আমার ফিরে আসার 'আশা'

জুন এর ছবি
লিখেছেন জুন [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০১৫ - ১১:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[img]DSC04549[/img]

কৈফিয়তঃ
আমি কেন যেন না ধরেই নিয়েছি আমার সময় আর খুব বেশি নেই। কাজেই গত বছর দু'য়েক সেই অল্প সময়টা কী ভাবে ফাঁকিবাজি করে পার করে দেয়া যায় সেই ধান্দাতেই ছিলাম। ফাঁকি মারতে মারতে এমন হয়ে গেছে যে হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম কিছুদিন আগে যে আমি নিজেই নিজেকে ফাকিদেয়া শুরু করেছি সেইরকম পর্যায়ে। অর্থাৎ, নিজের অজান্তেই নিজেকে বুঝ দেয়া শুরু করেছি - 'আরে হবে। আজকের দিনটা দেখইনা; যদি কাল বেঁচেই থাক তাইলে না হয় এই কাজটা কর।' এবং বলাই বাহুল্য প্রতিদিনই আসলে আজকের দিন এবং সবসময়ই আগামীকাল বলে আরেকটা দিন থেকেই যায়।


আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০১৫ - ৭:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বড় হতে হতে টের পাই, আমাদের অন্যতম প্রধান কৌতুহলের নাম যৌনতা। যা খুব ঢেকে রাখার একটা জিনিস, আড়ালে আবডালে লুকিয়ে রাখার ব্যাপার। বড়রা যখন ইশারা ইঙ্গিতে নিজেদের মধ্যে দুষ্টুমি করতে থাকে, তা দেখে নিজের ভেতরে আরো বেশি কৌতুহল লুকিয়ে রাখার জিনিস। যে কৌতুহল লুকিয়ে রাখতে হয়; প্রকাশ্যে প্রকাশ করতে নেই, প্রশ্ন করতে নেই। শুধু ফিসফিস করে বন্ধুদের সঙ্গে গোপনে আলাপের বিষয় এটা। আচমকা একটা ন্যাংটো মেয়ের ছব


যে কথাগুলি ব্যক্তিগত - ০২

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০১৫ - ৩:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যদি আমার শৈশবের একমাত্র সুখের স্মৃতির পাতা কেউ আমাকে খুঁড়ে আনতে বলে তাহলে একটা মাত্র নাম আমার মন থেকে ওঠে আসবে - দাদু। আমার বাপের বাপ। আমার দাদু ছিলেন হোমিওপ্যাথের ডাক্তার। অবিভক্ত বাঙলার কুমিল্লায় জন্ম-কর্ম মানুষটার। দাদুর কাছে শুনেছি সেখানেই দাদুর চেম্বার ছিলো। সাথে আয়ুর্বেদের চর্চাও করতেন। সবসময় চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, মুখে সিগারেট এবং টেবিলের উপর ইয়াব্বর মান্ধাতা আমলের বইয়ে মুখ ঢেকে রাখতেন। রুপোর একটা সিগারেট-ভক্ষক ছিল দাদুর, নাম জানিনা তাই সিগারেট-ভক্ষক বললাম। ঐটা ছিল কলমের মুখটা (ক্যাপ) যেমন হয় সেই টাইপের কিছু একটা এবং সেটা গুঁজা থাকত সিগারেটের শেষ প্রান্তে। সেটার আবার একটা লতানো অংশও ছিল, রুপোর তৈরি। দেশভাগ, দাঙ্গায় সর্বহারা হন দাদু। কোপ খেয়ে একটা হাত প্রায় অচল হয়ে গিয়েছিল তার। পূর্ব-বঙ্গ ছেড়ে একবস্ত্রে বউ ছেলেপিলে নিয়ে একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের রাজাদের রাজধানী ছিল সেই উদয়পুরে মাথা গুঁজেছিলেন তিনি। এই উদয়পুরের সাথে জড়িয়ে আছে কত রাজাদের ইতিবৃত্ত। এবং রবীন্দ্রনাথের অমর গাঁথা - ভুবনেশ্বরী মন্দির, 'রাজর্ষি', হাসি-তাতার কথা - 'এত রক্ত কেন'?...


নারীমুক্তি প্রসঙ্গ ও দীর্ঘকাল যাবত চলে আসা আমাদের ধর্মীয় ও মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা - পরবর্তী অংশ (চার)

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০১৫ - ৩:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আদিতে নারী-পুরুষ ছিলনা, ছিল মানুষ। পরবর্তীতে সেই অখণ্ড মানবসত্তা নারী-পুরুষে বিভাজিত হয়।

'হোয়েন গড ওয়াজ এ্য ওমেন' :

আমেরিকান গ্রন্থকার ও ভাস্কর শিল্পী মারলিন স্টোন রচিত গ্রন্থ, 'হোয়েন গড ওয়াজ এ্য ওমেন'।


যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন ২০১৫ পর্যবেক্ষণ

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৫/২০১৫ - ৬:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

