অ্যাড্রিয়াটিকের মায়ায়

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৪/০২/২০১৭ - ২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তিরানার শহরতলী ছাড়িয়ে বহুদূর দিগন্তে দাইতি পর্বতশ্রেণির অপসৃয়মাণ কায়াকে পেছনে ফেলে আমরা যখন আলবেনিয়ার এক সরু মহাসড়ক ধরে এগিয়ে চলেছি তখন অপরাহ্নের শেষ প্রহর। তবে তাই বলে সূর্যের উত্তাপের কমতি নেই। আমাদের গাড়ির বুড়ো চালক তাই ক্ষণে ক্ষণেই স্বেদাসিক্ত হয়ে নিজের সাদা রুমালটি ললাটে ছুঁয়ে নিচ্ছেন। ভদ্রলোক যে বেজায় ক্লান্ত তা বেশ অ


গল্পের গরু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৮/০১/২০১৭ - ২:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পথ যে এমন জটিল হতে পারে সেটা তার জানা ছিলো না। বেশ চলছিলো তরতর করে, হঠাৎ করেই ডাল পালা সব উধাও, এমন মসৃণ পথে এগুনো মুশকিল। ঠিক মসৃণ বললে অবশ্য ভুল হবে, এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বেশ কিছু খোড়ল, কাঠ ঠোকরাদের কীর্তি। তিনটে খোড়লে খুর ঠেকিয়ে চতুর্থটির খোঁজে পা বাড়ায় ঘৃতকুমারী। কানের পাশে ভনভন করতে থাকা নীল ডুমো মাছিটাকে লেজের ঝাঁপটায় ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার ভাবনা অনেক কষ্টে দমন করেছে সে। কল


রসরাজরা হারিয়ে যায়

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০১/২০১৭ - ৬:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নাসিরনগরের কথা মনে আছে?


অণুগল্প: বিধি ও বাম

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০১/২০১৭ - ৪:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছেলেটি ছিলো চাবুক, মেয়েটি মেঘ। ছেলেটির চোখে জ্বলতো মস্কো থেকে হাভানা, মেয়েটি বেলতো ফুলকো লুচি। ছেলেটি শ্লোগানে কাঁপাতো জারুল-শিরীষ-হাবিলদার-বর্ষায়টানারিকশারপর্দা, মেয়েটি খন্দকার ফারুক আহমেদের কণ্ঠের সন্ধানে রেডিওর নব ঘোরাতো আলগোছে। ছেলেটি আউরেলিয়ানো বুয়েনদিয়ার স্পর্ধা আড়চোখে নিয়ে চাইতো মেয়েটির দিকে, মেয়েটি সরল চোখ তুলে বলতো, পিষে ফ্যালো মনজুরুল।


শহীদুল জহির

উজানগাঁ এর ছবি
লিখেছেন উজানগাঁ (তারিখ: বুধ, ১৮/০১/২০১৭ - ১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এমনই কোনো এক শীতের রাতে শহীদুল জহির চলে গিয়েছিলেন। আমি দেখি এই হাওয়া-বাতাসের রাতে আচমকা আজ জহির ঢুকে পড়েছেন আমার বেডরুমে। শোনাচ্ছেন এক আশ্চর্য শৃগালের কথা। কোনো-কোনো পূর্ণিমার রাতে সেই চতুর শৃগাল কেমন করে তাঁর লেখায় শব্দ জুড়ে দিয়ে যেত! কিংবা তাঁর স্বপ্নের ভেতর আটকা পড়া মানুষগুলো, যারা অতীত থেকে ভবিষ্যতে, ভবিষ্যত থেকে অতীতের দিকে তেড়ে যেতে-যেতে যে বিভ্রম তৈরী করতো সেসব কথা।


আরেকটু অপেক্ষা করো প্রিয়াংকা- বঙ্গবন্ধু আসছেন।

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০১/২০১৭ - ৩:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১০ জানুয়ারি, ১৯৭২। প্রিয়ংকা গান্ধি অপেক্ষা করছে। তখনও তার নাম প্রিয়ংকা হয় নি। সে যে কে, তা তখনও কেউ জানে না। এমনকী তার মা সোনিয়া গান্ধিও। তিনি শুধু অস্তিত্বের মধ্যে টের পাচ্ছেন কেউ আছে। বড় হচ্ছে। আর এখন তার সময় হয়েছে।


জীবনের বিছিন্নতাবোধ, হরিপূর্ণ ত্রিপুরা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০১৭ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিককার ঢাকা শহরের এক বৃষ্টিস্নাত সকাল ৷ আমি বসে আসি রাস্তার পাশের এক খুপড়ি চায়ের দোকানে ৷ কিন্তু চায়ের দোকানে চা ও সিগারেটের তেষ্টা মেটাবো এরকম উদেশ্যে আমার বসা নয় ৷ আসল কারণ হচ্ছে নিজেকে একটু ভদ্রস্থ করার চেষ্টা ৷ দোকান হতে টিস্যু পেপার কিনে তা একটু পানিতে ভিজিয়ে তাই আমার কাদা মাখা জুতা জোড়া পরিষ্কার করার কাজে লেগে গেলাম ৷ টিস্যু প্যাকেটটা প্রায় শেষ হয়ে আসছে তবু


পাঠ্যপুস্তকের খৎনা

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: শুক্র, ০৬/০১/২০১৭ - ৮:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভুসুকপাদের লজ্জা
চর্যাপদের কবি ভুসুকপাদ। এখনো যেমন কেউ কবিতা-টবিতা তেমন একটা কিনে পড়ে না, বারোশো বছর আগেও কেউ কিনে পড়তো না। পেটের দায়ে তাই ভুসুকপাদকে পাড়ি দিতে হয় দূর-দূরান্তে, পিছনে রেখে যেতে হয় বউকে। ফিরে এসে ভুসুকপাদ দেখতে পান তাঁর বউ আর তাঁর নেই, অবস্থাসম্পন্ন কোন চণ্ডালের হাত ধরে সে চলে গেছে। অনেক লজ্জা আর খেদ নিয়ে ভুসুক লিখেন,

আজি ভুসুক বঙ্গালী ভইলি
নিঅ ঘরিণী চণ্ডালে লেলি


ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৫)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৬/০১/২০১৭ - ৫:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাঁচ

রন্টু ভাইকে অনি যত দেখে তত ভালো লাগে। রন্টু ভাইয়ের গিটারটা আরো বেশি ভালো লাগে। অনির ভালোলাগা আর আগ্রহের দৃষ্টি পরিমাপ করে রন্টু অনিকে ডাক দেয়,
-অতো দূরে বসেছিস কেন? কাছে আয়। ধরবি গিটার? তোকে তো বলেছি ধীরে ধীরে সব শিখিয়ে দিবো। সপ্তাহে একদিন সময় ম্যানেজ করে চলে আসলেই হবে।