আশ্চর্য বটবৃক্ষের খোঁজে

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৩:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমাকে অবাক করে দিয়ে মোস্তাফিজুর ঝুরি ধরে ঝুলে পড়ল বাঁদরের মতো । তারপর টারজানের মতো তর তর করে উঠে গেল ঝুরি বেয়ে প্রায় ৬০ ফুট উচুঁতে।তখনই খেয়াল করলাম, এটাই সবচেয়ে লম্বা ঝুরি। মাটি ছুঁতে খুব দেরি নেই এটার।


নিত্যগল্প ১,২,৩

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি
লিখেছেন ইয়াসির আরাফাত [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৩:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জুতোটা খুব পছন্দ হয়ে গেছে। দাম চাচ্ছে তেত্রিশশো টাকা, এক দর। আমার বাজেট তিন। মিনিমিন করে বললাম, ভাই আঠাশশো রাখেন। দোকানী একরাশ বিরক্তি নিয়ে আমার দিকে তাকালো। উঁচুগলায় বলল, ‘ভাই এক দর লেখাটা দেখেন নাই? পুষাইলে নেন, না পুষাইলে আরেকখানে যান, আমার অন্য কাষ্টমার বইসা আছে’।


হাবিব মনসুরের চিঠি - প্রথম পর্ব

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ১০:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বোম্বাই, ১৬০৭। ইংরেজ সওদাগর র‍্যালফ অ্যান্ডারসনের বাসভবন।

অ্যান্ডারসনের হিন্দুস্তানি বাবুর্চি আদম বেগ আজ দম-পোখত বলে এক ডিশ রেঁধেছে। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অফিসার ক্যাপ্টেন ব্রুকস সেই সকালে মর্নিং ওয়াকে যাবার সময় খেয়াল করেছিলেন পাকশালায় আদম বেগ তার দুই সহকারীকে নিয়ে মহা ব্যস্ত হয়ে কীসব কাটাকাটি করছে। এইসব নেটিভগুলো ঘুমায় দশঘন্টা আর রান্না করতে তাদের আরো দশঘন্টা। তারপরে বাকি চারঘন্টা খায় আর পান চাবায়। অলস জাত আর কাকে বলে!


ফেব্রুয়ারিবিকেল ও মার্চসন্ধে উপাখ্যান

সৈয়দ আফসার এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ আফসার (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৫:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এসব বললে তুমিও কুলকুলে হাসো, বলো না-হেসে
পারি না; তোমার মত কুলকুলিয়ে হাসে লাউপাতা,
কচুপাতা, সর্ষেদানা। লাউ-কুমড়ার পাশে অসহায়
আলু-পটল, সুপারি সহ পানপাতা
তারচে’ ভালো ছিল বালু-সিমেন্টের পাশাপাশি বাজুক
কম্পন, দেহসমর্পণ, দু’দণ্ড কথা বলার প্রেরণা
দূর্বল সম্পর্কের ভেতর জেগে থাকা অকৃতজ্ঞ হাতের
দু-একটি ছাপে কতখানি ছিটাবে জল ইচ্ছাগুলি চেপে?


কেন যামিনী না যেতে জাগালে না, বেলা হল মরি লাজে (প্রথম পর্ব)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ১:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ নিন্দুকেরা খালি হরতালে ভাঙচুরের আর মনির পুড়ানো’র ছিদ্রান্বেষণ করে। হরতাল জিনিসটা আসলে খারাপ না। বইটা কেনা হয়েছে ৯ তারিখে, হাতে পেয়েছি ১২ তারিখে, পড়ে ফেলেছি ১৫ তারিখে অথচ কাজের চাপে (নাকি আলসেমি’র?) বহুদিন ধরেই এই পোস্ট লিখি লিখি করেও লিখে ফেলার সময় পাচ্ছিলাম না।

হরতালের সুবাদে পেয়ে গেলাম যখন কি আর করা। ‘হেইল হিটলার’ বলে কী-বোর্ডে ঝাঁপিয়ে পড়লুম। আপনারাও ‘হাত মে বিড়ি, মুখ মে পান/লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান’ বলে পড়ে ফেলুন। আজ সময় না পেলে কালকেও হরতাল আছে, তখনও ‘জয় পাকিস্তান’ বলে পড়ে ফেলতে পারবেন। মেহেরজানের গুণমুগ্ধ পাঠিকারা পাশে একটা ‘ম্যারী মি, আফ্রিদি’ প্ল্যাকার্ড রাখতে পারেন। কোনটাই পছন্দ না হলে একবাটি মুড়ি নেন। তারপর? তারপর আবার কি? মুড়ি খান! ]


ছোট্টো ফ্রি লাইব্রেরী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২১/০৯/২০১৪ - ৫:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাসা থেকে ভার্সিটি যাওয়ার জন্য সবসময় শাটল বাস সার্ভিসই ব্যবহার করা হয়। বেশি দূর না অবশ্য, হেঁটে যেতে ২৫ মিনিটের মত লাগে। কিন্তু বাস থাকলে ২৫ মিনিট হাঁটার হ্যাপা কে পোষায়? কিন্তু আজ হাঁটতে হলো।


বাফর ঠিক্নাই

নজমুল আলবাব এর ছবি
লিখেছেন নজমুল আলবাব (তারিখ: রবি, ২১/০৯/২০১৪ - ৪:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমার শিশু বয়েস থেকেই আব্বারে তার ঢং সম্পর্কের লোকজন বুড়া বলে ডাকতো। আমারে বলতো বুড়ার পোলা! আমিতো চেইত্যা মেইত্যা শেষ... ক্যান আমার আব্বারে বুড়া বলবে, ক্যান আমারে বুড়ার পোলা বলবে। তারা বলতো, তোর বাপের ইয়া বড়ো দাড়ি আছে, মাথায় কিস্তি টুপি পরে!!! এইটা ঠিক, আব্বার ইয়া বড়ো দাড়ি, টুপি, সাথে সার্বক্ষণিক পাঞ্জাবি। বুড়া না বলে করবে কি লোকে?


আমি মহাকাশ থেকে এসেছি!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২১/০৯/২০১৪ - ৪:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গাগারিনের জার্নাল থেকে অনূদিত]

টি মাইনাস ১৫ মিনিটের ঘোষণা আসতেই সীল করা দস্তানাজোড়া হাতে গলিয়ে নিলাম, পরে নিলাম হেলমেট।

টি মাইনাস ৫ মিনিট! টি মাইনাস ১ মিনিট, তারপর হূশ করে রকেটের ছুটে চলা!


পূর্ব ইউরোপ-৭ ( পুশকিনের নির্বাসন, ড্রাকুলার আবাস)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ২১/০৯/২০১৪ - ৩:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

I loved you: and, it may be, from my soul
The former love has never gone away,
But let it not recall to you my dole;
I wish not sadden you in any way.

I loved you silently, without hope, fully,
In diffidence, in jealousy, in pain;
I loved you so tenderly and truly,
As let you else be loved by any man.