Archive

November 3rd, 2011

ফিরবার তাড়া নেই

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১১/২০১১ - ১০:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি নামের পাশে আর একটি নাম লিখবার
কোনো তাড়া নেই
আচ্ছন্ন রাতের পাশে মুখর দিনের অসঙ্গতি
লিখে রাখবার কোনো তাড়া নেই
লেকশোরে সন্ধ্যায় বাদামী গাছের গায়ে ডুবে গেছে
জীবনপিয়াসী যেই চাঁদ
তার জন্যে দীর্ঘশ্বাস না রাখাই ভালো
নাম লিখবার হলে লিখে ফেল দোয়াতে কলমে,
কালো কিংবা লাল, কি আসে, কি যাবে-
নাম লেখ তালপাতা শ্লেটে পেন্সিলে।

মুখোশ লুকাতে কেন চাও
মুখোশ তো স্বস্তিকর আসল মুখের চেয়ে


কানিমার নামের নদী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১১/২০১১ - ৭:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_1350


পশ্চিম আফ্রিকার কবিতা-২

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১১/২০১১ - ৫:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পশ্চিম আফ্রিকার ছোট্ট দেশ গিনি। সে দেশেরই প্রখ্যাত নাট্যকার এবং কবি আহমেদ তিদ্‌জানি সিসে। ফরাসীতে লিখিত এখানে অনূদিত কবিতাটির নামMonsieur Robert, pollen et pleurs কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

রবার্ট সাহেব


বাংলাদেশে নিউক্লিয়ার শক্তি

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১১/২০১১ - ১:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আজ বাংলাদেশের বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান আর রুশ আণবিক শক্তি কর্পোরশন রোসাটমের মহাপরিচালক সের্গেই কিরিয়েঙ্কো চুক্তি স্বাক্ষর করলেন [১]। চুক্তি মোতাবেক, পাবনার রূপপুরে দু'টি নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্র স্থাপনে কারিগরি সহায়তা করবে রোসাটম। শক্তিকেন্দ্র দু'টির ইনস্টল্ড ক্যাপাসিটি হবে প্রতিটি এক গিগাওয়াট। প্রকল্পটির আকার বোঝানোর জন্যে বলছি


একাত্তরের সেনাপতি

সুহান রিজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন সুহান রিজওয়ান (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১১/২০১১ - ১২:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
সীমান্তের সন্ধ্যা

তারা দুইজন বসে আছেন মুখোমুখি, একটা প্রায় শুকনো খালের উপরের কালভার্টে।

চারপাশ ঘন সবুজ। অশ্বথ আর পিপুল গাছের উঁচু বেষ্টনী চারপাশে, পশ্চিমাকাশের সূর্যের আলো সেটা ভেদ করে ঢুঁকতেও পারছে না ঠিকমত। অসহ্য গরম। এই তপ্ত আবহাওয়ায় ঘন ছায়ার মাঝে বসে থাকলে অবসন্ন লাগাটা স্বাভাবিক। আমীর-উল ইসলামের সেটি লাগছেও।


আলোর খেলাঃ ফটুকবাজি-২

শাব্দিক এর ছবি
লিখেছেন শাব্দিক [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০২/১১/২০১১ - ১০:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ফটুকবাজি শুরু হয় ফিল্মি । যুগে। ছবি তোলার পর ফিলম শেষ হলে পরে ডেভেলপ করো, এই করো, সেই করো তারপর দেখতে পাব কি ছবি আসলো। ফিল্মের র ASA কমবেশি হলে পরে তার সাথে অ্যাপারচার, সাটার স্পীড মিলানোর নানা ঝামেলা। তাও কেন জানি ছত্রিশটা স্ন্যাপ নিতে যত মজা লাগত, তত মজা পাইনা ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তুলে। এখন শুধু ক্লিক ক্লিক তুলেই দেখ কেমন ছবি আসলো। একই ছবি দশটা তোল কি বারটা কোন সমস্যা নেই।


সার্ভার বদলের পর চৌদ্দটি জানা সমস্যা...

