“পরাজিত প্রশ্নপত্র”

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: বুধ, ২৬/০৮/২০১৫ - ৯:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তুমি নাকী আগুন পোষো
কাছে গেলেই পুড়িয়ে দেবে!
মিষ্টি ফুঁয়ে কে তবে আজ
চায়ের গরম জুড়িয়ে দেবে?

পোড়ার ঠোঁটে নরোম রেখে
যন্ত্রণা কে উড়িয়ে দেবে-
মনের ভুলে ফেলে আসা
চাবিটা কে কুড়িয়ে দেবে?

কপাল বেয়ে অগোছালো
চুলগুলো কে ঘুরিয়ে দেবে-
শার্টের বোতাম না লাগানোর
ভুলগুলি কে ধরিয়ে দেবে?

বুকের কাছে একটু আসার
শাসনে কে চড়িয়ে দেবে-
কষ্ট পাওয়ার নষ্ট পাথর
আয় বলে কে সরিয়ে দেবে?

সকাল এবং বিকালগুলো


বৈশাখ ১৪২২ এর সন্ধ্যা ও ভুলতে চাওয়া স্মৃতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৮/২০১৫ - ১:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পহেলা বৈশাখের (১৪২২) দুইদিন আগের ঘটনা। আমরা বান্ধবীরা মিলে ফোনে কথা বলে ঠিক করলাম অনেকদিন যেহেতু দেখা হয়না, তাই এবার পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দেখা করব। এও ঠিক করলাম সবাই শাড়ি পড়ব- অনেক উজ্জ্বল রঙের শাড়ি- লাল, কমলা, নীল। এই প্রথম বন্ধু-বান্ধবীর সাথে টিএসসি ও চারুকলায় ঘুরতে যাওয়া পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে। এজন্য জল্পনা-কল্পনারও কমতি ছিলনা। এর আগে অবশ্য যাওয়া হয়েছে, কিন্তু পরিবারের সাথে।


যদ্যপি আমার গুরু

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ২৪/০৮/২০১৫ - ১০:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_7792


নয়া চীনের গল্প সংকলন

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: সোম, ২৪/০৮/২০১৫ - ৩:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখাটি প্রচলিত অর্থে বুক রিভিউ নয়। গল্প পড়ে যে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা আমার কাছে প্রয়োজন মনে হয়েছে আমি তাই বলার চেষ্টা করেছি। সুতরাং লোকমান্য পদ্ধতির বুক রিভিউ যেখানে ‘বাকী অংশ রূপালী পর্দায় দেখুন’ ফরম্যাট অনুসরণ করা হয় আমি তার ধার ধারিনি। কারণ, বইয়ের বাণিজ্য যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেই বিবেচনায় আলোচনার গলাকে খাটো করার ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। আমার এই আপত্তির ব্যাপারটি যারা মানতে রাজী নন্‌ তারা এই লেখাটি পড়া এখানেই ছেড়ে দিন।


পুষ্পপাপ

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: রবি, ২৩/০৮/২০১৫ - ১১:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রকারান্তরে হয়েছি বৈদেশিক
এখন আর হাত বাড়ালেই হাতে এসে
টুপটাপ বসে না পুষ্পপাপ
আমার কোনো অতীত নেই, কোনো
রথযাত্রায় নেই ফেলে আসা কোনো
শোলার টুপি, লাল শরবতী ফুল।

তোমাকে দেখেছি কতোকাল আগে
অন্ধকারের ছায়া দুই হাতে মেখে
হেঁটে আসছ ঘুম থেকে নির্ঘুম
বৃত্তের থেকে বেরিয়ে আসছ
মুমূর্ষু অন্ধকারের পাশে
জীবনের মতো, আলোর মতো
নিঃশ্বাসের মতো
আকাশের দিকে হেঁটে যাওয়া রূপকথার আশ্চর্য রোপওয়ে


