হৃদিটার নতুন টিচার
ছোটবেলা থেকেই আমি ছিলাম বিরাট বেকুব কিসিমের আর আমার বেকুবি দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে এখনো। আমার চারপাশের বন্ধুরা সব তখন চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলে, কথা মাটিতে পড়তে দেয়না। বড় হয়ে কি হবা এই জাতীয় প্রশ্ন দারুণ কনফিডেন্ট নিয়ে ঠাশ ঠাশ বলে দেয়, আমাকে জিগ্যেস করলে আমি একটা হাসি দেয়ার চেষ্টা করি কিন্তু মুখের একটা অবস্থা হত যেটা আমার ধারণা অনেকক্ষণ কেউ বাথরুম আটকে রাখলে যেরকম হয় অনেকটা সেরকম হত। কাজেই যে যা বলত মনে
একটা স্বপ্ন দেখে মনটা সকাল থেকে খারাপ হয়ে আছে। বুয়েটের প্রথম দিন ক্লাসে যাচ্ছি এই দৃশ্যটা দেখলাম। সেই ঝলমলে রোদ্দুরের দিন, যে কোনো মেয়ের সাথে প্রেমে পড়ে যাবার একটা বিপুল সম্ভাবনা, ক্যাফের আড্ডা - এসব কিছু আমাকে এলোমেলো করে দিলো। ঘুম থেকে উঠে শেলের মতো বুকে বিঁধে গ্যালো যে আমি চাইলেও আর সেসব দিনগুলো ফিরে পাবো না।
আমরা যাইনি মরে আজও - তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়:
অনেক অনেক দিন আগে ফেলে আসা কৈশোরের সবচে' মধুর স্মৃতি হলো- আকাশ কালো। প্রচন্ড শব্দে বাজ পড়ছে। বিশ্বচরাচর ঝাপসা শাদা হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে, আর আমি আয়রন মেইডেন এর গান শুনছি। এই স্মৃতির সাথে যোগ করা যেতে পারে আমার তৎকালীন ফেভারিট হলদে কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘর অন্ধকার করে শুয়ে থাকা, আর খিচুড়ি প্লাস আচার প্লাস ডিমভাজা খাওয়া। উইথ আ লার্জ ড্যাব অফ টমাটো সস
গগনে জমিছে মেঘ, হবে বরষা?
ল্যাবে একা বসে আছি, ছাতা ভরসা...

পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ আইভোরি কোস্ট। দেশটির পূর্বে ঘানা, উত্তরে মালি ও বুরকিনা ফাসো, পশ্চিমে গিনি ও লাইবেরিয়া এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর। প্রায় দুই কোটির সামান্য বেশী মানুষের এই দেশে ৬০ টিরও বেশী বিভিন্ন গোত্রের মানুষের বসবাস। কালো বর্ণের এসব মানুষের স্থান ও গোত্র ভেদে তাদের সংস্কৃতি ও ভাষা গত পার্থক্য থাকলেও একজন আগন্তুকের জন্য এটা বোঝা মুশকিল। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। প্রায় সবাই
ঠিক কিসের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে একজন অতি সাধারণ মানুষ নিজের ক্ষুদ্র জীবনের গন্ডি পেরিয়ে নিজেকে অসামান্য উচ্চতায় তুলে ধরে? ঠিক কিসের নেশায় নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা সম্ভব? কিংবা ঠিক কিসের তাগিদে একজন মানুষ প্রতিবাদের ইস্পাত কঠিন বর্ম তুলে ধরে আগলে ধরে নির্যাতিতকে?
এই একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীতে শণৈ শণৈ সভ্যতার বিকাশ ঘটছে। অন্তত এ ধরণের প্রচারে আমরা পিছিয়ে নেই। অথচ এখনও এই পৃথিবীর বিভিন্ন সমাজে লিঙ্গ বৈষম্যের কারনে প্রচুর মেয়ে শিশু ও ভ্রূণ হত্যা হয়েই চলেছে। একে বলা হচ্ছে,
(১) ফিমেল ইনফ্যান্টিসাইড: উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে খুব কম বয়সী মেয়ে শিশু হত্যা করা।
এআই গবেষক প্রফেসর রিচার্ড সাটন এআই-সংক্রান্ত তার মৌলিক কিছু ভাবনা নিয়ে ২০০১ সালে কয়েকটি ব্লগ লিখেছিলেন। ভাবনাগুলো আমার কাছে সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ভাবনার সাথে মিল ও ওনার সাথে ভাবনাগুলোর আদান-প্রদানের ব্যক্তিগত ইতিহাসের কারণে। এখানে ওনার Subjective Knowledge ব্লগটির ভাবানুবাদ করলাম।
আমস্টারডাম থেকে রটারডামে ফিরছি। রেলগাড়ির বাইরে মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি। মাঠ আর জনপদ পেছনে চলে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। একই দ্রুততায় আমার মন চলে গেছে ছেলেবেলার এক অলস দুপুরে। দুপুরে খাওয়া হয়নি। তাই বোধ হয় মনটা ঘোরাফেরা করছে আমাদের সেই পুরাতন বাড়ির হেঁসেলে। আপনার মনে আছে সেই দিনগুলোর কথা?