সাধের বই বানাইল মোরে বৈরাগী

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৬/০২/২০১৫ - ৫:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ পেট্রল বোমাতপ্ত মাঘ, কক্টেলপোড়া ঝাঁঝালো ফাল্গুনী হাওয়া, পুনরায় রেলভ্রমণ, পূর্বনির্ধারিত দেউলেপনা, নানান রঙের মানুষ, দেড়েল কবিবুড়ো, সৈয়দ মুজতবা আলী, কিঞ্চিৎ ক্রিকেট, একমুঠো নতুন বই আর ধূলিধূসরিত অনেকখানি বইমেলা নিয়ে একটি অগোছালো ব্লগর ব্লগর। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। যারা এখনও বইমেলায় যেতে পারেননি তারা দূরে থাকুন। পরে উত্তেজিত হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে উৎসরিত উত্তপ্ত-ক্ষিপ্ত-বাক্যবর্ষণ কাম্য নয়। ]


চলার পথের সঙ্গী : পক্ষী

জিপসি এর ছবি
লিখেছেন জিপসি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৫/০২/২০১৫ - ৪:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০৬ নাম্বার ট্র্যাকিং পথ আমার সবচেয়ে প্রিয়। আসা-যাওয়া মিলিয়ে সর্বসাকুল্লে আড়াই ঘণ্টার পাহাড়ি মেঠো পথ। গ্রীষ্মকালের উইকএন্ডে ভোর ৫ টায় হন্টন শুরু করলে সকাল ৮ টার আগেই বাসায় ফিরে পরিবারের সাথে একসাথে প্রাতরাশ করার সুযোগ থাকে। শীতকালের প্রেক্ষাপট অবশ্য আলাদা। তুষারাবৃত পর্বতমালায় হেঁটে বেড়ানোর ঝামেলা অনেক। তারপরও তো রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে ঘরে আটকে বসে থাকতে পারিনা। মাফলারটা গলায় জড়িয়ে আর পিঠে ঝোলা চাপিয়ে হেঁটে বেড়াই এক গুচ্ছগ্রাম থেকে আরেক গুচ্ছগ্রামে। পত্রহীন ধুসর বনের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া কাঠুরেদের গমন পথ ধরে এগিয়ে যাই অজানার পথে। সঙ্গী হিসেবে আবির্ভূত হয় নাম না জানা কতশত পাখির দল। গ্রীষ্মের চলার পথের প্রিয় সঙ্গী মারমোত্তার দল তো বেঘোরে ঘুমুচ্ছে পাতালপুরীতে, বসন্তের আগে সে ঘুম ভাঙবে না। কামোসসোর পাল হয়ত লুকিয়ে আছে গহীন পাইনের জঙ্গলে। প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করেও প্রকৃতির মাঝে কিচিরমিচির শব্দে যে সরব উপস্থিতি জানিয়ে দেয় পাখির দল তাতেই বিমোহিত হই আমি, হৃদয়ে অনুভব করি বন্ধুত্বের উষ্ণতা।


বড্ড মরে যেতে ইচ্ছে করছে স্যার!

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৪/০২/২০১৫ - ৪:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সব মিলিয়ে বিশ বছরেরও বেশি শিক্ষাজীবন। বিশ বছরে কত শিক্ষককে পেয়েছি, কত জনের কাছে পড়েছি, অনেকের নাম হয়তো মনে করতে পারব না। এতসব শিক্ষককের ভিড়ে সবাই প্রিয় হতে পারেননি। সবাইকে ভাল লাগেনি। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ থাকেন, তাদের ব্যক্তিত্বই তাঁদেরকে ভাল লাগাতে বাধ্য করে। আকাশে লক্ষ কোটি তারার ভিড়ে যেমন ধ্রুব তারাকে খুব সহজে আলাদা করে চেনা যায়। তেমনি বিশ বছরের শিক্ষজীবনের বহু শিক্ষক থেকে প্রিয় শিক্ষক বেছে নিতে কষ্ট করতে হয় না একটুও। তিনি শ্রী বিশ্বরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। আমাদের বিশু স্যার। প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক। আমাদের আইডল।


