সংযোজনা - ০১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৫/০৩/২০১৮ - ১২:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অতর্ণা হাসান

১২/৩১/২০১৭, রবিবার


কেন একজন জাফর ইকবাল হওয়া এত কঠিন?

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: সোম, ০৫/০৩/২০১৮ - ১০:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আহা রে---এই লোকটার এত ভালো হবার কোনই দরকার ছিল না! ছোট দেশের ছোট ছোট মন নিয়ে ঘুরে-বেড়ানো মানুষ আমরা। বড় মাপের মানুষ এই দেশে আঁটবে কেন?


অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর প্রাণঘাতী হামলার নিন্দা জানাই

সন্দেশ এর ছবি
লিখেছেন সন্দেশ (তারিখ: রবি, ০৪/০৩/২০১৮ - ৪:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর প্রাণঘাতী, বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তাঁর আশু আরোগ্য কামনার পাশাপাশি আমাদের নিম্নলিখিত পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শগুলো প্রশাসন ও সুবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।


এক যে ছিল চাষীর ছেলে

রংতুলি এর ছবি
লিখেছেন রংতুলি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০১/০৩/২০১৮ - ৫:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কনকনে ঠাণ্ডা সকালে বনের ভেতর তুষার মোড়ানো পথ পাড়ি দিয়ে ভাই বোনদের সাথে তাল মিলিয়ে হেঁটে কখনও বা দৌড়ে সবচেয়ে ছোট যে ছেলেটা স্কুলে যায় ওর নাম আলমানজো। বয়স ন' হয়নি। পায়ে তলাবিহীন 'মোকাসিন জুতো', কারণ বুট জুতো পরার বয়স হয়নি তার তখনো। এমনকি ছোট বলে সকলের খাবার পাত্রটাও বয়ে নিতে হয় তাকেই। ঠাণ্ডায় তার গাল দুটো আপেলের মতো আর ছোট্ট নাকটা টকটকে চেরী ফুলের মতো লাল দেখায়।


বিক্রমপুরের ভূঁইয়া

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: মঙ্গল, ২৭/০২/২০১৮ - ৪:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ইতিহাস গবেষণায় যে সব বড় বাধা আছে তার মধ্যে তথ্যের অপ্রতুলতা ও বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের অসঙ্গতি অন্যতম। এই দুটোর কারণে চাইলেও একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে গুছানো রচনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর বাইরে সম্ভাব্য আকরের নাগাল না পাওয়া মনোবেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবু একটি প্রচেষ্টা থেকে যা কিছু পাওয়া যায় তা একত্রে প্রকাশ করে রাখলে ভবিষ্যতে কোন গবেষক একই বিষয়ে আগ্রহী হলে তার জন্য পরিশ্রম কিছুটা লাঘব হয়।


মুস্তফা সারোয়ার ফারকীর “ডুব”: একটি ধারণাগত তাত্ত্বিক অনু-বিশ্লেষণ (Conceptual micro Analysis)

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শুক্র, ১৬/০২/২০১৮ - ৭:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমরা বই পড়তে পড়তে চিন্তা করতে পারি। কারণ কয়েকটি বর্ণের মধ্যে দিয়ে কল্পনায় ধ্বনি এবং ইমেজ বা চিত্রকল্প তৈরি করতে করতে আমরা বইকে পড়ি। অক্ষরের মধ্যে ছবি ভেসে ওঠে। শব্দরা জেগে ওঠে। তাই বই পড়া মানে মাথার মধ্যে সিনেমা দেখা। নিজের তৈরি সিনেমা।


ভর দুপুরের অনুভূতি

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৯/০২/২০১৮ - ৮:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাছের মাথাটা শফিকের প্লেটে তুলে দিয়ে ময়না বলল,” আরেক টুকরা মাছ দেই?”

খাওয়া থামিয়ে বিরক্ত হয়ে শফিক বলল,” মাছতো আলরেডি প্লেটে ঢাইল্লা দিছ। দেওয়ার পর পারমিশন চাও এইটা কেমন স্বভাব?”

ময়না খিলখিল করে হাসে। বিরক্ত হয়ে শফিক মাছের মাথা চিবাতে চিবাতে বলল,” কথায় কথায় এত হাস কেন? সমস্যা কি তোমার?”

ময়না আরো জোরে জোরে হাসে। খিলখিল। খিলখিল।

“আরে কি সমস্যা! আবার মাথায় ঘোমটা দিছ? বলছি না আমার সামনে ঘোমটা দেওনের দরকার নাই?”

খিলখিল। খিলখিল। খিলখিল। খিলখিল।

“ধুর বাল খামুই না।”


ভূতের বাড়ি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০২/২০১৮ - ৯:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তিনি এখনও সেখানে ঘুরে বেড়ান। সাদা রঙের দুই পিস জামা সাথে বিভারের টুপি পরে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে বিচরণ করেন নিঃশব্দে।

কখনো তাকে দেখা যায় একটা আবছায়া হয়ে ভেসে বেড়াতে, কখনো ধোঁয়াশা, আবার কখনো কখনো সুস্পষ্ট দেখা যায় নিঝুম বিশাল হলওয়ে ধরে যেন শতাব্দী প্রাচীন গীর্জায় কোনো এক ধর্মসেবী ঈশ্বরের স্তুতি গাইতে গাইতে হাঁটছেন।

তার পদচারণা প্রায়শই ধীর স্থির শান্ত, মাঝে মাঝে মনে হয় একাকী বিষন্ন কেউ চলে যাচ্ছে সামনে দিয়ে।

তার নাম গ্রেস কিপারলী। শতবছর আগেই দেহ ত্যাগ করলেও আজো এমন শত শত মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে যারা বিশ্বাস করে তিনি আছেন। দেখা দেন মাঝে মাঝে। কখনও ছেড়ে যাননি ডিয়ারলেকের পাশে ‘ফেয়ারএকরস’ এ তার বিশাল প্রাসাদ ‘কিপারলী ম্যানসন’, হালের ‘বার্ণাবী আর্ট গ্যালারি’।