজার ছুটিতে মায়ের সাথে ঢাকায় বেড়াতে গিয়েছিলাম।
প্রথম পর্ব > দ্বিতীয় পর্ব > তৃতীয় পর্ব > চতুর্থ পর্ব > পঞ্চম পর্ব > ষষ্ঠ পর্ব > সপ্তম পর্ব > অষ্টম পর্ব > নবম পর্ব
আমার নানা যখন ঢাকায় বেড়াতে আসতেন, তখন আমাদের নিয়ে তিনি রাজারবাগ পুলিশ লাইনের ভেতরে প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমণে যেতেন। মাঠটায় বার দুয়েক চক্কর দিয়ে আমরা এসে দাঁড়াতাম পেছনে আস্তাবলের সামনের যে রাস্তাটা ছিলো সেখানে। ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতাম সকালের কুচকাওয়াচের জন্য সহিসরা ঘোড়াগুলিকে তৈরি করছে। গা ব্রাশ করা, লেজ আঁচড়ানো, ঘাড়ের কেশর আঁচড়ানো, লাগাম পরানো আরো কতো কিছু যে করতো তারা ঘোড়াগুলিকে নিয়ে। কবে থেকে ওখানে যাওয়া শুরু করেছিলাম, ঠিক মনে করতে পারবো না; তবে জ্ঞান হবার পর থেকেই পুলিশ লাইনের ভেতর চরে বেড়াতাম।
[justify]আজকের বিষণ্ণ সকালটা ঠিক যেন দেশের শীতকালের কুয়াশাভরা সকাল কিংবা ধূসর বিবর্ণ বিকালের মত, যখন ঘুম থেকে উঠে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ও ঠিক বুঝা যেতোনা যে সময়টা সকাল না বিকেল। এখানে শীতকাল নেই, সারাবছরই গরম আর বৃষ্টি। এখানে আসার পর তাই শীতের দিনের জন্য মনটা কেমন যেনো আইঢাই করে। তবে শীতের দিনে যে খুব ভালো থাকি তা ও না। সবসময়ই শীত আসলে আমার গলায় কিছু একটা গরম কাপড় পেঁচানো থাকতো। সেই কোন ছোটবেলা
আপনি বলেননি কখনো
পৃথিবীর যাবতীয় বিবর্তনকে পাল্টে দিতে
একবার সময়ের কন্ঠে ছুরি বসাতে
নতুন আবর্তনের মেরুপথে
থাবা বসাতে বলেননি আপনি।
শুধু আমি ভেবেছি
আজও ভাবি
গতিহীন চারুলতার চিরঞ্জয়ী অসুখ
বিবর্ণ রাধাচূড়ার উদাসীন মুখ
পরিনত গোলক ধাধায় হাতড়ে
শুধু আমি ভেবেছি ।
আপনি বলেননি কখনো
তবু মৃত্যু এসেছে ভালবাসার আঁচল বেয়ে
সন্ত্রাস এসেছে পাল্টে দেবার স্বপ্ন দেখিয়ে
সবকটা জানালা খুলে দাওনা .. ‘জানালা’ খুলে দেবার বিষয়টা আমাদের গদ্যে,পদ্যে বিভিন্নভাবে বলা হয়েছে, বলা হচ্ছে, আরো বলা হবে। কিন্তু এই শব্দগুলো একসাথে শুনলে যে গানের কথা আমাদের মনে পড়ে তার সাথে আমাদের নিরাকার বোধ জড়িত। এই জানলা খুলে দেয়ার সাথে একটা দেশের কতটা আবেগ জড়িত হয়ে যাবে তাকি জানতেন প্রয়াত নজরুল ইসলাম বাবু যখন তিনি অক্ষরে অক্ষরে গেঁথেছিলেন এই অবিনাশী গান; কতটা বুঝেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল যখন তিনি ভেতরের সবটুকু আবেগ নিয়ে জল ছাপিয়ে যাওয়া দু’চোখে প্রথমবার সুরে গেঁথেছেন, কিংবা সাবিনা ইয়াসমিন, তিনি যখন প্রথম তার কিন্নর কণ্ঠে গানটা তুলেছিলেন। আমাদের ভাগ্য ভালো এখনো এই গানটির ফিউশন করার চেষ্টা কেউ করেনি।
[justify]২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৬-৭ তারিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর বাংলাদেশ সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে যে সব দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সীমান্ত চুক্তি। এই চুক্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আমরা জানি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১০৪টি এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৯০টি ছিটমহল আছে। তাছাড়া ছিটের ভেতর ছিট বা চন্দ্রছিট আছে ভ
কোথাও কোন সাড়া নেই। নিরুদ্বেগ, নিঃসঙ্গতাপূর্ণ রহস্যময় এক শূন্যতা একটা মেঘের মত চারদিক ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোন আলোড়ন নেই। শান বাঁধানো উঠোনের মত শান্ত সবকিছু।