নূপুর

দেবদ্যুতি এর ছবি
লিখেছেন দেবদ্যুতি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/১১/২০১৬ - ৪:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


"লেবাননে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে যুদ্ধরত ৪ শত বাংলাদেশী বন্দী"

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১৬ - ১০:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যেদিন আমি জন্মেছিলাম সেদিনের পত্রিকায় কি ছিল সেটি দেখার কৌতুহল ছিল অনেকদিন। তাই ইত্তেফাকের সেদিনের পত্রিকার চোখ খুলে ছানাবড়া হয়ে গেল। আমাদের ইতিহাসের এই অধ্যায় আমি জানতামই না! চারশ' বাংলাদেশী ফিলিস্তিনিদের পক্ষে যুদ্ধ করেছিল? তারা এখন কোথায়? আমি ১৯৮২ সালের ১২ই জুলাই পত্রিকার ক্লিপিংসগুলো এখানে দিয়ে দিলাম।


ফ্রিন্ডল-Frindle

সচল জাহিদ এর ছবি
লিখেছেন সচল জাহিদ (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১৬ - ১:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্ঝর মোটামুটি বইয়ের পোকা, আমরাও সানন্দে ওকে ওর পছন্দের বই কিনে দেই। ইদানিং অফিস সেরে বাসায় আসার পরে বাসায় খুব বেশি কিছু করার থাকেনা, ভাবলাম ওর বইগুলো পড়া শুরু করি। ওকেই জিজ্ঞেস করলাম,

-“কোন বইটা দিয়ে আমার পড়া শুরু করা উচিৎ?”

-“ফ্রিন্ডল পড়, নভেলটা দারুন, তোমার পছন্দ হবে”, নির্ঝরের ঝটপট উত্তর।

আমি পড়া শুরু করলাম। প্রথম চ্যাপটারটা পড়ে সেরকম কিছু মনে হলোনা, কিছুটা হলেও আগ্রহ কমে গেল। সেদিন নির্ঝর আমার পাশে শুয়ে বই পড়ছিল, আর আমি অনলাইনে দাবা খেলছিলাম। সে আমাকে জিজ্ঞেস করল,

-“তুমি কি ফ্রিন্ডল এর তিন নাম্বার চ্যাপ্টারটা পড়েছ? ঐটা আমার সবচেয়ে পছন্দের”


ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৪)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/১১/২০১৬ - ৫:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুপুরের জলখাবার বাড়িতে সারার কারো সময় নেই এখন। অনির বাবা সকালে সাথে করে খাবার নিয়ে যায়। অনির বাবার অফিস কাছেই, এস.এস.রোড। মিনিট দশেকের রাস্তা। চাইলে বাড়িতে এসেই খেয়ে যাওয়া যায়। আগে শংকরসহ অনেক অফিসার খাবারের সময় দুপুরে বাড়িতে এসে চটজলদি খেয়ে অফিস ছুটতেন। কিন্তু নতুন ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের কানে কেউ খবরটা দিতেই বিপত্তি ঘটেছে। লাঞ্চ আওয়ার পেরোতে না পেরোতেই তিনি চেয়ারের মাথা গুনতে আসেন। মোহনা অবশ্য সকালে


অঘ্রানের কাব্যপাঠ

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/১১/২০১৬ - ৮:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারিদিকে ঝরাপাতা। হেমন্তের শুরু। অঘ্রানের শীত অনায়াসে দাঁত বসায় মধ্যবয়সী হাড়ে। অজানা আশঙ্কার দাপট নিঃসঙ্গ মুহূর্ত জুড়ে। শীতের হৃদয়হীন হাওয়া এসে থেকে থেকে জানালা কাঁপায়। দরজা ভেঙে-চুড়ে কেড়ে নিয়ে যেতে যায় অচেনা বরফ-শীতল দেশে। ইদানীং দিন ছোট হয়ে এসেছে অনেক। কাজ সেরে ফেরার আগেই সন্ধ্যা নামে। ল্যাবরেটরি থেকে বাড়ি ফেরার অল্প খানিকটা পথ। হিমেল সন্ধ্যার অন্ধকারে সেই পথটুকু হাঁটতে হাঁটতে এক ধরণের অজানা আশঙ


দার্জিলিং এর গপ্পো # ৯ম পর্ব # হিমালয় স্পর্শের স্বপ্ন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৩/১১/২০১৬ - ১০:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

I have been able to give my family a much nicer home and a much better start in life than I had foreseen before the great climb. This is what gives the greatest satisfaction; my family is my first concern and my greatest pleasure.

Nenzing Norgay - First ascender of mount everest


আমি একটা টিয়া পাখি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২০/১১/২০১৬ - ৬:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটা টিয়া পাখি
আকাশলীনা নিধি

টেবিলে বসে আমরা সবাই খাচ্ছি। এমন সময় আপু বলল 'কার কী হতে ইচ্ছে করে'। ভাইয়া বলল ডাক্তার। মা বলল টিচার। বাবা বলল লেখক, আপু বলল নায়িকা। আমি বললাম পাখি। সবাই আমার দিকে তাকাল। ভাইয়া বলল তুই পাখি হবি। আমি বললাম হ্যাঁ। আর কেউ কিছু বলল না।

দ্বিতীয় দিন


নভেরা’র শিল্প সত্ত্বা দর্শন

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ২০/১১/২০১৬ - ২:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


প্রাক দর্শন-----------------------


শৈশব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/১১/২০১৬ - ২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“বাবা ওটা কী ছিল?”
"কোনটা অমিয়?”
“ওই যে যেটা আমি দেখলাম”
“কী দেখেছ অমিয় সোনা”
“ওই যে যেটা চলে গেলো!”

অমিয়র তখন আড়াই বছর। সারাদিন তুরতুর করে কথা বলে। এটা সেটা, কত কথা, কত জিজ্ঞাসা! আর বলেও খুব পরিষ্কার, আধো আধো বুলি ওর মুখে শুনিনি কোন দিন। কথা শেখার সময় ছেলেটা আমার কাছে ছিলোনা। ওর যখন চোদ্দ মাস, আমার স্ত্রী একদিন বলল,