সন্দেশ এর ছবি
লিখেছেন সন্দেশ (তারিখ: বুধ, ০২/১১/২০১১ - ৯:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১। মন্তব্য লাফাং
একটা মন্তব্য প্রকাশের সময় আরেকটা মন্তব্যের জবাবে ক্লিক করলে প্রকাশিত হতে থাকা মন্তব্যটি পরেরটির জবাব হিসেবে যুক্ত হয় যায়। নতুন সার্ভারে মন্তব্য প্রকাশের গতির কারনে এই সমস্যাটি রিপ্রডিউস করা প্রায় অসম্ভব।


বাতাসের আছে কিছু গন্ধ

নীল রোদ্দুর এর ছবি
লিখেছেন নীল রোদ্দুর [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০২/১১/২০১১ - ৭:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
একটু খামখেয়ালী বেপরোয়া স্বভাবটা কবে থেকে গড়ে উঠেছে মনে করতে পারিনা। আসলে সামাজিকীকরণ বা সোশ্যালাইজেশন নামে যে একটা টার্ম আছে, দুখঃজনকভাবে সেটা আমার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাবে হয়নি, তাই জানিনা, কি পরোয়া করতে হবে, আর কি হবে না, কোনদিন যা শিখিনি, তা করবো কি করে! সেই আমি আমার মনের একটা ইচ্ছা দীর্ঘদিন ধরে চেপে রেখেছিলাম... খুব ইচ্ছে ছিল ঢাকা শহরের রাস্তায় রাস্তায় সারারাত রিক্সায় করে ঘুরে বেড়াবো। সহপাঠী বন্ধুদের কাছে শুনতাম, সারারাত ফুলার রোডে শুয়ে বসে আড্ডা দিয়েছে... কিংবা রাত্রি তিনটে চারটায় মানিকের চা, ডিম পরোটা ইত্যাদি তো রোজকার রুটিন। খুব হিংসে হত তখন... আমাকে কেন তবে রাত্তির দশটায় হলের গন্ডিতে ঢুকতে হবে, আমিও যাবো তোমাদের সাথে পায়ে হেটে নৈশ কালের অ্যাডভেঞ্চারে... এসব কেবল মুখেই বলা, যাওয়া আর হয়না... যেতে পারিনা। সমাজ কিংবা আমাদের আইনশৃংখলা রক্ষাকারীরা... কেউই ঢাকার রাস্তায় মধ্যরাতে হেঁটে বেড়াবার নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা দিতে পারেনা। তাই বাঁধনের বাৎসরিক সাধারণ সভার জন্যে সারাবছরের রিপোর্ট একত্রিত করে সুভ্যেনির আকারে ছাপাতে প্রেসের ঘরে সারারাত বসে বসে কাজ করা সম্ভব হলেও এইসব শখের অ্যাডভেঞ্চার আমার আর করা হয়ে ওঠেনি। কারণ একটাই বাংলাদেশের সীমারেখায় ঘরের বাইরে মেয়েদের নিরাপত্তার অভাব, রাত হলে তো কথায় নেই! এসব ভাবতে ভালোলাগে না। একদম না।


November 2nd

যে আকাশে পাখি নেই, যে পাখির আকাশ নেই

মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব ময়ূখ রিশাদ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০২/১১/২০১১ - ৩:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

#
যে পথে বাড়ি ফেরার কথা সেই পথে বাড়ি ছিল না বলে আমি ঘুরপথে বাড়ি ফিরতে গেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি শূন্যতা, সেখানে কোনো পাখি উড়ছে না। অথচ মা পইপই করে বলে দিয়েছিল আকাশে পাখি না উড়লে বাড়ি ফিরবি না। এই আকাশে পাখি নেই, যে আকাশে পাখি আছে সেই পথে বাড়ি নেই।


একটি গবেষণা মুখর দিন

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বুধ, ০২/১১/২০১১ - ৩:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বভাব বিরুদ্ধ ব্যাপক কসরত করে গ্র্যাড স্কুলে ঢুকেছি, তারপর সবকিছু স্মুথলি চলার কথা। জিআরই, টোফেল, অনিচ্ছুক প্রফেসরদের কাছ থেকে রিকমেন্ডেশন আদায় এবং সবশেষে আটলান্টিক ইত্যাদি নানা সমুদ্র পেরিয়ে জ্ঞানার্জনের টানে সুদূর মার্কিন মুল্লুকে এসেছি, তাতেই মুগ্ধ হয়ে পিএইচডি সহ যা যা আমার করতে ইচ্ছা করে তার অনুমোদন দিয়ে দেয়া উচিত। কিন্তু মার্কিনিরা জা