১.
মোবাইলে খুব তীক্ষ্ণ এলার্ম বেজে ওঠে। পাশ ফিরে প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে কেয়া স্টপ লেখা যায়গাতে ছুঁয়ে দেয়। বিশ বছরের এই জীবনে তার কাছে সব থেকে কঠিন কাজ হচ্ছে এত সকালে ঘুম থেকে ওঠা! বুধ বারের সকালটাই এমন বিরক্তিকর! এদিন সকালে ক্লাস থাকে। ঘুম থেকে তাই অনেক আগে উঠতে হয়। আবার উঠতে ইচ্ছে করে না বলে আয়েস করে চা এ চুমুক দেয়ার সময় থাকে না। আবার চাইলেই এলার্ম বন্ধ করা গেলেও মা এর একটু পর পর ডাকাডাকি বন্ধ করা যায় না। তাই উঠতেই হয়। ক্লাসেও যেতে হয়।
(বড়বেলা!) টাইমলাইন: শুণ্য হইতে প্রাইমারি
আমি বেশ বড়ো হয়ে সাইকেল চালানো শিখেছি। বড়ো হয়ে বলতে ক্লাস সিক্সে পড়ি খুব সম্ভবত তখন। যে সব বুদ্ধিমান মানুষ ক্লাস সিক্সকে বড়ো বলায় হয়তো চোখ ছোট কিংবা 'বড়ো' করে ফেলেছেন তাদের জন্য বলতে হচ্ছে বড়ো হয়ে বলার কারণটা হচ্ছে আমার বড়ো(!)ভাই।
আমার মধ্যে ছড়াচেতনা এবং ছন্দ-দ্যোতনা সৃষ্টিতে বিশিষ্ট এক মাতালের ভূমিকাকে আমি স্মরণ না করে পারি না। আমি তখন খুব ছোট। প্রাইমারী স্কুলে আসা যাওয়া শুরু করেছি সবে। থাকি হেয়ার স্ট্রিট,ওয়ারিতে। আমাদের বাড়িটা এমন এক জায়গায় যার ডানে এবং বাঁয়ে মুচিদের (রবিদাস সম্প্রদায়)টানা বস্তি। মাঝখানে আমাদের বাড়িটাই শুধু ইটের দালান। সেই বস্তিতে থাকা মুচিদের প্রধান জীবিকা ছিলো জুতো সেলাই। রবিদাস সম্প্রদায়ের ল

“আপনার একঢাল সুন্দর ঘনকালো চুলের রহস্য কী?”
কয়েকদিন আগেও এটা ছিলো একটা স্কুল। এর মাঠে সকালে ঘুম ঘুম চোখে সারি বাঁধা ছেলেমেয়েদের সামনে দপ্তরীর হাতের দায়সারা টানে আকাশে এক মন্থর ভূবন চিলের মতো ডানা মেলতো সবুজের মাঝে লাল একটি বৃত্ত, সহকারী প্রধান শিক্ষকের গম্ভীর আদেশের পর অনেক বিপথগামী কণ্ঠের মাঝে পাশের আমগাছের পাতায় কাঁপন ধরাতো কী শোভা কী ছায়া গো কী স্নেহ কী মায়া গো।
প্রতিদিন সকালে ইমেল দেখা শেষ হলেই ঢুকি সচলায়নে। একদম নিয়ম হয়ে গেছে। একদিন ঢুকতে গিয়ে দেখি পাতাটা খোলে না। প্রথমে ভাবলাম হয়তো সাময়িক কোনো সমস্যা, দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করলাম, খুললো না। সারাদিনে পারলাম না খুলতে।
হারামজাদি কুন্তীবুড়ি তার পোলাগোরে রাজা বানানের লাইগা ঠকাইছে আমারে আর আমার মায়েরে। সিংহাসনের লোভে একদিন বয়সের আমারে আমার মায়ের লগে জঙ্গলে ফালাইয়া থুইয়া নিজের পোলাগোরে নিয়া পলাইছে বুড়ি। ...হইলনি রাজা? পাইলিনি সিংহাসন? দেখ তোর রাজপুত্তুরেরা এখন ফকিরের মতো গাছের ছালবাকলা পইরা রাস্তায় ঘোরে আর তোরে পরের ঘরে খাইতে হয় ভিক্ষার ভাত...
"এ্যাঁলো--আজিজ সা'ব আছোইন নি?"
বশর চাচা আমাদের বাসায় ফোন করে সব সময়ে এই কথাটা বলতেন।
এক.
আমি ভাই একা মানুষ। একা চলতে পছন্দ করি। দোকাতে আমার মেলে না।