Archive - ব্লগ

January 30th

অঙ্গুলিশিল্পের এক মহানায়ক ফখরুল ইসলাম ওরফে ফেকু ওস্তাদ

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি
লিখেছেন রাতঃস্মরণীয় [অতিথি] (তারিখ: রবি, ৩০/০১/২০১১ - ২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের কৈশোরে বিচিত্রায় একটা কভারস্টোরী করেছিলো অঙ্গুলিশিল্পের মহানায়ক ফখরুল ইসলাম ওরফে ফেকু ওস্তাদের উপর। হ্যাঁ, তিনি অঙ্গুলিশিল্পের একজন কিংবদন্তী; যাকে আমরা বলে থাকি পকেটমারের সর্দার। আমি এই ৪০ বছরের জীবনে আর কখোনো দেখিনি বা শুনিনি যে কোন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পত্রিকায় একজন পকেটমারের উপর কভারস্টোরী করেছে। তার এবং আমার বাড়ি খুলনা শহরের একই পাড়ায়। খুলনায় তার নাম ফকু কিন্তু বাংলাদেশের অন্যত্র, ইনডি


ভাবনাপঞ্জি-১

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: রবি, ৩০/০১/২০১১ - ২:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কক্সবাজার।
যেদিন চলে আসব সেদিন অনেক ভোরে সমুদ্র সৈকতে গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য সূর্যোদয় দেখবো।
দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
সূর্য উঠেছিল শহরের দিক থেকে। ঝাউগাছের ফাঁক দিয়ে প্রথমে সে তার উপস্থিতি জানান দিল। সমুদ্রের পানিতে সূর্যের প্রথম কিরণ পড়ার দৃশ্য এককথায় অপূর্ব। মনে হল এ দৃশ্য দেখার জন্য সারারাত জেগে থাকতেও সমস্যা হবে না।
হঠাৎ দেখি এক লোক অদ্ভূত এক মাছ হাতে দাঁড়িয়ে।


শূকরের মাংস ও একটি অমীমাংসিত সম্পর্ক

শামীম হক এর ছবি
লিখেছেন শামীম হক (তারিখ: রবি, ৩০/০১/২০১১ - ২:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই পাড়ার মানুষ পরচর্চা করতে ভালোবাসে। তারা সময় সুযোগ পেলেই ঘরে এবং বাইরে পাড়ার অন্যান্য মানুষদের বা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী নিয়ে কানাঘুষা করে। এসব কানাঘুষার বিষয়বস্তুর নির্দিষ্ট কোনো ধরণ না থাকলেও কিছু কিছু বিষয়ে কানাঘুষা চলে অনেকটা নিয়মিত। তাদের এ ধরণের নিয়মিত কানাঘুষার বিষয়বস্তুর মধ্যে যারা পড়ে তাদের মধ্যে অন্যতমরা হচ্ছে আসগর সাহেবের মেয়েলী স্বভাবের কলেজ পড়ুয়া ছেলে পলাশ, একই বাড়ির নিচের তলার


অকবিতার অগল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ৩০/০১/২০১১ - ১২:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবিতা লিখতে চাইতাম, কিন্তু কবিতা হতো না। প্রথম কবিতা লিখার চেষ্টা করেছিলাম সেই ছোটবেলায়। রবাহুত স্তব্ধ নিশীথিনীর পথমুখে পতিত কোন শ্রান্ত বিকেলের ক্রান্তিলগ্নে নয়, গগণবিদারী মেঘগর্জন শেষে নেমে আসা হিমচঞ্চল বারি বিন্দুকে মাথায় নিয়ে নয়, এমনকি রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিবসে- শাশ্বত সপ্তাশ্বরথের সারথি হয়ে নয়; আসলে আমার ঠিকঠাক মনেই নেই সেই মহেন্দ্রক্ষণটা কেমন ছিল। শুধু মনে পড়ে, স্মৃতির নাজুক অভিধানটা দাবড়িয়ে কতগুলো শব্দ এনে জড়ো করলাম আঙুলের আগায়, আঙ্গুল পেরিয়ে সেগুলো পৌঁছে গেল কলমের সূক্ষ্মতর নিবে। তারপর কিছু ছন্দ, কিছু ছত্র, কিছু মাত্রা যোগ করতে লাগলাম- ঠিক কবির মত করে নয়, অনেকটা কাব্য ব্যাবসায়ীর মত করে। তবে যে জিনিসটার অভাব আমার কবিতাকে কুরে খাচ্ছিল সেটা হল ‘আবেগ’।


