আমদুধের ভিলেন!

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০১৫ - ৩:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আম আর দুধে মিশে যায়... দিন দিন...
যেমন মিশে যায় দুই গাঢ় সবুজের ছায়াগুলো।
আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায় গাঢ় লাল সূর্যটা
সেখানের সবুজ আকাশে উঠে আসে- একটি সাদা তারা
আর একটি সাদা ফালি চাঁদ...


লাভার পথে উড়নচণ্ডীরা...

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০১৫ - ১২:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গৌরচন্দ্রিকাটি ঠিক বিয়েবাড়িতে নুনের মতই, নিতেও পারেন আবার নাও নিতে পারেন;


অন্ধকার

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৩/২০১৫ - ২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অন্ধকার তোমাকে ভয় পাইনি কোনদিন
একদা অন্ধকার মানুষই তো ছিলাম
প্রিয় পাখির সংস্কৃতি
জানালায় রাখলে হাত
স্বর্গে চোট লাগতো
আর খসে পড়তো নরকের কারুময় চুড়ি
সুতরাং নরককেও পাইনি ভয়

মারাত্মক নেশা ভরা বাদুড়ের চোখ ছিল আমার
দূরে কোথাও দুলে উঠতো লাল লিচুর বাগান
সুতরাং নিশাচরও ছিলাম ভয়ানক

জংলি-ঝড় উঠতো কাননে কাঞ্চনে
হাঁটতাম বুনোর মতো, বৃষ্টি-বজ্র মাথায়
অরণ্যের হাত ধরে, বনচারির মর্যাদায়


পিউলির বোন

নিলয় নন্দী এর ছবি
লিখেছেন নিলয় নন্দী [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৯/০৩/২০১৫ - ৩:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেবিনের জানালা দিয়ে পিউলি বাইরে তাকায়। বৃষ্টিভেজা কালচে পিচের রাস্তায় দু চারটে রিকশা যায়। হর্ণ বাজিয়ে চলে যায় একটা সাদা গাড়ি। একপাশে ভ্যান রেখে আইসক্রীমওয়ালা মাথার চুল মোছে। হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ায় বেচারা ভিজে গেছে একদম। সে কি এখন গায়েই শুকাবে তার ভেজা গেঞ্জিটা? নাকি আর কোথাও শুকনো জামা আছে?


বিদায় হে শূন্যতা

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
লিখেছেন অতন্দ্র প্রহরী (তারিখ: সোম, ০৯/০৩/২০১৫ - ২:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারপাশের মানুষগুলো কষ্টের ভার বইতে না পেরে যখন নুয়ে পড়ে হতাশায়, একের পর এক মুখগুলো যখন ঢাকা পড়ে বিষাদের আচ্ছাদনে, খুব অসহায় লাগে নিজেকে।

আর তখন-

প্রায়শই মনে হয়, চলমান এই দুঃসময়ে, ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত এই পৃথিবীর একাকীতম বোধ করা প্রতিটি মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তার হাতটা স্পর্শ করে, শক্ত আলিঙ্গনে, ফিসফিসিয়ে বলি, "পাশে আছি..."


রাই জাগো, রাই জাগো

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: রবি, ০৮/০৩/২০১৫ - ১১:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
সপ্তাহে একবার ঢাকায় ফোন দেই। মা-বাবা দুইজন তাদের একমাত্র পৌত্রের সাথে গল্প করার চেষ্টা করেন। সেই গল্প বেশীদূর যায় না। দাদুর চেয়ে ইউটিউবের মনস্টার ট্রাক নিয়ে আমার পুত্রের অধিকতর আগ্রহ। তাই এটা সেটা জিজ্ঞাসা করে উপসংহার টানতে হয়। ফোন রাখার আগে টের পেলাম মা কি যেন বলতে চাচ্ছেন। দূর থেকে অস্পষ্টস্বরে বাবা বলে ওঠেন "এইসব আর বলার দরকার নাই"। "এইসব" প্রসঙ্গটা আমি আন্দাজ করতে পারি। "এই্সব" যে আমিও শুনতে চাই না।


আফ্রিকার মুক্তা আর আমি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৮/০৩/২০১৫ - ৭:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“কি!!! উগান্ডা? মানে ইদি আমিনের দেশে? বুঝি না কেন এইসব দেশেই তোমাকে যেতে হয়! তবে মনে রেখো, এই দেশের লোকজন কিন্তু মানুষখেকো, ঠিক ইদি আমিনের মতই!


দায়গ্রস্ত কন্যা

শাব্দিক এর ছবি
লিখেছেন শাব্দিক [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৮/০৩/২০১৫ - ৭:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনাঃ ১


কর্নেল সেয়ানার বিজ্ঞান মেলা, প্রফেসর শমশেরের গাড়ি, আর হাবুলের বিজ্ঞান স্বপ্ন (শেষ পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৭/০৩/২০১৫ - ৭:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম পর্ব এখানে

৫।

“সূর্যের আলো থেকে ইলেক্ট্রিসিটি দিয়ে পানির হাইড্রলাইসিস থেকে তৈরি হয় হাইড্রোজেন । সেটাকে চিনির ভেতর দিয়ে চালিয়ে হয় মিথেন গ্যাস, আর সেটা জমা হয় একটা বোতলে।“
বুক চিতিয়ে বললো উদ্ভাবক।
“এটা দিয়ে কোনও খরচ ছাড়াই বাসায় রান্না করা যাবে । আর যতো বেশি বোতল, তত বেশি গ্যাস। “


মনভোলানো ফুলের নেশায়

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৭/০৩/২০১৫ - ৭:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

DSC00024
আকাশটা কালো করে মেঘেরা আসে। ঝমঝম বৃষ্টি নামে গাঁয়ে। প্রকৃতিতে সবুজের প্রলেপ বুলিয়ে দেয় বর্ষা। মাঠে, জঙ্গলে, বাগানে। আম-কাঠালের বনে শুধু নয়। শীত আর গ্রীষ্মের অত্যাচারে এতদিন পর্যদুস্তু হয়ে হয়ে ছিল নাম-পরিচয়হীন গুল্মলতারা। এখন তাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সময়। ভাট-আশ্যাড়ার শরীরে আগেই বান ডেকেছে। কিন্তু কিছু গুল্মের বীজেরা মাটির গভীরে শুয়েছিল। অপেক্ষায় ছিল বর্ষার রিমঝিম শব্দের। এখন তারা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসবে আলোকের আহবানে। দুটি লকলকে কচি পাতা মাটি ভেদ করে বেরিয়ে আসবে প্রবল বিক্রমে। তারপর কয়েকদিনের অপেক্ষামাত্র। দুটি-চারটি-ছয়টি করে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়াবে তার পাতার সংখ্যা। বাড়বে ডাল-পালা। সবুজে সবুজে ছয়লাব হয়ে যাবে আম-কাঠালের বন, ফসল ক্ষেতের বেড়া, নদী-খাল-বিলের কিনারগুলো। সবুজের সেই রাহাজানিতে যোগ দেবে আমাদের বনওকড়া। তারপর শীতের শেষ পর্যন্ত তাদের রাজত্ব।