[justify]
কায়েস চৌধুরীর মাথার ভেতরে চিন্তা চলছে ঝড়ের গতিতে। সম্মেলনকেন্দ্রের ভেতরের মৃদু শব্দে চলা এয়ার কন্ডিশনারটাও পারছে না তার কপালের ঘামের ফোঁটাগুলোকে থামিয়ে দিতে। কফির কাপে চুমুক দিচ্ছেন কায়েস চৌধুরী। তেতো কফি- অন্য সময় হলে ছুঁড়ে ফেলে দিতেন তিনি এটাকে- এই মুহুর্তে ভ্রুক্ষেপও করছেন না সেদিকে। ভয় পেয়েছেন, কায়েস চৌধুরী ভয় পেয়েছেন...
তোমরা যারা ছোট্টটি নেই আর-
তোমরা যেন কোনমতেই টম এন্ড জেরির ধার ধেরো না,
সুপারম্যানের পাওয়ার দেখে এত্তোখানি বাড় বেড়ো না,
নিনজা টার্টল দেখবে বলে সোফার দখল আর কেড়ো না,
উডপেকারের হাসির তোড়ে রামগরুড়ের মার ছেড়ো না,
সকালবেলায় পড়ার নামে গপ্পোকথার বই পোড় না,
দুই টাকাতেই ঝালমুড়ি আর চানাচুরের জেদ ধোর না,
কমিক্স পেলেই চোখ চকচক অমনি হঠাৎ আর সোর না,
ঠিক দুপুরে বাধ্য হয়ে নকল ঘুমের ভান কোর না,
একশ বছরেরও বেশী সময় আগে ১৯০৮ সালের ২১ এপ্রিল মার্কিন অভিযাত্রী ফ্রেডেরিখ কুক প্রথম মানুষ হিসেবে উত্তর মেরু বিন্দু জয়ের দাবী করেন। ঠিক এক বছর পরে আরেক মার্কিন অভিযাত্রী রবার্ট পিয়েরি ১৯০৯ সালের ৬ এপ্রিল একই দাবী করেন। তাহলে উত্তর মেরু বিন্দুতে আসলে কে আগে পৌঁছেছেন?
বাচঁতে হলে জানতে হবে এই কথাটি শুধুমাত্র AIDS এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয় বেশিরভাগ অসুখ ই সামান্য চেষ্টার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।এমনকি ক্যান্সারের মত রোগ ও।কর্কট রোগ বা ক্যান্সার দুইটি শব্দই এত খটমট ধরনের যে শুনলেই ভয় লাগে।অবশ্য ক্যান্সার তো ভয়ঙ্কর এক অসুখের ই নাম।৪ বছর আগের কোন এক সন্ধ্যায় যখন শুনেছিলাম আব্বার কোলন ক্যান্সার হয়েছে মাথার উপর বাস্তবিক অর্থেই যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছিল।এত শেষ পর্যা

অনেক টাকা হলে কি কি করব সেই বিষয়ে আমার সবসময়েই অনেক চিন্তাভাবনা ছিলো। টানাটানির সংসার ছিলো। একখানা ডিম ভেজে, চার ভাগ করে তারপরে আলু দিয়ে ঝোল রান্না। অথবা ডিম সেদ্ধ করে সেটাকে আদ্ধেক করে আলু-ঝোল। যদি কোনোদিন একখানা ডিম পুরো পাওয়া যায় তবে বুঝতে হবে বিশেষ কিছু সেদিন।তখন বুঝতাম না, এখন কেনো যেনো মনে হয় পাতলা আলু-ঝোলের ব্যাপারটাই বেশ গরীবী, বড়লোকে নিশ্চিত ভুনা খায়। অনেক টাকা হলে অনেকগুলো ডিম খাব, এই চিন্তায় মশগুল ছিলাম অনেকদিন।
আম্মুর হারিয়ে যাওয়া
শুনিয়াছি বিলগেটস্ সাহেব একদা বলিয়াছিলেন-‘ আমি কঠিন কর্মটি সম্পাদন করিতে সবচাইতে অলস ব্যক্তিটিকে নিয়োগ দিই। কারন তিনি কাজটি সহজ উপায়ে সম্পন্ন করিবার চেষ্টা করেন। ’
কায়রোর কথা আগেই দুটো পর্বে অল্পস্বল্প বলেছি। এর জীবনযাত্রায় বৈপরীত্য আর বৈচিত্র্য, প্রাচূর্য আর দারিদ্র্য, আধুনিকতা আর প্রাচীণত্ব, শৃঙ্খলা আর বিশৃঙ্খলা, ক্যাওস আর ক্যাকোফনির শত বিভ্রান্তির মাঝেও তার নিজস্ব একটা বিটের, ছন্দের, অদ্ভূত সহাবস্থানের কথা....
সবার মত আমিও যখন ছোট ছিলাম, তখন বিদেশে পড়ালেখার স্বপ্ন দেখতাম। তারপর যখন এক সাইজ বড় হলাম, তখন বিদেশে পড়ালেখার পাশাপাশি আরো বেশি বেশি বিদেশ ঘুরার স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। এইভাবে বহু ভাল স্বপ্ন আর দোষীস্বপ্ন দেখতে দেখতে একদিন উড়াল দিলাম হাড্ডিকাঁপানো ঠান্ডার দেশ কা...দা...*আকিং...নাডা’র দিকে। তারপর থেকে দিনে কয়েকবার করে আল্লাহ্র কাছে মাফ চাই, কেন তুমি আমারে এইখানে আনলা। আর আনলাই যখন একটা বিদেশ