দুইজন বাবা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৪/১০/২০১৪ - ৪:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৮৪ ইং সালে আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে সুযোগ পেয়ে ভর্তি হই।


তীর্থযাত্রী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৪/১০/২০১৪ - ৩:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাঞ্জাবির পকেটের কাছে এক কোণা ছিঁড়ে যাওয়াতে কুদ্দুস মিয়া খুব দুঃখ পায় মনে। তার দু’টো শার্ট, একটা পাঞ্জাবি। কোনও বিশেষ উপলক্ষ থাকলেই সে পাঞ্জাবিটা পরে। আজকের এটাও একটা উপলক্ষ। তার গন্তব্য শরীফউদ্দীন ইমামের বাড়ি – ৬৪, মদীনাবাগ। অনেক কষ্ট করে সে এই ঠিকানাটা জোগাড় করেছে। শরীফউদ্দীন ইমাম তাদের গ্রামেরই মানুষ, ডগরীবাজার জামে মসজিদে ইমামতি করেছিলেন বহুদিন, কুদ্দুস মিয়া তাকে ছেলেবেলা থেকে দেখে এসেছে। বউ মরে যাওয়াতে আর ছেলের চাকরি হওয়াতে গ্রাম ছেড়ে শরীফউদ্দিন ইমাম ঢাকায় চলে এসেছিলেন।


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ১৯

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৪/১০/২০১৪ - ৩:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমুদ্রের নীলাভ লবণ, বিপুল ফেনীল ঢেউ
আর সূর্যকিরণ, যখন তোমার ওপর ঝাপটে পড়ে
ইসলানেগ্রায়, তখন আমি চেয়ে দেখি কর্মব্যস্ত বোলতাটিকে,
স্বকীয় পৃথিবীর মধুর কাছে ওর আত্মসমর্পণ।

দেখি ওর নিয়ত আসা-যাওয়া; নিয়ন্ত্রিত, সোনালী উড়ান।
যেন কোনো অদৃশ্য, সরল তারে ও পিছলে যায়,
দৃপ্ত নাচে, নিপুণ ভঙ্গিমায়। দেখি ওর পিয়াসী কোমর,
একটি একটি করে ওর সূক্ষ্ম সুঁচ নিঃশেষিত হওয়া।

একটি অনচ্ছ কমলা রংধনুর ভেতর


আনন্দ নগর

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শনি, ০৪/১০/২০১৪ - ১:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বামী পটলানন্দ ভরপেট খেয়ে ধ্যানে বসার পাঁয়তারা করছিলেন। শিষ্য গোবরানন্দ দৌড়ে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে তাকে থামাল।
- এইবার কতদিনের জন্য বসছেন স্বামী?
- দুই তিন মাস। বেশীও হতে পারে।
- ঝামেলাটার একটা সুরাহা করে যেতেন আগে।
স্বামী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন,
- এইবার কি ঘটনা?
- আপনাকে নিয়ে ঘটিনন্দ গ্রুপের সাথে বাটিনন্দ গ্রুপের মারামারি হয়েছে।

গোবরানন্দ বলে যায়। স্বামী উদাস মুখে ঘটনা শুনতে থাকেন।


ও আই টি-র চা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ১১:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাস থেকে নেমেই ক্যাফেটেরিয়ার সামনে চলে এলো রাব্বি। প্রতিদিনের মতোই বসে পড়লো অডিটোরিয়ামের সামনের ঢালুমতো জায়গাটায়। একটা, দু’টো করে অন্য বাসগুলোও চলে আসছে … সকালের ক্লাস শুরু হতে এখনো মিনিট বিশেক বাকি। ব্যাগ কাঁধে ছাত্র-ছাত্রীরা হেঁটে যাচ্ছে – কেউ ক্লাসের দিকে, কেউ ক্যাফের দিকে, আবার ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে চলছে হালকা গল্প-গুজব।


(দৈনিক বাংলা, জানুয়ারী ৪, ১৯৭২) 'বিচ্ছুদের' নেপথ্য কাহিনী - সারারাত গুলি বিনিময় হলো- এ পক্ষেও খানসেনা, ও পক্ষেও খানসেনা: সেমসাইড

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ৩:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আরো ভাল রেজ্যুলশনে দেখতে হলে কি করতে হবে? রাইট ক্লিক করে ইমগুর লিংকে চলে যেতে হবে।

আগের পর্ব: বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুলিশটি হাত উপরে তুলে বলল,-"লেকিন হিঁয়া মে তো কারফিউ

পরের পর্ব: স্টেট ব্যাঙ্ক অপারেশন


নগরে নিসর্গ

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি
লিখেছেন প্রকৃতিপ্রেমিক (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ৯:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

। এক ।

মধ্য দুপুরে জানালায় ভারী পর্দা দিয়ে অন্ধকার ঘরে দিবাস্বপ্ন দেখতে দেখতে যখন দিবানিদ্রায় যাওয়ার সময় হল ঠিক তখনই খুব কাছে থেকে একটা ঘুঘু ডেকে উঠল। একবার, দুইবার। এর পর থেমে থেমে আরো কয়েকবার।


মহামারী

রংতুলি এর ছবি
লিখেছেন রংতুলি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ৪:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মহামারী আমার কাছে অজানা/অপ্রতিরোধ্য কোন জীবাণু সংক্রমণ নয়, এক স্পষ্ট অনুভূতি, অনন্তকাল বা কালচে পরিত্যক্ত এক বইয়ের প্রতিচ্ছবি। যা আমি এক রকম জোর করেই রাখি অন্তর্দৃষ্টির বাইরে। যার মলাটে আনমনে কখনো চোখ পড়ে গেলে গা শিউরে ওঠে, আপনা থেকে দ্রুত চোখ সরে যায়। যত্নের বুকশেলফ ঝাড়পোঁছের সময় কৌশলে স্পর্শ বাঁচিয়ে চলি - যেন উই-খাওয়া, ছেঁড়া পাতাগুলোর ভেতর ওঁৎ পেতে আছে ভয়ানক সে রোগের জীবাণু। আলতো এক ছোঁয়ায় আবার


পূর্ব ইউরোপ- ১৮ (শেষ পর্ব, গন্তব্য- হেলসিংকি)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ১২:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


উৎসব সবার

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৩/১০/২০১৪ - ১২:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমাগতপ্রায়, মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদ-উল-আযহা এবং চলমান সনাতন ধর্মীয় শাক্ত সম্প্রদায়ের মহোৎসব দুর্গাপূজা। এ বিষয়ে এই অর্বাচীনের দু-একটি কথা। যৎসামান্য স্মৃতিচারণও বটে।