ভালোবাসা

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: শনি, ১৪/০২/২০১৫ - ১১:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ভালোবাসা দিবস বলে কিছু ছিল না - মানে বাংলাদেশে পালন হতো না এই দিবস। আমরা কেউ কোনদিন অনুভব করি নি যে ভালোবাসার জন্য একটা দিবস লাগবে। কিন্তু আমি এই দিবসের বিরুদ্ধে না। সত্যি কথা বলতে বর্তমান পৃথিবীর অবস্থা দেখে আমার মনে হয় ভালোবাসার জন্য একটা দিবস বরাদ্দ রাখাটা খুবই জরুরী।


ত্রিপি যদি মানুষ হতো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৪/০২/২০১৫ - ২:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাজীব

“স্যার , চা খাবেন ?” ধাতব, কিন্তু মিষ্টি কণ্ঠে একটা প্রশ্ন ভেসে আসে।

“চা নিয়ে আমার মাথায় ঢাল , যত্তসব। রোবটের হাতে বানানো চা । চা তো না, যেন ফর্মুলা ।“

বর্ণালীর ওপর প্রচণ্ড একটা ক্ষোভ হঠাৎ দানা বাধতে শুরু করে রাজীবের মনে।


আনিনিসসুনাকের সংলাপ

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শনি, ১৪/০২/২০১৫ - ১:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
আন্তর্জাতিক নিরপেক্ষ নির্দলীয় সচেতন সুশীল নাগরিক কমিটির (আনিনিসসুনাক) সভায় বলে যাচ্ছিলেন কামাল হোসেন,
- এই যে পেট্রোল বোমা মারছে বিরোধীদল ...


আমি আমার ভালোবাসার কথা বলতে এসেছিলাম

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৩/০২/২০১৫ - ৩:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল পাশ দেওয়ার আগেই ভাগ্যক্রমে আমার হাতে এসেছিলো বাংলাদেশের অন্যতম আলোকিত মানুষ আরজ আলী মাতুব্বরের বই। উনিই প্রথম শিখিয়েছেন কোন বিশ্বাসকে বিনা প্রশ্নে মেনে না নিতে। তারও কিছুদিন পর পরিচয় হলো হুমায়ুন আজাদ নামের এক ভাষার যাদুকরের সাথে। প্রথা আর মুখোশে ঢেকে থাকা সমাজের সব প্রাচীরকে যিনি ভেঙে দিয়েছিলেন তার লেখা অদ্ভুত সুন্দর সব শব্দমালায়, জাগিয়ে দিয়েছিলেন মনের মাঝে সততা আর সাহসের বিস্তীর্ণ এক পাহাড়।


শুভ হোক, মঙ্গল হোক, বিশ্বক্রিকেটে বাংলাদেশ!

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৩/০২/২০১৫ - ৩:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চিলতে ইতিহাস ১:

স্হান: শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম কামালপুর।

বকসিগঞ্জ-জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের প্রবেশপথ কামালপুরের বিওপিতে ছিল পাকিস্তানীদের শক্তিশালী ঘাঁটি।এই ঘাঁটিতে আক্রমণ করে সেটা নিজেদের দখলে আনতে যে জিনিসটার সবচে' বেশি প্রয়োজন ছিল তার নাম দুর্জয় সাহস।


মহাভারতের মহাভজঘট ০২: কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০২/২০১৫ - ৪:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যত দিন ধইরাই লেখা হউক আর যত মাইনসেই কাহিনি যোগ করুক না ক্যান; মহাভারতের কাহিনিখান এখনো প্রচারিত আছে একক মানুষ বেদব্যাস কৃষ্ণ দ্বৈপায়নের নামে; এবং মহাভারতের প্রধানতম ভজঘট হইলেন স্বয়ং এই বেদব্যাস কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন। তো এই কৃষ্ণ দ্বৈপায়নের একখান কাব্যিক বর্ণনা দিছেন রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় তার অন্নদামঙ্গলের পাতায়:
[center]দাঁড়াইলে জটাভার
চরণে লুটায় তাঁর
কক্ষলোমে আচ্ছাদয়ে হাঁটু
পাকা গোপ পাকা দাড়ি


সম্বল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০২/২০১৫ - ৪:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি: