মহাভারতের মহাভজঘট ০৭: কর্ণ

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: শনি, ০৭/০৩/২০১৫ - ১১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আইচ্ছা কর্ণ কি আদৌ কুন্তীর পোলা?

সন্দেহ হয় আমার। কওয়া হইছে যে কুন্তী তারে ভাসাইয়া দিবার পর সন্তানহীন সূত অধিরথ তারে কুড়াইয়া আইনা পোষে। কিন্তু অধিরথের তো আরো পোলাপান আছে। কুরুযুদ্ধেই তারা যুদ্ধ করে। বলা হয় তারে স্তন্যদান করে সন্তানহীন রাধা। কিন্তু সন্তানহীন বন্ধ্যা নারী কেমনে স্তন্য পান করায়?


প্রিয় তালগাছ, কিছু অনুভব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৩/২০১৫ - ১১:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সব তালগাছ তালঢ্যাঙ্গা হয় না জানি, কিছু কিছু তালগাছ আক্ষরিক অর্থেই তালঢ্যাঙ্গা হয়। হয়তো এই কিছু কিছু গাছের সুবাদেই ঢ্যাঙ্গা শব্দটার সামনে নিজের নাম বসিয়ে নেবার একচেটিয়া অধিকার পেয়ে গেছে সমস্ত তালপ্রজাতি, কে জানে!


মিতুল - পর্ব্ব ১

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৩/২০১৫ - ৬:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেদিন কি হল বলি তবে। প্রথমে ত সকাল হল। আর তারপর, মিতুল - ও হো, বলাই ত হয়নি মিতুল কে। ঠিক ধরেছ। মিতুল একটা ছোট্ট মেয়ে। তুমি ত অনেক বড় হয়ে গেছ। কত কি জানো, কত কথা বল। মিতুল তোমার মত বড় নয়, কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কথা বলে যে সবাই বলে,
- বাব্বাঃ, মিতুল দেখি অনেক বড় হয়ে গেছে!
মিতুল এখনো অনেক কিছুই জানে না। কিন্তু জানতে চায় অনেক।


এক একদিন প্রতিদিন-১০

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৩/২০১৫ - ৪:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই সব দুপুরগুলো মোটেও তার ছিলো না, সেগুলো ছিল মায়ের দুপুর। সেই দুপুরের সবার খাবার শেষ হলে, থালা-বাটি গুছিয়ে রেখে মা দ্রুত এসে শোবার ঘরের বিছানার কোনে ছোট্ট টেবিলে রাখা এন্টেনা ভাঙা রেডিওটার দখল নিতেন। রেডিওকে তখন রেডিও বলতো না কেউ, বলা হতো ট্র্যাঞ্জিষ্টর। মা সাত সকালে স্নান সেরে লক্ষ্মী পূজো আর রান্নার শুরুর তাড়ায়, ভিজে অবস্থায় খোঁপায় বেঁধে রাখা প্রায় হাঁটু সমান লম্বা চুল ছেড়ে দিয়ে বিছানায় আধশোয়া হয়ে বসতেন। তারপর ট্র্যাঞ্জিষ্টরের নব ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মা আকাশবাণী কলকাতা খুঁজে বের করতেন, উদ্দেশ্য রবিবার দুপুরের নাটক। তাকে মায়ের পাশে শুয়ে থাকতে হতো। শাওলি মিত্র, শম্ভু মিত্র এদের অতো অতো গুরুগম্ভীর সংলাপের কিচ্ছু কি সে বুঝতো! তার গোটা দুপুরটাই পণ্ড হতো সেদিন। তবে নাটক শোনায় মগ্ন মায়ের নাটকের সাথে একাত্ম হয়ে যাওয়াটা দেখতে তার খুব ভালো লাগত। মায়ের মুখে রাগ, অনুরাগ, আনন্দ, বেদনা কতো কতো অনুভব আঁকিবুঁকি কেটে যেতো। মাকে তখন কোন প্রশ্ন করলে মা খুব রেগে যেতেন। কথা না বলে দুর্বোধ্য নাটকের না বোঝা সংলাপ শুনে একটি ঘণ্টা সহজে কাটতে চাইতো না। তার সেদিন মন খারাপ, তার সেদিন বন্দী দশা।