উপলব্ধি

নিঘাত তিথি এর ছবি
লিখেছেন নিঘাত তিথি (তারিখ: রবি, ২৩/০৮/২০১৫ - ৮:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবেকার পুরনো সে বোধ
ক্ষণে ক্ষণে,
নিরবে নিভৃতে,
নিঃশব্দ চিৎকারে-
আজো জেগে থাকে মনের গহীনে।

অনেক কাল কেটে গেছে তার নাম শুধায়ে।
উত্তর আসে নি কোন।

এখন আর উত্তরের কোন প্রত্যাশা নেই।
আসলে,
কোন কিছুরই কোন প্রত্যাশা নেই।
যে জীবন চলে বাতাসের মত মৃদু-মন্দ অথবা দমকা ঝড়ো হাওয়ায়,
তার কাছে, তাকে থামিয়ে, কিছু
জানতে চাওয়ারও কোন মানে নেই।

যে বোধ কখনও ছড়ালো না ডানা,


বাংলা শিশু সাহিত্য ও বিনোদন

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: শনি, ২২/০৮/২০১৫ - ১২:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিদেশ বিভুঁইয়ে এখনও বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখা বাবা মাদের নিত্য যুদ্ধ লেগে থাকে বাচ্চাকে বাংলা ভাষা শিক্ষা দেবার, চর্চা করার। অনেকেই কিছুদিন লেগে থাকার পর হাল ছেড়ে দেন। কারণ ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির উপাদান তো চাই। বিদেশে বাংলা বই এর অভাব, শিশু সাহিত্য তো আরও দুর্লভ। আর বাংলায় বাচ্চাদের টিভি অনুষ্ঠানের তো অস্তিত্বই নেই। নিজে ছানা পোনা ঘরে আনার আগে তাই কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিলাম। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগাতে তাই সব রকম বাংলা শিশু সাহিত্যের বই জোগাড় করলাম। উপেন্দ্রকিশোর, সুকুমার থেকে শুরু করে হালের হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল সবাই হাজির হলেন । ছানার আগমনের পর সেগুলো গুড়া বয়সেই তাকে পড়ে শোনাতে গিয়েই হলো বিপত্তি।


রুবিক'স কিউব

রংতুলি এর ছবি
লিখেছেন রংতুলি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২১/০৮/২০১৫ - ৫:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কারো কারো ক্ষেত্রে মারফি’স ল যে কতটা কার্যকর উদাহরণ হতে পারে, তা আরো একবার প্রমাণিত হলো অক্সফোর্ড রোডের সেলুনগুলো রোববার বন্ধ থাকার মধ্যে দিয়ে। দু’তিন সপ্তাহের গড়িমসি শেষে যখন সময় এবং সম্মতি দুটোই জুটলো ওদের বাবা ছেলের কাকের বাসা, বাজারের ঝাঁপিসম চুলগুলো ভদ্রস্থ সমাজোপযোগী করার, ঠিক সেদিন মাইলকয়েক পথ হেঁটে এসে জানা গেলো গুণেগুণে কেবল সেলুনগুলোই আজ বন্ধ থাকবে, যদিও আশেপাশের অন্য সব দোকান বহাল তবিয়ত


মুখ ঢেকে যায়...

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০/০৮/২০১৫ - ৯:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাজপ্রাসাদের সৈন্যরা সব শেষ, উজিরের মরল খানিক আগেই, বীরবেশে আমি রাজার ঘরে ঢুকতে যেতেই রাজকন্যা ফোন দিলো, আমার মুঠোফোনের স্ক্রিনে ছবি সমেত নাম ভেসে উঠলো তার, কঙ্কাবতী! আমি তো চমকে উঠলাম। হাতের চকচকে খোলা তলোয়ার সাই করে বগলে চেপে অন্য হাতে কল রিসিভ করেই বললাম, হাআআলোওওও, নেমজ কুমারস, ডালিমস কুমারস!