রামপাল প্রকল্পের নেপথ্যে দেশী-বিদেশী সংযোগ

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: রবি, ১০/০৯/২০১৭ - ১:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আপাতদৃষ্টিতে জার্মানির স্টুটগার্টের ব্যাবসায়িক সংস্থা (Fichtner Group)কে মানুষ ও পরিবেশের মঙ্গলের কাজেই নিবেদিত বলেই মনে হবে। তাদের সুদক্ষ প্রকৌশলীরা ইকুয়েডরের রাজধানী কিওটোর এলোপাথাড়ি নদীপ্রবাহকে পরিকল্পিত পথে পরিচালনার কাজে ন্যস্ত। প্যালেষ্টাইনের গাজায় সমুদ্রের জল শোধন করে সুপেয় করায় নিয়োজিত তারা, যাতে যুদ্ধবিপন্ন গাজাবাসীরা পরিষ্কার সূপেয় জলে তৃষ্ণা মেটাতে পারে। মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলে ১৬০ মেগাওয়া


নির্ধারিত স্থানে কোরবানিতে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর বাধা প্রসঙ্গে

হাসিব এর ছবি
লিখেছেন হাসিব (তারিখ: শুক্র, ০১/০৯/২০১৭ - ৫:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিগত বেশ কয়েক বছরের মতো এবারও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাস্তার ওপর কোরবানির পশু জবাই না করে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্থান বেছে নিতে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।


স্বাধীন বাংলায় প্রথম ঈদ

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০১/০৯/২০১৭ - ৪:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ঈদ ছিল ১৯৭২ সালের ঈদুল আজহা। তারিখটা ছিল ২৭শে জানুয়ারি। দেশ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় লাভ করেছে তার মাত্র পাঁচ সপ্তাহ আগে। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করে এক যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের হাল ধরেছে মোটে দু সপ্তাহ হলো। এর মাঝে দেশে ঈদ উদযাপনটা কি রকম ছিল, তা জানার একটা কৌতূহল ছিল। ভাবলাম বিস্তারিত না জানতে পারলেও আর্কাইভ ঘেঁটে ঈদের আগের দি


মগের মুল্লুকে রোহিঙ্গা বিলোপের আয়োজন!

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল্লাহ এ.এম. [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০১/০৯/২০১৭ - ৪:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রোহিঙ্গা ইস্যুটি প্রায়শই আমাদের জন্য বিশেষ গুরুতর হয়ে ওঠে, অতি সম্প্রতি যেমনটি হয়েছে । আমাদের অতি নিকট এই প্রতিবেশীদের সম্পর্কে যেমন আমদের তেমন একটা জানাশোনা নেই, তেমনই জানা নেই এই সঙ্কটের স্বরূপ। আমাদের টক শো গুলোতে খাপছাড়া গোছের কিছু তথ্য এবং মন্তব্য শুনে মেজাজটাও বিগড়ে গেল, তাই এ সম্পর্কে কিছুটা জানার চেষ্টা।


"ভ্যাজাল দুধের কারবারী.."

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: রবি, ২০/০৮/২০১৭ - ৮:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই নামটা যে দিয়েছিলাম সেটা আমার মনে ছিল না, ওনার ঠিকই মনে ছিল।
ঠাট্টা করে এই নাম ধরে আর ডাকার দরকার হবে না।
গল্পদাদু আর সন্ন্যাসীর সাথে ভালো সময় কাটবে এখন।
আপনাকে আমার অনেক হিংসা আনিস ভাই, এতো ভালোবাসা নিয়ে ক'টা মানুষ যায়..


গণদেবতা থেকে গণশত্রু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৮/০৮/২০১৭ - ৩:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের পরিকল্পনা ছিল খুব সাদামাঠা- লুইসকে বল দাও।সে কখনোই পেছপা হবে না।– ডেজা ভ্যু।এইরকম কথাটা যেন কাকে নিয়ে শুনেছিলাম-লিওনেল মেসি!হ্যা,মেসিই।কিন্তু এই লুইস কি মেসি?


শকুনি: অন্য দৃষ্টিতে...

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৮/২০১৭ - ১১:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'মহাভারত' আমাদের প্রায় সকলেরই অল্প-বিস্তর পঠিত। আর মহাভারতের চরিত্রগুলো নিয়ে নানামুখি বিশ্লেষণ আছে।
আজ তাই অন্য দৃষ্টিতে শকুনি চরিত্র সম্পর্কে যৎসামান্য বিশ্লেষণের প্রচেষ্টা।

শকুনি:


ভাষাপোকা-৩য় ও শেষ পর্ব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৮/২০১৭ - ২:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাজিব মাহমুদ

আগের ২ পর্বের লিঙ্কঃ

১ম পর্বঃ http://www.sachalayatan.com/guest_writer/56676

২য় পর্বঃ http://www.sachalayatan.com/guest_writer/56711


পোটসডামের সেসিলিয়েনহফ প্রাসাদ

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৮/২০১৭ - ১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

২৫ সে জুলাই, ১৯৪৫


সকাতরে ঐ কাঁদিছে সকলে শোন শোন পিতা

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৮/২০১৭ - ১:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শোক দিবসকে আক্ষরিক অর্থে কারবালা বানিয়ে ধারালো অস্ত্রে বুক-পিঠ চাপড়ে হায় হোসেন অবলম্বনে হায় মুজিব কমেডি করে শোক দিবসকে হাস্যকর বানিয়ে ফেলছে কিছু ভাঁড়। হায় মুজিব অবস্থাই বটে! আসুন, এই কমেডি পাশ কাটিয়ে বঙ্গবন্ধু কি বলেছেন একটু পড়ে দেখি- সেটাই শোক দিবসে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটা কার্যকর উপায় হতে পারে। নইলে অদুর ভবিষ্যতে টুঙ্গিপাড়ার সমাধি পরিনত হতে পারে তাজিয়ায়। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন খুব কম, বাগ্নী হিসেবে বলে গেছেন অনেক কিছু। অনুভূতিময় এই উদ্ভ্রান্ত সময়ে সেই কথামালা পাঠ করেও যদি তাকে হৃদয়ে ধারণ করা যায়, অনাগত কোনও অন্ধকারে হয়তো সেটিই কাজে দেবে। মানবিক আবেগহীন এবং দর্শনবিমুখ যান্ত্রিক অনুভূতির অর্গলে বঙ্গবন্ধুকে বেঁধে রাখলে তিনি ধীরে ধীরে হৃদয় থেকে উবে গিয়ে লালুসালু মোড়া পীরের আসনে গিয়ে বসবেন। এই সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে বঙ্গবন্ধুর পঠন-পুনর্পঠন হোক জোরেশোরে। ব্যানারের ম্লান ছবি হয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু ফিরে আসুন ব্যাবহারিক দর্শনে।