'লস লুনাস' একটি গ্রাম। আমাদের শহরের কাছেই তার অবস্থান। দূরত্ব মাইল ত্রিশেক, আমেরিকার হিসাবে এমন কিছু দূরে না। এটাকে এই শহরের শহরতলী বললে ভুল হবে না, কারন অনেক মানুষ একটু বেশী ফাকা জায়গা পছন্দ করে এই গ্রামে থাকে এবং রোজ কাজ করতে এই শহরে আসে। 'রিও গ্রান্ড' নদী 'লস লুনাসের' মাঝ থেকে বয়ে গেছে। নদী অবশ্য নামেই নদী, শুখনার সময় অনেক জায়গাতে হেঁটে পাড় হওয়া যায় এই নদী। এই গ্রামের সাথে আমার পরিচয় অনেক দিনের
ব্রিটেন ও আমেরিকায় পয়লা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট খোলে সিলেটীরা। সিলেট ছোট জেলা, মুসলিমপ্রধান। জঙ্গলে ঘেরা, চা উৎপাদনের উপযোগী ছোট টিলায় ভরা জায়গা সিলেট, উত্তরপূর্বে আসাম। মোগল আমলে আওরঙ্গজেব লক্ষ্য করেন “সিলেট প্রদেশে, যা কিনা সুবা বাংলার অন্তর্ভুক্ত, রেওয়াজ ছিল পরিবারের কয়টি ছেলেকে খোজা বানিয়ে গভর্নরের কাছে ভেট পাঠানো হত খাজনার বদলে”। ইংরেজ আমলে সিলেট বিখ্যাত ছিল সুমিষ্ট কমলালেবুর জন্যে, কিন্তু রান্নাবান্নায় এদের তেমন তেলেসমাতির খবর পাওয়া যায়না। একটি খাবার নজর কেড়ে নেবার মত, তা হল পচানো পুঁটি মাছ।

পেদরুর সঙ্গে কদিন আছি। পেদরুর বাড়ি লিসবোঁয়া। সেখান একদিন জলে ভেসে এসেছিল। কেনো এসেছিল সেটা এক রহস্য। নানা বৃত্তান্ত তৈরি আছে সে রহস্যে।
ব্লগ হচ্ছে শ্বাস নেয়ার মত। অক্ষর-শব্দের ধ্যানের মত! দূষণহীন জঙ্গলে গিয়ে গেরিলা মায়ের পিঠে ঠেস দিয়ে জিরিয়ে নেয়ার মত!
মণিকা'দিকে বলেছিলাম তাঁকে একটা চিঠি লিখব। (হতে পারে বলেছিলাম, প্রেমপত্র লিখব। কিন্তু সে কী আর জনসমক্ষে স্বীকার করা উচিত হবে!)
[পর্ব 1]
[justify]
“বাবা ওই গাড়িটা কি গাড়ি”, রন্টু মুগ্ধ দৃষ্টিতে লাল রঙের সশব্দে চলে যাওয়া ফায়ার ব্রিগেডের গাড়িটির দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল।
“ফায়ারব্রিগেড এর গাড়ি, বাবা”।
“ওটা কই যায় ?”
“আগুন থামাতে যায় বাবা, কোথাও আগুন লাগলে ওই গাড়িটা গিয়ে আগুন নেভায়”।
৪র্থ পর্ব
৭০ এর নির্বাচনের ভূমিকা
১৯৬৯ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝিতে আমি মেজর জেনারেল মুজাফফরউদ্দীন এর স্থলাভিষিক্ত হবার জন্য ঢাকায় রওনা হলাম। আমার এই নতুন পদের সাথে আমাকে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান অঞ্চলের দায়িত্বও গ্রহণ করতে হবে।
দেড়েদের বটগাছে আবার ফকির বাবার আছর হয়েছে- সঙ্গে আছে কয়েকশ' জ্বীন। জ্বীনে কারো ঘাড় মটকায়নি। তবে মটকাতে কতক্ষণ! গাঁয়ের লোক তাই ভয়ে-আতঙ্কে তটস্থ। তাছাড়া ভয় পাওয়াটা আবহমান গ্রাম-বাংলার জীবনযাত্রারই অবিচ্ছেদ্য অংশ; মরণনেশা।