ঈশ্বরের ইতিহাস ১

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: শনি, ২৩/০৪/২০১৬ - ২:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখার মূল উদ্দেশ্য 'ঈশ্বর' নামক ধারণাটির ইতিহাস বর্ণনা। ঈশ্বর বাস্তবে থাকুক বা না-ই থাকুক মানুষের ধারণায় আছে—এই ধারণার ইতিহাসই বলব। বাস্তবে ঈশ্বর আছেন কি-না সেই আলোচনাও ধারণার ইতিহাসের মধ্যেই প্রোথিত, কারণ ঈশ্বর এসে কাউকে বলে যাননি যে তিনি আছেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বেশেষে সবাই নিজেদের স্মৃতি, যুক্তি বা কল্পনা দিয়ে ঈশ্বর আছেন কি-না তা বুঝার চেষ্টা করেছে। অবতীর্ণ বাণীও আক্ষরিক অর্থে অবতীর্ণ নয়, বরং উৎসারিত। স্মৃতি, যুক্তি, ও কল্পনার মধ্যে প্রথমে যুক্তি নিয়ে কথা বলব। বিজ্ঞান যুক্তির (রিজন) অন্তর্ভুক্ত, আর দর্শন মানবিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। দার্শনিকরা কিভাবে যুগে যুগে ঈশ্বরের ধারণাটি সূত্রায়িত ও পুনঃসূত্রায়িত করেছেন তা-ই প্রথমে আলোচনা করব। ফোকাস থাকবে মূলত পাশ্চাত্য দর্শনের উপর, তবে ভবিষ্যতে ভারতীয়, চৈনিক, ও ইসলামি বিশ্বে দর্শনের কিছু জিনিসও যুক্ত হবে।


সহজিয়া রামায়ণ ৪

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: শুক্র, ২২/০৪/২০১৬ - ৩:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাজা দশরথ মইরাই গেলেন। পোলার লাইগা কানতে কানতে মাত্র চাইর দিন টিকলেন তিনি। সুমন্ত্র রামরে ফালাইয়া আসছে দুই দিনের পথ দূরে। ফিরতেও লাগছে দুইদিন। রাম যাইবার কালে পথে পড়া রাজারে কুড়াইয়া আইনা যে বিছানায় শোয়ানো হইছিল; সেই বিছানা তিনি আর ছাড়তে পারেন নাই। থাইকা থাইকা কানছেন আর এরে তারে জিগাইছেন- সুমন্ত্র ফিরছেনি?


হোয়াট শর্ট অব আর্ট ইজ রিকশা আর্ট ?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১৬ - ৭:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমার বাংলা বই

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১৬ - ১০:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ঠাকুদা একাত্তরে শহীদ হয়েছিলেন। সাদা শাড়ির ঠাকুমার বাকি জীবনটা কেটেছে গাছের সাথে। প্রতিটা গাছ ছিল তাঁর ভালোবাসা!


টিউলিপ উৎসবে

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১৬ - ৩:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


ডাইনে চাপুন

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: বুধ, ২০/০৪/২০১৬ - ১০:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কতোকাল আর বেলাইনে রবে, এসে পড়ো ভাই লাইনেই।
দেখো কতো লোক, তাগুতকে ছেড়ে, এলো আল্লার আইনেই।
এ দুনিয়া আর কতোকাল রবে?
ডাক আসলেই উঠে যেতে হবে।
জেনে রেখো ভাই, বেইমান হলে, আরশের তলে ঠাঁই নেই।

বিধর্মি সব বন্ধুকে ছাড়ো, মুসলিম বিনে ভাই নেই।
দেখো ভাই এই নেক রাহে এলে, জান্নাত পাবে ফাইন এই।
চলো ভাই আজ মসজিদে চলো,
আল্লার পথে তলোয়ার তোলো।
দেখো আল্লার কুদরত তুমি, তলোয়ারের এই শাইনেই।


তাতারা রাবুগার আশ্রয়ে: প্রথম পর্ব

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: রবি, ১৭/০৪/২০১৬ - ১:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই অনেক বছর আগে যখন প্রথম পড়েছিলাম রফিক আজাদের 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া' কবিতাটা, যখন সেখানে পড়েছিলাম "চুনিয়া মানুষ ভালোবাসে" তখন মনে হয়েছিলো চুনিয়া নামের এই জায়গাটায় না গেল


“অর্ধেক পরোটার পুরোটা”

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৪/২০১৬ - ১০:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৫ই বৈশাখ সন্ধ্যা। আগের বছরের মত এবারও বেশীরভাগ মেয়ে শাড়ি পরে এসেছে। সারাদিন কাজ করে সবাই অল্প স্বল্প ক্লান্ত। এসি রুমও টানা কাজ করার ক্লান্তি কমাতে পারে না। জানালা দিয়ে ঠিকই দেখা যায়, বাইরে ঢাকা শহর পুড়ছে।


উন্নয়নের সাতকাহন

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৪/২০১৬ - ৪:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি এখনো গ্রামে যাই, সবুজ ধানক্ষেতে হাঁটি, পুকুর পাড়ের সেই ছায়াতলে বসে এখনো নিজের ছেলেবেলা কে দেখি। যদিও স্মৃতির ঘরের সেই ছেলেবেলা আজকের মতো এত রঙিন ছিলো না, দিকে দিকে তখন অভাবের রাজত্ব ছিলো, ক্ষুধার অব্যক্ত কষ্ট ছিলো মানুষের সমস্ত শীরর জুড়ে। গ্রামে আমাদের বাড়ি বড় বাড়ি হিসেবে পরিচিত ছিলো, সেই বড় বাড়িতেই সেই সময় দু-একটা পরিবার একবেলা ভাত খেয়ে আরেক বেলা গুড়-মুড়ি চিবিয়ে দিন পার করতো। বড় বাড়িতে যখন এই