ভালোবাসা কারে কয়-২ : চম্পাবতীর গাঁয়ে

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৪/০৮/২০১৪ - ১১:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৬ বছরের তরুণ তখন। মনে যৌবনের বান ডেকেছে। যা দেখি চারপাশে, সব ভাল লাগে। ছয় ঋতু যেন পরস্পরে লীন হয়ে চির বসন্তে রূপ নিয়েছে। পথ ঘাট, ভাল লাগে, ভাল লাগে পথের দুপাশের সৌন্দর্যও। ঘাস গুল্ম-লতা, ফুল পাখি--সব সব ভাল লাগে। সেই ভালোলাগার অনুভূতির সাথে আরও একটা অনুভূতি জেগে ওঠে--চম্পা। সে কী আমাকে চিনতে পারবে? সেই ছড়া কি ওর মনে আছে? মুখোমুখি হলে আমিই বা ওকে কী বলব? আচ্ছা, এই একযুগে কেন ওর সাথে দেখা হলো না? কত মানুষের সাথেই দেখা হয়? ওর মামার বাড়ি, যেটা আমার বাবার ফুফুর বাড়ি, সেখানে বছরে দু-তিনবার পা পড়ে আমার? ও কি একবারও আসে না মামার বাড়ি? নাকি ও যখন আসে আমি তখন যাই না? ভ্যানে চলতে চলতে কোথা থেকে একরাশ অভিমান এসে আচ্ছন্ন করল আমাকে? কিন্তু অভিমান তখনই মূল্যবান, যার ওপর অভিমান করছি তার কাছে এর কিঞ্চিত মূল্য যদি থাকে। নইলে ঝরাপাতার সমান মূল্যটিও তার নেই।


ছবিব্লগ-টাচ এন্ড গো-১

বন্দনা এর ছবি
লিখেছেন বন্দনা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৪/০৮/২০১৪ - ১১:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

এইবার আমেরিকা আসার মূল উদ্দেশ্য সোশাল মিটিং হলে ও এর মাঝেই কেমন করে যেন ওয়েস্ট কোস্টের দিকে একটা রোডট্রিপ এরেঞ্জ হয়ে গেল। সান ফ্রান্সসিস্কোতে কনফারেন্সে যোগ দিতে আসা রাজু আর তিন্নি ছাড়া ও নিউ ইয়র্ক থেকে রনিকে ও পাওয়া গেল এই ট্রিপে। এইবারের ট্রিপের কোন প্লানই আমার করা হয়নি, পাঁচদিনের রোডট্রীপে টাচ এন্ড গো করে যেসব জায়গা দেখা হলো তা নিয়েই আজকের ছবি ব্লগ। সান-ফ্রান্সিস্কো থেকে শুরু করে ইয়োসোমিতে ন্যাশনাল পার্ক দেখে বিশপ হয়ে ডেড ভ্যালির মাঝ দিয়ে ঘুরে এসে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, উইপটকি পার্ক হয়ে সিকুইয়া পার্ক দেখে সোজা সান ফ্রান্সসিস্কোতে এয়ারপোর্টে এসে এই ট্রিপের পরিসমাপ্তি। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার মাইল এর মত ড্রাইভিং করতে হয়েছে সব জায়গা ঘুরে দেখতে।


আসকিরিমের কাঠি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৮/২০১৪ - ১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

০০০০

আমার ছোট মেয়েটার নাম মুনিয়া; ঠিক একটা পাখির মতোই কটকটি হইছে বেটি; সারাদিন তুরতুর তুরতুর করে! বয়স এখনো তিন পুরে নাই, কিন্তু পাকনা বুড়ির ঠাস ঠাস আধো-আধো কথাই আমার নিরানন্দ সংসারে আলো জ্বালায় রাখে!

সরকারী দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীর বেতন শুনলে রিকশাওয়ালাও মুখ ভেঙচিয়ে গর্বে বুক ফুলায়!


কাল্পনিক ক্যানভাস

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৮/২০১৪ - ১২:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আঁকাআঁকি জিনিসটা ছোটবেলা থেকেই ভাল লাগতো । চেষ্টাও করেছিলাম কিছুদিন। কিন্তু সুবিধা করে উঠতে পারি নি । কিন্তু, ইচ্ছাটা এখনো রয়ে গেছে । পরবর্তীতে শুরু করলাম ছবি তোলা । একটা সময়ে এসে মনে হল, ছবি যখন তুলছিই আর ফটোশপ আর এর জাতীয় সফটওয়্যার এর উপরেও যখন কিছুটা ধারণা আছে তাহলে দেখি চেষ্টা করে ক্যামেরায় তোলা ছবিগুলোকে কিছুটা অন্যভাবে প্রকাশ করা যায় কিনা ।


বৃষ্টিমান যন্ত্র

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের ধরন নাকি বদলে যাচ্ছে।


দুবাই এর পথে পথে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ৪:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুবাই – মরুর বুকে এক স্বর্ণ নগরী। কারো স্বপ্নের শহর – আবার কারো স্বপ্ন ভাঙ্গার বেদনার শহর।
আলো ঝলমলে এই শহরের আনন্দ বেদনার গল্প বলা শুরু করলে আরব্য রজনীর দশ ভলিউম এও কুলাবে না। আর আমার মত আদার বেপারীর জাহাজের খবর দিয়ে কোনো লাভ নেই। বরং চলুন আপনাদের এই শহর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আরব কিছু জায়গায় ঘুরিয়ে আনি।


