রেনু আর রতনের ব্রেকাপ শেষ পর্যন্ত হয়েই গেল। হবে না তো কি?! কট্টর মুসলিম খান্দানের মেয়ে আর রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের ছেলের মধ্যে যে এ প্রেম পাক্কা পাঁচ বছর ধরে মরে মরে হাঁচড়ে-পাচড়ে বেঁচে ছিল, এ-ই অনেক!
[justify]সে বহুৎ পুরানা কাহিনী। বাংলা বোলগ জগতের অলিতে গলিতে তখন ছাগু আর ছাগাতুন্নেছা গিজগিজ করতেছে। কথায় কথায় গোলাম আজম-নিজামীগো মহান্নেতা কইয়া ন্যান্টা হইয়া নাচে। সেই কয়েকঝাঁক ছাগীর কাঁচুলি ছিঁড়া ঝুমুর ঝুমুর নাচের ঠ্যালায় যুক্তিটুক্তি কয়েকমাসের মধ্যে মাতায় উইঠা গেলগা। যুদ্ধবিজ্ঞানের খুব জরুরি শিক্ষা মনে পড়লো। শত্রু যে অস্ত্র চালাইতে পারে না সেই অস্ত্রে তারে ঘায়েল করো। খুব বেশী কিছু করা লাগলো না
স্রষ্টা বড়ই নিষ্ঠুর, মনে মনে ভাবি আমি। নয়ত আমার গতকাল কেনা ছোট্ট লাল গাড়িটা, চাপ দিলেই যেটা দৌড় দেয়, ইদুরের চেয়েও জোরে দৌড়াতে পারে সেটা, এত তাড়াতাড়ি হারায় কিভাবে? আর গেল কোথায় ওটা? খাট, ড্রেসিং টেবিল, শো-কেস কোন কিছুর নিচেই তো খোজা বাদ দেই নি!স্রষ্টা নামক না দেখা অস্তিত্বের প্রতি প্রবল একটা অভিমান জমা হয় আমার।
সবার নিজের ভেতরেই রয়েছে একটি নিজস্ব মানুষ। সে মানুষটি কখনো হয়ে যায় খুব কঠোর, কখনো কোমল। কখনো খুব যৌক্তিক, কখনো যুক্তিহীন শিশুর মত। যেন একের ভেতরে বহু। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব, আচরণ, ভাবনা ইত্যাদিতে প্রভাব ফেলে তার বাবা-মায়ের ব্যক্তিত্ব, আচরণ, ভাবনা, পরিবেশ, চারপাশের মানুষ। ব্যক্তি তার নিজের মধ্যে এর প্রত্যেকটিকে ধারণ করে। একটু সময় নিয়ে ভাবলেই নিজের মধ্যে খুঁজে পাবেন আপনার বাবা-মায়ের গুণগুলো বা দো
[justify]গতকালের আগের দিন আমার ভার্সিটি গিয়েছিলাম, বেশ কদিন পরে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আর যাওয়াই হয়নি। এখন আন্ডারগ্র্যাডদের ছুটি চলে, সবারই পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে। তাই ক্যাম্পাসটা বেশ ফাঁকা। দুচারজন ছাত্র হেঁটে লাইব্রেরির দিকে যাচ্ছে, অল্প কজন ক্লাস থেকে বের হয়েছে, সব মিলে বেশ শান্ত-চুপচাপ এক ক্যাম্পাস। এর মধ্যেই ভার্সিটিতে ঢুকতে না ঢুকতেই বাচ্চাদের চিৎকার- চেঁচামেচি কানে ভেসে আসে। ঢোকার মুখেই
জাপানের রূপকথার ওনিবাবা কে বাংলা করলে দাঁড়াবে ডাইনী বুড়ি।
মুর্শিদ কুলির মৃত্যুর পর কটক থেকে দুই অনুচর নিয়ে বাংলায় হাজির হন জামাতা সুজা খান। ওই দুই অনুচর ছিল দুই ভাই, একজনের নাম হাজি আহমেদ আরেকজনের নাম আলিবর্দি খাঁ। কেউ বলে এরা দিল্লীর বিরাট বংশের লোক, তবে দুষ্টলোকের রটনা হল হাজি আহমেদ ছিল একটি ভৃত্য আর আলিবর্দি ছিল হুক্কাবরদার। বড় ভাই হাজি আহমেদ অতি চতুর ও বুদ্ধিমান, তিনি মন্ত্রিপদ বাগিয়ে নিলেন। শোনা যায় নবাবের হেরেমে পাইকারি মেয়ে সাপ্লাই করার জন্য তিনি দাগী আসামীদের নিয়ে দল গড়েন। তিনি নাকি একটি কচি সুন্দরী ভেট হিসেবে বগলে না নিয়ে কখনোই নবাবের দরবারে যেতেন না। ছোট ভাই আলিবর্দি ছিলেন কড়া ধাঁচের, পাক্কা সৈনিক মনোভাব। তাকে নবাবের অধীনে একটি ঘোড়সওয়ার কোম্পানীর প্রধান বানানো হয়।
[justify]সাহিত্য লিখতে মঞ্চায়। সচল হইতে মঞ্চায়। কিন্তু ক্যাম্নে কি? একছুডো ভাইরে (বেয়াদ্দব কিন্তু আমার অতিপ্রিয়, লেখালেখির গুনবিশিষ্ট) প্রশ্ন করলাম-বলত কিভাবে লেখা শুরু করা যায়? ছোকরা কয় লিখুন, লিখে ফেলুন, যা মনে আসে লিখে ফেলুন। আমি প্রশ্ন করলাম তা কি নিয়ে লেখা যায় বলতো?
‘তোমারে কইছিলাম চেয়ারম্যান সাবের নামটা ইয়া বড় বড় কইরা লেখতে, যাতে দুইমাইল দূর থেইকা মানুষ নামডা পড়তে পারে। এইগুলান কী লেখছো? পড়তে তো অণুবীক্ষণ যন্ত্র আনতে হইবো!’
চিৎকার করে কথা বলায় রমিজ উদ্দিনের মুখ থেকে দলা দলা থুতু ছিটকে পড়ছে সামনের লোকটির গায়ে। লোকটি নির্বিকার দাঁড়িয়ে আছে বেকুবের মত।