জীবনের ভীড়ে

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৩/০৭/২০১৫ - ৬:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্ব চারঃ ব্লুবেরি

বিল।
গত ৩৫ বছর ধরে ব্লুবেরির চাষ করছে। প্রথমবার গাছ লাগানোর পর ৩ বছর লেগেছিল ফল ঘরে তুলতে। "মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ করিনি তখন। এতগুলো টাকা আর পরিশ্রম।"
"ভালবাসা আর ইচ্ছার কমতি ছিল না।" আমি উত্তরে বললাম। "ইয়াপ, প্যাসন অ্যান্ড উইল দ্যাটস অল আই হ্যাড।"


পশুর গর্জন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ১০:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চৈতির মনে আজ দারুন আনন্দ। জীবনে প্রথমবারের মত স্বাধীনতার স্বাধ পেতে যাচ্ছে। ছোট বেলা থেকে হয় বাবা নয় বড়ভাই এই দুইজনের শাসনে কিছুই করতে পারে নি। স্কুলে পিকনিক হচ্ছে সবাই যাচ্ছে, শুধু চৈতি যাচ্ছে না। কারন বাবা বলেছে যাওয়ার দরকার নেই, নিরাপত্তা ভালো না। বড় হও তখন যেও। তারপর চৈতি বড় হল, কলেজে ভর্তি হল কিন্ত কোন কিছু পরিবর্তন হল না। প্রতিদিন কলেজে যাওয়ার সময় বাবা নামিয়ে দিত আর বিকেলে কলেজ শেষে ভাইয়া বা


প্রিয় বাতাসি

জিপসি এর ছবি
লিখেছেন জিপসি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ৯:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নীল আকাশ তো এই অধমের কাছে শুধুই এক সীমারেখা, উড়তে যারা ভালবাসে আকাশ তাঁদের বিচরণক্ষেত্র........... ভাল থেকো বাতাসি।


মানচিত্রের সন্ধানে ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ২:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রেনেল পুনরায় কাজ শুরু করলেন। ৬৭-র গোড়ায় সুখবর এলো,কোম্পানি সার্ভেয়র জেনারেল অব বেঙ্গল পদ সৃষ্টি করে তাঁকে নিযুক্তি দিয়েছে। রেনেলের বয়েস তখন পঁচিশ। মাইনে বাড়লো,তার সঙ্গে পাওয়া গেল চারজন সহকারী সার্ভেয়ার। ভগ্নস্বাস্থ্যের দরুন অসুবিধা হচ্ছিল,ডায়েরি থেকে দেখা যায়,পরিশ্রমসাধ্য কাজগুলির জন্য তিনি সহকারী রিচার্ডসের ওপর ক্রমশ বেশি ভরসা করছেন। ১৭৭১-এ ফিল্ডসার্ভে শেষ হলো,হাজার হাজার স্কেচম্যাপ নিয়ে রেনেল ঢা


মার্ক্স-এঙ্গেলস-ডারউইন; বউ-বই-চিঠি

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ৫:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কার্ল মার্ক্স ছিলেন চার্লস ডারউইন এর প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বের দারুণ ভক্ত। তবে ডারউইন এর কাজের সাথে প্রথমে মার্ক্সকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন আরেক মহারথী ফ্রেড্রিখ এঙ্গেলস। ডারউইন রচিত দ্য অরিজিন অফ স্পেসিস বইটিতে মুগ্ধ হয়ে এঙ্গেলস ১৮৫৯ সালের নভেম্বরে মার্ক্সকে লিখছেন-


একোরিয়াম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ৫:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"কই যাচ্ছিস?"


বাড়ি বদলের গল্প ৪: কম্পুকাহন

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৭/২০১৫ - ৫:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দশ হাজার টেকা বেতনের কামলারে আশি হাজার টেকা ঋণ দিব কেডায়? তার উপরে জুম্মায় জুম্মায় আটদিন হয় নাই আসছে ঢাকায়; চাকরি এখনো অস্থায়ী। চাল নাই চুলা নাই; ধরার মতো ল্যাঞ্জা নাই; পরনের কাপড় বাদ দিলে এক বাকশো বইপত্র ছাড়া থাকার মধ্যে আছে কয়েকটা জিন্স ফতুয়া টি-শার্ট অ্যাশট্রে আর দুই জোড়া জুতা...

২০০২ সালের মাঝামাঝি ঢাকায় এসেই আমি ব্যাংক থেকে ব্যাংকে ঘুরি- একটা লোন চাই কম্পিউটার কিনব...


‘যে বইটি পড়ব না কোনদিনই’

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ২০/০৭/২০১৫ - ১২:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই কাঁচা বয়সের কথা, জলকুমারির কথা, অপূর্ব সুন্দর সেই দ্বীপের কথা, পচিশ একর ছায়া সুনিবিড় শান্তি আর নয়নাভিরাম সমুদ্র সৈকতের কথা, স্বর্ণহৃদয় রডরিক আর ল্যাম্পনির কথা। সেই সাথে যোগ দিল লোভ, পাপ এবং মৃত্যু- দুঃস্বপ্নের মত ভয়ংকর!


বরবটি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৯/০৭/২০১৫ - ১১:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একবার গরমের সময়ে আমি একটা হোটেলে কাজ করেছিলাম, বয়স তখন সতেরো কি আঠারো হবে। হোটেলটা চালাতেন আমার এক খালা। ওখানে কাজ করে কত পেতাম এখন আর মনে নেই - হবে হয়তো মাসে বিশ-বাইশ ডলার। ওখানে আমি একদিন এগারো ঘণ্টা আরেকদিন তেরো ঘণ্টা করে কাজ করতাম। আমি ছিলাম একই সাথে ডেস্ক ক্লার্ক আর বাসবয়। বিকালে যখন আমি ডেস্ক ক্লার্ক হিসেবে বসতাম, তখন আমার কাজ ছিলো একজন পঙ্গু মহিলার কাছে দুধ নিয়ে যাওয়া। ঐ মহিলার কাছ থেকে একটা পয়সাও বখশিশ পাইনি কোনোদিন। আসলে পৃথিবীটা এমনই, সারাদিন খেটেও কিছুই পাওয়া যায় না, কিন্তু সেটাই করে যেতে হয় দিনের পর দিন।