আকাশঢাকা পাথুরে পর্বতগণ: সপ্ত হ্রদ ও একটি পর্বত (প্রায়) জয়

রিক্তা এর ছবি
লিখেছেন রিক্তা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ২:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইতিমধ্যে জ্যাস্পারের কাছাকছি এসে টোলগেট পার হওয়ার পরেই জিপিএস সম্বিত ফিরে পেয়েছে। তার দেখানো পথে আমাদের জ্যাস্পারের আস্তানা টেকারা লজে যখন পৌঁছালাম তখন রাত প্রায় দশটা। রিসিপশনের মেয়েটা তার জিনিস পত্র গোছাচ্ছে। আমাদের দেখেই খুবই স্বস্তি প্রকাশ করলো। ঘরের চাবি নিলাম এবং জিজ্ঞেস করতে ভুললাম না যে আসেপাশে ডিনারের ব্যবস্থা কি। ভদ্রমহিলা বেশ কিছু রেস্টুরেন্টের বিজ্ঞাপন ধরিয়ে দিয়ে বললেন আর্লে যাও, ওইটা এখনো খোলা আছে। ক্যারিওন ল্যাগেজ নামাতে গিয়ে বুঝলাম ক্ষুধা তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে হাত পায়ের সমন্বয় পুরাই জোম্বি ধাঁচের হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে ব্যাগে রুমে রেখে রেস্টুরেন্টের দিকে রওয়া দিলাম। আধা কিলোমিটার রাস্তা যেতে পাক্কা পঁচিশ মিনিট লাগলো! এইবার অবশ্য জিপিএস কোন তেড়িবেড়ি করে নাই, মস্তিস্কের রেসস্পন্স টাইমের কারণে ঘটনা ঘটেছে। জিপিএস বলে ডাইনে যাও। আমরা দুইজন দুইজনের মুখের দিকে তাকাই। এরপর হাতের দিকে তাকাই। কোন হাত দিয়ে ভাত খাই মনে করতে করতে ডাইনের মোড় পার হয়ে যায়।


মহা ত্রিকোণমিতিক জরিপঃবিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম অবিশ্বাস্য সাফল্যের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


গ্রেট ট্রিগোনোমেট্রিক্যাল সার্ভে চলাকালে ১৮৭০ সালে করা ভারতবর্ষের একটি মানচিত্র


ফুটবল ও আমেরিকাঃ বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ের একটি স্মৃতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২০/০৮/২০১৪ - ৩:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনা এবারের বিশ্বকাপের প্রথম দিকের। ঠিক তারিখ মনে নেই, কিন্তু তখনও গ্রুপ স্টেজের খেলা চলছে, সম্ভবত প্রথম সপ্তাহের কোন এক দিন। বিকেলে অফিস থেকে ফেরার পথে ওয়ালমারট গিয়েছিলাম। কিছু টুকিটাকি জিনিস কেনার ছিল। কিনে বের হয়ে আসার পথে দেখি এক বয়স্ক সাদা ভদ্রলোক ৫৫ ইঞ্চি এলইডি টিভি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। কি মনে হতে তার সাথে কথা বলা শুরু করলাম। ভদ্রলোক খাস টেক্সান, কাউবয়দের দক্ষিনা টানে ইংরেজি বলেনঃ


পাওলো জামান

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: বুধ, ২০/০৮/২০১৪ - ১২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভেনিশিয়ান পর্যটক নিকোলাই মানুচ্চি আমাদের ইন্টারেস্টিং একটা গল্প বলে গেছেন। ১৬৬০ সালের কথা, আওরঙ্গজেব তখন সদ্য গদিতে। পিতা শাজাহান জেলের পুলাউ খাচ্ছেন শুকনা মুখে। পূর্বপুরুষ আকবর বাদশা একটা অলিখিত নিয়ম করে গিয়েছিলেন যে পারস্য থেকে বিপদে পড়ে কেউ দিল্লীতে আসলে তাকে তাড়িয়ে দেয়া চলবে না, আদর করে মনসবদার টাইটেল দেওয়া হবে আর কাশ্মীরে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। তার পিতা হুমায়ূন ভারত থেকে শের শা এর লাথি খেয়ে পারস্যে পালিয়ে কিছু আদর সোহাগ পেয়েছিলেন বলে সম্ভবত পুত্র আকবরের এই পাল্টি ব্যবস্থা।

আওরঙ্গজেব গদিতে আসতে আসতে কাশ্মীরে এইসব মনসবদারের বাজার বসে গিয়েছে। চতুর্দিকে রেফ্যুজি মনসবদার। নিজেদের কেউ অক্কা পেলে বাকী সকলে নাকি তার পয়সা মেরে খেত। সরকারকা মাল টাইপ ব্যাপার। এই সব দেখে আওরঙ্গজেব হাত তুলে কইলেন, ওকে অডিট টাইম। কাশ্মীরে কে কে আছ মনসবদার আমার দরবারে এসে চেহারা দেখাও, নইলে মনসবদারী খুদাপেজ।