শিশু পর্ণগ্রাফী ও যৌন নিপীড়ণ

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি
লিখেছেন সবুজ পাহাড়ের রাজা (তারিখ: শনি, ২৯/০১/২০১১ - ১১:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নারী ও শিশু নিপীড়ণ কথন

চাইল্ড পর্ণগ্রাফী শুধু অপরাধই নয় একটি চরম মানবতা লংঘণ; যৌন নির্যাতন ।


তুমি আছো বলে

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৯/০১/২০১১ - ৯:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তুমি আছো বলে বড় ভালো লাগে মাটি
বিকেলের রোদে মেঠো পথে হাঁটা হাঁটি

তুমি আছো বলে সবুজের আয়োজন
অনন্ত আকাশ, শঙ্কামুক্ত মন


January 29th

বুলগেরিয়ার গল্প-০১

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৯/০১/২০১১ - ৫:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দরবেশের বীজ

সত্যি বলতে কি এই প্যাঁচটা লেগেছে আমার বয়স চৌদ্দ হতে না হতেই। তার আগেই বাবা মরেছিল ষাঁড়ের গুঁতায়, আর মা জ্বরে ভুগে। ফলে বুড়ো দাদা-দাদীর হাতেই বড় হয়েছি। দাদীর ডান হাতটা কীভাবে যেনো অকেজো হয়ে গিয়েছিল, তাতে ঘরের কোন কাজ ঠিকমতো করতে পারতেন না। সুতরাং দাদা ভাবলেন দাদীকে সাহায্য করার জন্য আমাকে বিয়ে দিয়ে ঘরে বউ আনা দরকার।


মেহেরজান: একটি ভুল ও ভিত্তিহীনতার কাহিনী

নাদির জুনাইদ এর ছবি
লিখেছেন নাদির জুনাইদ (তারিখ: শনি, ২৯/০১/২০১১ - ১২:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রুবাইয়াত হোসেন তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি মেহেরজান নির্মাণ করেছেন। ইতিহাসকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র নির্মিত হলে সেই চলচ্চিত্রে শুদ্ধত্ব আর নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য সতর্ক থাকার প্রয়োজন বেড়ে যায় অনেকগূণ। এ কারণে ইতিহাস-ভিত্তিক এই ছবির বিভিন্ন বর্ণনায় সত্যতা ও যথার্থতা যেন টিকে থাকে সেই ব্যাপারে পরিচালকের খুব বেশি মনোযোগী থাকার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ১৯৭১-এ ব


সাকিন সুন্দরবন ৮। মালজোড়া

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: শুক্র, ২৮/০১/২০১১ - ১১:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শরীরটা সামনে ঝুঁকিয়ে হাতলের শেষ মাথায় শক্ত করে বাম হাত আর একটু উপরের দিকে আলতো করে ডান হাত রেখে কুড়ালটা বাগিয়ে ধরে আব্দুল ওহাব। তার হাত আর শরীরের এই পজিশন সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কোপ মারার পজিশন। কোপ মারার আগে হাত আর মেরুদণ্ড একসাথে পেছনে গিয়ে একসাথে নেমে আসবে সামনে। অর্ধেক সেকেন্ড সময় লাগবে কুড়াল মাথার উপর তুলতে আর বাকি অর্ধেক সেকেন্ডে হ্যাপ করে নেমে আসবে সামনে। সোজা কুড়ালের ফালিটা গিয়ে ভ্যাৎ করে গে


পড়ল পিঠে কোন ললনার ছোঁয়া রে

খন্দকার আলমগীর হোসেন এর ছবি
লিখেছেন খন্দকার আলমগীর হোসেন [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৮/০১/২০১১ - ৯:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পিরিত করার সাধ হল তার আহারে,
পরল জামা হরেক রকম বাহারে,
ঘুরতে গেল অনেক মেয়ে যাহা রে।