শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ১১/০১/২০১৬ - ৬:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রদোষে প্রাকৃতজন: ব্রাত্যজনের উপাখ্যান

দেবদ্যুতি এর ছবি
লিখেছেন দেবদ্যুতি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১০/০১/২০১৬ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পড়ব পড়ব করে কয়েক বছর পার করে দিয়ে অবশেষে এই বই পড়ার সুযোগ হলো এই মাসকয়েক আগে। তাও আবার বন্ধু পড়ছিল, আমি আফসোসমুখে জানিয়েছিলাম যে বইটা আমারও পড়তেই হবে বটে, তাই শুনে এক্কেবারে জন্মদিনের সন্ধ্যায় বই হাতে করে হাজির। একে জন্মদিন, তায় আবার একেবারে অপ্রত্যাশিত উপহার, ধন্যবাদেরও ভাষা যোগায়নি মুখে। আচ্ছা, ধান ভানতে নেমে এমন শিবের গীত না গাওয়াই সমীচীন, সুতরাং পেছনের এইসব হাবিজাবি গল্প তোলা থাক এখনকার মতো, ব


আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৯/০১/২০১৬ - ৫:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Peter S. Cahn যখন University of California at Berkeley (বিশ্বের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়, কারো কারো মতে সর্বোচ্চ) থেকে anthropology তে Peter S. Cahn যখন University of California at Berkeley (বিশ্বের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়, কারো কারো মতে সর্বোচ্চ) থেকে anthropology তে Ph.D.


এলিস ওয়াকার এবং 'দ্যা কালার পারপল"

নাবিলা এর ছবি
লিখেছেন নাবিলা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০১/২০১৬ - ৪:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটি অনলাইন লাইব্রেরীর সদস্য। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে একদিন চোখে পড়লো একজন ফেরত দিয়ে গেছেন এলিস ওয়াকারের লেখা 'দ্য কালার পারপল'। বিবরণ দেখতেই বেরিয়ে এলো এটি ১৯৮৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত। ২০১৫ তে একটি রিডিং উইশলিস্ট ফলো করছিলাম, তাতে পুলিৎজার পুরষ্কার প্রাপ্ত একটি বই পড়বার কথা আছে। এটিই কি পড়বো? ঠিক করার আগে গুডরিডসে ঢুঁ মেরে আসা যাক, দেখি পড়ুয়া বন্ধুরা কে কী বলছেন। গুডরিডসে ঢুকে দেখি বন্ধুদের কোনও বক্তব্য নেই তবে সাড়ে তিনলাখেরও বেশি গুডরিডস সদস্য বইখানা পড়ে ফেলেছেন। ঠিক করে ফেললাম এটিই পড়বো, ঝটপট লাইব্রেরী থেকে নামিয়ে নিলাম, অন্য কেউ নিয়ে নেবার আগেই।


নিজদেশে পরবাসি: হে আমার চেহারা!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৯/০১/২০১৬ - ৩:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিজদেশে বিদেশী হিসেবে পরিচিত হওয়ার মধ্যে সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই আছে ৷ আমার মনে হয় আমার মতো চেহারার লোকজন যারা সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যক্রমে বিদেশ ভ্রমনের কখনো সখনো সুযোগ পান তাদের সবার কমবেশি এধরণের অভিজ্ঞতা আছে ৷ বিশেষ করে বিমানবন্দর নামক স্থানে ৷ সুবিধার কথায় প্রথমে বলি ৷ যখন দেশে ফিরি, সবুজ পাসপোর্টটা ইমিগ্রেশনে দেখিয়ে পার হই ৷ তারপর যেহেতু পাসপোর্টের আর কোন কাজ নাই আমি আমার হ্যান্ডব্যাগে তা চালান


পত্র

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: শুক্র, ০৮/০১/২০১৬ - ২:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রিয় স্বাক্ষর,

নামের বানানটা ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা করে দিও। আসলে তোমার সাথে আমার আগেই কথা বলা উচিত ছিল। কিন্তু বলবো বলবো করে কখন যে সময় শেষ হয়ে গেল বুঝে উঠতে পারিনি। আজ তাই মাঝরাতে তোমায় লিখতে বসা। আমার কেনো জানি অনেক কষ্ট হচ্ছে আজ, এক ধরনের অপরাধবোধ, মমতা আর অসহায়ত্ব। কিছু না করতে পারাটা কেন যেন মেনে নিতে পারছি না।


পে-স্কেল বিতর্কে শিক্ষকের বস্ত্রহরণ, শিক্ষকতার আম-ছালা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের স্বগতোক্তি

মাহবুবুল হক এর ছবি
লিখেছেন মাহবুবুল হক (তারিখ: শুক্র, ০৮/০১/২০১৬ - ১২:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পে-স্কেল ২০১৫ কে কেন্দ্র করে দেশের সব স্তরের শিক্ষকদের আন্দোলন অনেকদিন ধরেই চলছে। তন্মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন ভিন্নমাত্রা পেয়েছে সরকারের সচিবদের সাথে সরাসরি বাদানুবাদের জড়িয়ে যাওয়ায়। এই বাদানুবাদ বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চাকুরির সম্মান, সুবিধা, অসুবিধা ইত্যাদি নানা অস্বস্তিকর তুলনার মধ্যে জড়িয়ে গেছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও সমাধানের বদলে এই বিতর্কে নিজকে জড়িয়ে ফেলেছেন। বিতর্কে


ছোট মেয়ের গল্পের বই

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি
লিখেছেন প্রকৃতিপ্রেমিক (তারিখ: শুক্র, ০৮/০১/২০১৬ - ৯:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোট বেলায় লেখার অভ্যাস থাকলেও বড় বেলায় এসে অভ্যাসটা চলে গিয়েছিল। তারপর অনেকদিন ব্লগে লিখেছি। মাঝখানে বেশ কিছুদিন বিরতির পর আবারো লেখার ইচ্ছা জেগে উঠেছে। লেখা মানে সময়কে ওয়েবের পাতায় ধরে রাখা। আগে ডাইরির পাতায় মানুষ স্মৃতিকথা লিখে রাখতো। ডাইরি হয়তো এখনো কেউ কেউ লেখে। তবে ওয়েবেই স্বাচ্ছন্দ বেশী পাই।


স্কুলে প্রথম দিন

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০১/২০১৬ - ৩:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল শুরু হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য আর দেশে যাওয়া যাবে না। কারণ এ দেশে স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক মানে যেতেই হবে, অন্ততঃ আঠারো বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত। স্কুলে না গেলে অভিভাবকের শাস্তি অবধারিত। কিন্তু দেশে গিয়ে স্কুলে ভর্তির শারীরিক এবং মানসিক পরীক্ষার ধার্যদিন পার করে এসেছে আঁচল। জার্মানে ফিরে পরীক্ষার জন্য নতুন দিন-ক্ষণ নিলাম। আঁচল পাশ করলো।