------------------------------------------------------
সচলে ধারাবাহিক লিখতে গিয়ে ছাদে তুলে মই কেড়ে নেয়ার গল্প অনেক পড়েছি। তবে আমার মত এতো বেশিদিন কেউ মই আটকে রেখেছেন কিনা সে খবর অবশ্য নেয়া হয়নি। চরম উদাসদা এতো করে শেখানোর পরেও উপুত হওয়াটা এখনো ঠিকমত রপ্ত করে উঠতে পারিনি তাই এই হাল। সে যাই হোক, ইলা মিত্রকে নিয়ে লেখাটা এতোদিন আটকে রাখার জন্য সত্যিই দুঃখ প্রকাশ করছি। চলুন তাহলে আবার শুরু করি এই ব
ক্যারোলিন আমেরিকার একটা শহরের স্কুল চেইনের খাদ্য নিয়ন্ত্রনের প্রধাণ। তার দায়িত্বে সেই শহরে প্রায় একশটা স্কুলের টিফিন নিয়ন্ত্রিত হয়। এক সন্ধ্যায় আড্ডার সময় তার পরিসংখ্যানে পারদর্শী বন্ধু , একটি খাবার বিক্রেতা প্রতিষ্টানের হর্তাকর্তা অ্যাডাম আর সে একটা পরীক্ষা করবে বলে স্থির করল। স্কুলের ক্যাফে গুলোতে খাবারের তালিকা ঠিক রেখে কেবল খাবারের পরিদর্শনে অদল বদল করলে কি হয়, সেটা দেখবে। ক্যারোলিন তা
তোমাকে লুকাবো না, তার চেয়ে ঢের ভালো যদি জেনে যাও।
লুকাবার কিছুই নেই অপর্ণা,
যেমনটা শাড়ির দেয়াল লুকায় না তোমার ঘ্রাণ
কিংবা আমার পশুত্ব - লোভী অভিমান।
[justify]
।।১।।
এক সময়ে ডায়েরি লিখতাম। সে অনেক অনেক দিন আগের কথা। ঢাকা শহরে তখন আকাশ ছোঁয়া বাড়িঘর ছিল না। মানুষজন দোতালার ছাদে উঠেই আকাশ স্পর্শ করতে পারতো। ডিজুস ছিল না, হিন্দি মেগাসিরিয়াল ছিল না, শপিং মল ছিল না, টি-২০ ছিল না, ইন্টারনেট ছিল না – বলা যায় আমরা তখন সর্বহারা ছিলাম। সেই সময়ে রাতে ঘরে ফিরে একটা সিগারেট ধরিয়ে মুখের উপর গল্পের বই নিয়ে শুয়ে থাকা ছাড়া আর তেমন কোনো বিনোদন আমরা আবিষ্কার করতে পারিনি।
অনন্ত জলিলের পরের ছবির শেষ দৃশ্যঃ তার বন্দুকে গুলি এক কিন্তু শত্রু দুই। এক নম্বর শত্রু ইউটিউবে ভিডিও আপ্লোডকারি আর অন্যজন সুজন চৌধুরী, যে কিনা তার ভুরিওলা কার্টুন একেছিল। এখন যদি সে একগুলিতে দুই শত্রুকে খতম করতে চায় তাইলে তার রজনিকান্তের বলাকা ব্লেড থিওরি ছাড়া উপায় নাই!!
-বাবা, পার্কের বই আছে?
-জ্বী স্যার।
-মেডিকেল সায়েন্স- সায়েন্স না আর্টস?
-স্যার, সায়েন্স।
-সায়েন্স তো বাবা নিজের ভাষায় বানিয়ে বললে হবে না, আর্টস বানিয়ে বলার বিষয়; আর সায়েন্স কীসের বিষয়?
-জ্বি স্যার, মুখস্থের।
-হ্যাঁ, এইবার ঠিক আছে, যাও।
প্রতিবার প্লেনে উঠতে গেলেই মুখোশটা খুলে ফেলি আমি,
তখন আর মনে মনেও বলিনা, ' মৃত্যুরে ডেকেছি আমি প্রিয়ের নাম ধরে '
ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার পর হঠাৎ করে আমি বুঝে ফেলি
স্বর্গ খুব একটা আহামরি জায়গা নয়, শীতল এবং নিঃসঙ্গ
তার চেয়ে ঢের ভাল আমাদের গ্রামের খেলার মাঠ এবং শহরের অলি-গলি
গ্রামে কিংবা শহরে মানুষের গল্প আছে, আছে কোলাহলের উষ্ণতা।