485x

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা শেষের দিকে চলে এসেছে। মূলতঃ চারটা এলাকা বা দেশ নিয়ে যুক্তরাজ্য গঠিত। এগুলো হচ্ছে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলস। এর মধ্যে ওয়েলস এর সাথে ইংল্যান্ডে সম্পর্কটা খুবই গভীর। সে কারণে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস এর আইন, ক্রিকেট বোর্ড বা এরকম অনেক কিছুই এক সাথেই পরিচালিত হয় (যদিও ওয়েলস এর একটা দুর্বল পার্লামেন্ট রয়েছে)। আবার নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের পরিস্থিতিটা একদমই ভিন্ন। ওখানে বেলফাস্ট এগ্রিমেন্টের পর থেকে পাওয়ার শেয়ারিং সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশটার ফার্স্ট মিনিস্টার মূলত দুইজন থাকে। একজন আসে ক্যাথলিক বা ন্যাশনালিস্টদের মধ্য থেকে এবং অন্যজন আসে প্রোটেস্টেন্ট বা ইউনিয়নিস্টদের থেকে নির্বাচিত হয়ে। এ কারণে ওখানকার রাজনীতিতে ওখানকার দলগুলোরই প্রাধান্য চোখে পড়ে। তবে জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে মূলত ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের দলগুলো। যুক্তরাজ্যের প্রধান দুই দল হচ্ছে কনজার্ভেটিভ এবং লেবার। এছাড়া তৃতীয় শক্তি হিসেবে আছে লিব ডেম যারা গতবার কনর্জাভেটিভের সাথে মিলে সরকার গঠন করে। কনজার্ভেটিভ প্রধান ডেভিড ক্যামেরন বর্তমান বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী এবং লিব ডেমের প্রধান নিক ক্লেইগ উপ-প্রধানমন্ত্রী। এই শেষের পদটা মূলত কোয়ালিশনকে সফল করার জন্যেই তৈরি করা। এটা কোন নিয়মিত পদ নয়। অন্যদিকে লেবারের প্রধান এড মিলিব্যান্ড যিনি প্রধানমন্ত্রী হবার দৌড়ে সামিল হয়েছেন এবারের নির্বাচন জিতে।


আমি একজন যৌন নিপীড়ক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৫/২০১৫ - ২:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিরোনামটা বলে দিচ্ছে আমি একজন পুরুষ, অন্তত: নিরানব্বুই ক্ষেত্রে। বাংলায় লিখছি, কাজেই এবার অনুমিতি নিরানব্বুই দশমিক নয় নয়ে অথবা একশতে গিয়ে ঠেকা উচিত। নিপীড়নে বাঙালি পুরুষের জুড়ি মেলা ভার। সেটা যৌন হলে তো কথাই নেই। আমি ব্যক্তিগত কিছু ঘটনা বলব, পাঠক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আপাতত: মাথা ঘামাচ্ছি না। ব্যক্তি আমাকে নিয়ে কে কি ভাবলো সেটাতে আসলে আমি ছাড়া ম্যাস পপুলেশনের কিছু যায় আসে না। ঘটনাগুলো বাস্


নারী নারীর শত্রু” নাকি পুরুষ-তন্ত্রের হাতিয়ার

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৫/২০১৫ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভাব নাই। এই ধরনের আচরণের প্রবক্তা পুরুষেরা হলেও কম বেশি পুরুষ নারী সবাই এটাকে চালু রাখতে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতি নিজ নিজ কর্তব্য পালন করে নিষ্ঠার সাথে। খুব প্রচলিত একটা কথা, ধারনা যেটা আমার জীবদ্দশায় বোধকরি সবচেয়ে বেশিরভাগ শুনা প্রবচনগুলোর একটা তা হল “নারীরাই নারীর শত্রু”। আমার কাছে এই প্রবচনটাকেও ভয়াবহ রকমের পুরুষতান্ত্রিক স্টেরিওটাইপিং মনে হয়। এই এ


সমতা, ন্যায্যতা এবং নারীবাদ: গোড়ার কথা

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৫/২০১৫ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গোড়াতেই স্বীকার করে নেয়া ভালো যে, আমি সমতা এবং ন্যায্যতা নিয়ে খানিকটা কাজ করলেও, নারীবাদ বিশেষজ্ঞ নই। ফলে, জ্ঞানের ঘাটতি আছে, কিন্তু নিষ্ঠায়, যাপনে এবং আচারে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো নারীবাদীর চেয়ে কম নারীবাদী নই। নারীবাদ পাঠ করা সুবিধাজনক, কিন্তু শুধু পাঠ করে নারীবাদী হওয়া সম্ভবত কঠিন। বিশেষত একজন পুরুষের পক্ষে।


বারুদ হয়ে জ্বলো

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০৫/২০১৫ - ১০:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
আবুল হাবুলকে বলে-“গালে থাপড়ায়া হুতায়ালামু।”
হাবুল চেতে গিয়ে বলে-“দেখ্‌ না মাইরা”
আবুল হাবুলের গালে চটাস করে চড় মারে। চড় খেয়ে হাবুল ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেলে। বলে-“পারলে আমগো বাড়ির সামনে আইয়া মার।”
আবুল বলে-“চল্‌”
দুজন মিলে হাবুলের বাড়ির সামনে যায়। হাবুল চোখ রাঙিয়ে বলে-“এইবার মেরে দেখ্‌।”


অজানা ঠিকানা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০৫/২০১৫ - ১০:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্তব্ধ চারিদিক,ঘন কুয়াশা
পীচ ঢালা রাজপথ ধরে আমি হেঁটে চলেছি একা একা ।
খোলা চুলগুলো উড়ছে, হিম শীতল ঠাণ্ডা হাওয়া
অদ্ভুত সুন্দর কিছু মুহূর্ত,অস্পষ্ট কিছু ভাল লাগা ।
ধোঁয়া ধোঁয়া কুয়াশা আধো আলো আধো ছায়া ;
গন্তব্যহীন পথ ধরে আমার এ হেঁটে চলা ।
ঐ শিশির ভেজা নরম ঘাসের চাদরে ,
আমার কত স্মৃতি পরে রয়েছে অনাদরে ।
মনের পর্দায় উঠল ভেসে, আমার শৈশব ;
কিশোরী মনের লাজুক স্বপ্নে ঘেরা আমার কৈশোর ।