আধখানা বই

শাব্দিক এর ছবি
লিখেছেন শাব্দিক [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/১১/২০১৪ - ৭:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বই পড়তে আমার বেশ সময় লাগে, কিংবা বলা যায় বেশ সময় নিয়ে আমি একেকটা বই পড়ি। অনেক সময় একেকটা বই তিন মাস চার মাস ধরেও পড়তে থাকি। আবার এক সাথে তিন চারটা বই পড়তে থাকি। বেশিরভাগ বই পড়ুয়াদের দেখেছি একটা বই এক নিঃশ্বাসে শেষ করে ফেলে। আমি এভাবে পড়তে পারি না সব সময়। একখান বই অর্ধেক পড়ে আবার আরেকটা পড়তে শুরু করি। আবার আরেকটা, আবার আরেকটা, আবার হয়ত প্রথমটাতে ফিরে গেলাম, এরপর আবার তৃতীয়টা, তা থেকে দ্বিতীয়টা।


সাম্প্রতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুণীজন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/১১/২০১৪ - ১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত বেশ কয়েকদিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণমাধ্যমসমূহের আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটনাগুলোর সৃষ্টি এবং বিস্তারের সাথে যারা জড়িত তাদের মতামত বা কথার কোন গুরুত্ব আমার কাছে নেই তাই সেসব বিষয়ে কথা বাড়াবো না। আর সেসব অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহে ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে আমি তার সাথে একমত। তাই এই


বাংলার তরু লতা গুল্ম- ৩৮ : শ্বেতদ্রোণ

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/১১/২০১৪ - ১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সাদা খইয়ের মতো ফুটে রয়েছে অজস্র মেঠোফুল। ভ্রমর, বোলতারা ব্যাকুল হয়ে ছুটোছুটি করছে কে কোনটার দখল নেবে। খই ভেবে যদি অবচেনে আপনার হাত চলে যায় পুষ্পমঞ্জরির দিকে। যেতে দিন। আলতো করে তুলে নিন একটা সাদা খই। নির্ভয়ে ফুলের বোটার দিকটা মুখে পুরতে পারেন রাখাল বালকের মতো। মিষ্টি একটা রস এনজামই বাড়িয়ে দেবে জিভের তালুতে। এরপর নিশ্চয়ই দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছেন গোল একটা চাকের ওপর। সুন্দর না!
ওটাই কিন্তু ফুলটার মঞ্জরি।


‘তোমার উপলব্ধিকে আবৃত করে রাখে যে খোলস, বেদনাই তাকে বিদীর্ণ করে-’

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৭/১১/২০১৪ - ৪:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খুব বেশী দূরে আর কই?
ঘর থেকে পা বাড়ালেই মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্ত্বর। সেখান থেকে রিকসা নিলাম আমরা। অগ্নি নির্বাপণ সংস্থার কার্যালয় পেছনে ফেলে কিছুদূর এগোলেই মিরপুর বেনারশি পল্লীর ১নং গেট। সেই গেট অতিক্রম করে পৌঁছলাম পিচঢালা পথের শেষমাথায়। সেখানে অবস্থিত পুরোনো পাওয়ার হাউজ।


জীবন নদীর পাঁকে পাঁকে

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: সোম, ১৭/১১/২০১৪ - ২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুভ, আমি তোমাকে আমার প্রিয় কবিতাটির মত মুখস্ত করতে চাই। প্রথম নিঃশ্বাসের শব্দ থেকে হৃদয়ের প্রথম স্পন্ধন পর্যন্ত। তোমার ভাবনা গুলো, ইচ্ছে গুলো, চাওয়া পাওয়া গুলো আপনার করতে চাই, তবে তোমাকে গ্রাস না করে। আমি তোমাকে আমার অঙ্গে ধারণ করি নাই, অন্তরে, মনে, চিন্তায় চেতনায় বপন করেছি। সে বপিত বীজে পত্র-পল্লব অঙ্কুরিত হয়েছে, ফুটেছে ফুল। তার সৈরভ, গৌরব, ছায়া,গন্ধ আমাকে মায়ায় আচ্ছন্ন করে রাখে সারাদিন, সারাক্ষণ


আল-জাজিরার লন্ডন কার্যালয়ের সামনে আইসিএসএফ ও সকল প্রগতিশীল সংগঠনের প্রতিবাদ সমাবেশ

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম এর ছবি
লিখেছেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৫/১১/২০১৪ - ১০:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কাতার ভিত্তিক সংবাদ চ্যানেল আল-জাজিরা কর্তৃক লাগাতারভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, এবং চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের উপর একপেশে এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিভ্রান্তিকর সংবাদ এবং আলোচনা পরিবেশন, এবং এর মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যমটির ১৯৭১ এর ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনের অপচেষ্টার সংস্থাটির লন্ডন কার্যালয়ের সামনে এক শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে আইসিএসএফ (ইন্টারন্যাশনাল ক


ট্রেন সমাচার

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৫/১১/২০১৪ - ৪:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত বছর দুয়েক চাকরির সুবাধে নিয়মিত সাপ্তাহ শেষে বাড়ি ফিরতে হয় ট্রেনে। যদিও বাংলাদেশে ট্রেনের সাথে এই নিবিড় সম্পর্ক বহুকালের। তাই মোটামুটি যাত্রাপথের সকল সুযোগ-সুবিধা, হয়রানি, অনিয়ম, এমনকি প্রতিটি স্টেশানের মানুষের আচরণের সাথে বেশ পরিচিত। আর গত নির্বাচনের আগে বুঝেছিলাম বাংলাদেশের গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভের একটি হল ট্রেন। তাই সেখানে আক্রমন করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত ছিলো বাংলাদেশের সবচ


ধূমকেতুর বাষ্পপুচ্ছ

ছায়াপথের পথচারী এর ছবি
লিখেছেন ছায়াপথের পথচারী [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৫/১১/২০১৪ - ৪:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুনঃ মহাবিপ্লব হেতু
এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু!
সাত— সাতশো নরক-জ্বালা জ্বলে মম ললাটে,
মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।“


এসেছি দৈব পিকনিকে

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: শুক্র, ১৪/১১/২০১৪ - ১১:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
-১-

হিসেব করে দেখলাম শেষ দিনলিপি লিখেছিলাম দুই বছর আগে। প্রতি দুই বছরে একটা দিনলিপি লিখলেই আমার চলে যায়। আমার দিনগুলি মোটামুটি একই রকমের, একদিন ডায়েরি লিখে কন্ট্রোল-সি দিয়ে কপি করে বাকি ৩৬৪ এর পাতায় পেস্ট করে দেওয়া যায়। সুতরাং প্রতি দুই বছরে একবার করে দিনলিপি লেখার অপরাধ অবশ্যই ক্ষমার যোগ্য।


| ঘড়ায়-ভরা উৎবচন…|৩০১-৩১০|

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/১১/২০১৪ - ৭:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:



নিমতলি ফটক, ঢাকা।
এবং আমিও হাজির ! কিন্তু এইটা আসল পোস্ট নয়, পোস্ট যথারীতি ভেতরে।
।।।