মুসলমান-মুসলমান ভাই ভাই

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৩/২০১৫ - ৪:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোটবেলা থেকে আমরা সবাই শুনে আসছি মুসলমান-মুসলমান, ভাই-ভাই...! আসলে কি তাই? দুটো ভিন দেশের মুসলমান কি কোন কালে ভাই-ভাই ছিলো কিংবা আজ ও কি আছে?


আমি শুধু কাঁদতে পারি

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৩/২০১৫ - ৪:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি কান্না ছাড়া কিচ্ছু মন মতো করতে পারি না। আমি উথাল-পাথাল কাঁদতে পারি। দাঁড়ি, কমা, ইলেকবিহীন কান্না। কারো কষ্ট দেখলে কান্না পায়। কেউ কষ্ট দিলে কান্না পায়। কাউকে কষ্ট দিলেও কাঁদি। যদিও আমি ভুল করেও কাউকে কষ্ট দিতে চাই না। তবু আমার ঠোঁট বিচ্ছিন্ন শব্দরাশি যদি কারো ভ্রু-কুঞ্চনের কারণ হয় তবেই আমি শোক সভা ডেকে কাঁদতে বসি। আমি সত্যি আর কিচ্ছু করতে পারি না। আমি শুধু কাঁদতে পারি।


বিজয়, ইউনিজয় ও জব্বার - আমার কিছু ভাবনা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৩/২০১৫ - ৭:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিজয় কি বোর্ড নিয়ে সম্প্রতি ইন্টারনেট এ ঝড় উঠেছে। বিজয় কিবোর্ড এর মালিক মোস্তাফ জব্বার এর পক্ষ থেকে খুব সম্ভবত Google এর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে Copyright Infringement এর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গুগল জনপ্রিয় Ridmik কিবোর্ড কে গুগল প্লেষ্টোর থেকে সরিয়ে ফেলেছে। এই লেখাটি অনেক দিন ধরে লিখবার ইচ্ছে ছিল, আজ লিখেই ফেললাম।


অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৩/২০১৫ - ২:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেটা ছিল এক আশ্চর্য তুষাররাত্রি। অজস্র অসংখ্য অগণ্য তুষারকণা ঝাঁপিয়ে নামছিল মেঘেভরা আকাশ থেকে, সাদা ধবধবে ঝুরো তুষারে ঢেকে যাচ্ছিল মাটি, পাথর, পথ, ঘাট, মাঠ, বাগান-সব কিছু। ঐ ঝরে পড়তে থাকা, বাতাসে উড়তে থাকা তুষারকণাদের দিকে চেয়ে থাকলে মনে হয় বাস্তব দুনিয়া নয়, চলে গেছি কোনো স্বপ্নের দেশে, অণু পরমাণুর জগতে, যেখানে কোটি কোটি অর্বুদ অর্বুদ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা অক্লান্ত নৃত্য করে চলছে অনন্তকাল।


এক্ষণে বাঙালী মুসলমানদের মানসিক অবস্থানের দুটো উদাহরন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৪/০৩/২০১৫ - ৮:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অভিজিত হত্যার ঘটনার পর আমি শিক্ষিত মুসলমানদের মধ্যে দুটো পক্ষ দেখতে পেলাম। দুটো পক্ষের সাথে আমার যা কথোপকথন তার মধ্যে আমি দুটো আলাপের বিবরন দেবো এখানে।

প্রথম পক্ষ কঠোর মুমিন। প্রশ্ন রাখলো, "আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কুৎসিত প্রচার কি মুক্ত মনের পরিচয়? সেরকম কেউ করলে তাদেরকে আঘাত করাটা কি খুব বেশী অন্যায়?"