এই মেলায় কোনো পাকিস্তানি পণ্য নেই

নাশতারান এর ছবি
লিখেছেন নাশতারান (তারিখ: শুক্র, ১৭/০৬/২০১৬ - ১:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]মেলাটার নাম রাঙতা। আয়োজনে এক ঝাঁক বোকাটে ক্ষ্যাপাটে পাগলাটে মেয়ে। এরা সবকিছুর সাথে রাজনীতি মিশায়। সুশীলতার খাতিরে এরা 'অতীত ভুলে মিলেমিশে' থাকে না, পাকিপ্রেমীদের সাথে 'সুইট করে কথা' বলে না। 'ম্যারি মি আফ্রিদি' আর 'পাকি লন' ঘরানার 'আপ্পি'দের দাবড়ানি দিয়ে এরা কীবোর্ড ক্ষয় করে


তিতাস একটি নদীর নাম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৩/০৬/২০১৬ - ১:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


চাঁদের আলোয় একজন নিরাশ যুবক

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১৬ - ৮:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেয়েটি পিছন থেকে আস্তে আস্তে হেঁটে কাছে এসে ডাক দিল, ভাইজান!

যুবকটি ফিরে না তাকিয়েই মাথা ঝাঁকাল অল্প, মুখে কিছু বলল না। মেয়েটি বসে পড়ল পাশে। কিছু সময় কেটে গেল চুপচাপ। উপরে মেঘমুক্ত আকাশ, হাল্কা বাতাস দিচ্ছে। চকচকে চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছে বাগান। মধ্যরাত পেরিয়ে গেছে সেই কখন! ভোর হবে কিছু পরেই। সাধারণত এই সময় এরকম বাইরে থাকলে আম্মি মানবতী কবর থেকে উঠে এসে বকে ফিরাতে নিয়ে আসেন, কিন্তু আজ এখনো তার সাড়া নেই। ভালই, ভাবে মেয়েটি। তারপর আচমকা সে জিজ্ঞাস করে,

আচ্ছা ভাইজান, আব্বাকে আপনি সত্যই ভাই বলে ডাকতেন?

বিষণ্ণ যুবকটি ফিক করে হেসে ফেলে বলে, হ্যাঁ তো!


জালালের গল্প কিংবা থ্রোয়িং শিট ইন দ্যা মিক্স

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১৬ - ৪:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জালালের গল্প মুক্তি পেয়েছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরে। যত দূর মনে পড়ে, প্রথম সপ্তাহেই দেখেছিলাম। তখনও সচলায়তনে লেখা শুরু করিনি, তাই জালালের গল্প নিয়ে কিছু লেখা হয়নি। গত মাস থেকে সিনেমাটির একটি হাই কোয়ালিটি প্রিন্ট ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে যেটির লিঙ্ক সিনেমাটির ফেইসবুক পেইজেই শেয়ার করা হয়। ইদানীং কোন কাজ না থাকার সুবাদে এবং কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছিল বলে, এছাড়াও, জালালের গল্প সাম্প্রতিক সময়ের অত্যন্ত গু


জরায়ু যার, সিদ্ধান্ত তার

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শুক্র, ১০/০৬/২০১৬ - ১২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোনখানে এক নারী ছিলেন, বয়স ৩০ ঘেঁষা। মানুষ তাকে প্রশ্ন করে- এখনো সন্তান হল না? তার একেকদিনের উত্তর একেক রকম হয়, কিন্তু তাদের সবসময়ের সাথী হয় জোর করে আনা হাসি।

“না, এখনো নয়”- মৃদু হাসতে হাসতে হতাশা ঢেকে বলা তার উত্তর!

যাবার আগে মানুষেরা বলা যায় “সারা জীবনের জন্য অপেক্ষা কর না। সময় এগিয়ে আসছে, জানো তো?”

তারা বিদায় নেয়। মহিলা তাঁর হাসি ধরে রাখেন। আর একাকী, সে কাঁদে।


প্রচেষ্টা _০১_০১

সুহান রিজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন সুহান রিজওয়ান (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৬/২০১৬ - ১১:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


প্যাটার্নের খোঁজে

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বুধ, ০৮/০৬/২০১৬ - ১১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাসঙ্গিক মাত্রা

ইদানীং "চাপাতি-খারাবি ইউনিট (চা-খাই)" এর ডিরেক্টর মাসুদ সাহেবকে বেশ তটস্থ থাকতে হচ্ছে, সবই অবশ্য মিডিয়া আর ব্লগারদের জন্য। তার মুখটা তিতা হয়ে যায়, দেশে গুলিতে মানুষ মরে, টেটা বর্শাতে মানুষ মরে, এমনকি রিকশা চাপা পড়ে মানুষ মরে। কই, সেইগুলা নিয়েতো জঙ্গিদের কাজ বলে কান্নাকাটি শুরু হয় না! যত দোষ চাপাতির! রাগ চেপে গণিতে চৌকস এনালিস্ট কুদ্দুসকে ডেকে সবগুলা খুনের মাঝের যোগসূত্র বের করার দায়িত্ব দেন তিনি।


খদ্দের

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১৬ - ৫:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুর্গন্ধে মা’র কাছে যাওয়া যায় না। দাঁত মুখ খিঁচে দরজায় দাঁড়িয়ে শফিক জিজ্ঞাস করল, “আমি বাইরে যাইতাছি। তোমার কিছু লাগব?”

সফুরা বেগমের গলার নীচ থেকে পুরো শরীর প্যারালাইজড। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে তার সব কিছু করে দিতে হয়। পেশাপ-পায়খানা তার বিছানাতেই হয়ে যায়। প্রচুর টাকা দিয়ে বয়স্ক মত এক কাজের মহিলা রাখা হয়েছে। সেও একদিন আসেতো দুইদিন আসে না। এ ব্যাপারে তাকে কিছু বলাও যায় না। কিছু বললেই কাজ ছেড়ে দেবার হুমকি দেয়। চেঁচিয়ে বলে,”বুইড়া মাইনষের গু-মুত আমি পরিষ্কার করমু না। আল্লাগো আল্লা কি গন্নের গন্ন…ওয়াক থুঃ!”


অবন্তী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১৬ - ৫:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সানগ্লাসটার জন্যই যা একটু মন খারাপ হয়।

ভারি ফ্রেম আর বড় কাঁচ, এইধরনের সানগ্লাস ক'টাই বা চোখে পড়ে আজকাল? মানুষের রুচি বদলায়, সেই সাথে প্রযুক্তি। এখন সময় মিনিয়েচারের। টুথপিকের মতো ফিনফিনে ডাঁটি, তার সাথে কোনমতে আটকে থাকা দুফালি সরু কাঁচ - রিমলেস। ওতে কি আর চোখ ঢাকে? সানগ্লাস তো নয়, যেন নাকের বিকিনি।


আকাশ ছোঁয়া বৃক্ষের খোঁজে

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৩/০৬/২০১৬ - ৪:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]মে মাসের এক সকালে আমার ল্যাবে হটাৎ প্রফেসর এসে হাজির, সকালের এ সময়টাতে তিনি সাধারণত পদধূলি দেন না। আজ এসেছেন নিজের কোন কাজে হয়তো, হাতে একখানা খাম। সেটি হাতে নিয়েই আমার দিকে এসে খামটি আমার দিকে বাড়িয়ে বললেন তোমার নামে একটি চিঠি পেলাম মেইলবক্সে আমার চিঠি চেক করবার সময়ে। ডিপার্টমেন্টের গবেষণা সহকারী হওয়ায় আমার প্রফেসরদ